নমরুদ যখন আসমানের দিকে তীর ছুড়েছিল, তখন আল্লাহ তাআলা তার সেই তীরগুলোতে মাছ বা পাখির রক্ত লাগিয়ে মাটিতে ফেরত পাঠিয়েছিলেন। রক্তমাখা তীর দেখে দাম্ভিক নমরুদ ভেবেছিল সে আসমানের খোাদাকে আহত বা হত্যা করেছে এবং সে উল্লাস করেছিল। [
1]
বর্ণনা অনুযায়ী, এই ঘটনার পেছনে ইস্রাফিল বা ইতিহাসের লোককথা এবং ইসরাঈলি বর্ণনা রয়েছে। তবে মূল কোরআন বা বিশুদ্ধ হাদিসে নমরুদের আকাশে তীর ছুড়ে মারার এই বিশেষ ঘটনার কোনো ভিত্তি বা প্রমাণ পাওয়া যায় না। ইসলামি গবেষকদের মতে, এটি মূলত একটি ঐতিহাসিক কিংবদন্তি বা লোককাহিনী। [
1,
2,
3]
কোরআনে বর্ণিত সত্য ঘটনা হলো, নমরুদ আল্লাহর নবী হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সাথে খোদা নিয়ে বিতর্ক করেছিল। সে নিজেকে খোদা বা সর্বশক্তিমান দাবি করেছিল। তার এই চরম অহংকার ও অবাধ্যতার শাস্তি হিসেবে আল্লাহ কোনো বড় বাহিনী পাঠাননি, বরং একটি ক্ষুদ্র ও দুর্বল মশা পাঠিয়েছিলেন: [
1,
2,
3,
4,
5]
মশাটি নমরুদের নাকের ছিদ্র দিয়ে তার মস্তিষ্কে প্রবেশ করেছিল।
এর তীব্র যন্ত্রণায় সে পাগলপ্রায় হয়ে গিয়েছিল।
মাথা বা মগজের ব্যথা কমানোর জন্য সে জুতো বা লোহার হাতুড়ি দিয়ে নিজের মাথায় আঘাত করাত।
শেষ পর্যন্ত এই ক্ষুদ্র ও অপমানজনক শাস্তির মাধ্যমেই সেই দাম্ভিক শাসকের করুণ মৃত্যু হয়েছিল। [
1,
2]
১৩
১৮ মন্তব্য