ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সুবিধাগুলো হলো খরচ কমানো, যেকোনো স্থান থেকে ডেটা ও ফাইল ব্যবহারের সুযোগ (রিমোট অ্যাক্সেস), চাহিদা অনুযায়ী কাজের পরিধি বাড়ানো বা কমানো (স্কেলাবিলিটি), এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ ও উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ফিজিক্যাল সার্ভার বা হার্ডওয়্যার কেনার ঝামেলা ছাড়াই ইন্টারনেট ব্যবহার করে এসব সেবা পাওয়া যায়।
কম খরচ: আলাদা করে ব্যয়বহুল হার্ডওয়্যার বা সার্ভার কিনতে হয় না। যতটুকু ব্যবহার করা হয়, শুধু ততটুকুই মূল্য পরিশোধ করতে হয়।
যেকোনো স্থান থেকে ব্যবহার: ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে যেকোনো ডিভাইস দিয়ে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনে প্রবেশ করা যায়।
সহজে পরিধি বৃদ্ধি (Scalability): প্রয়োজন অনুযায়ী খুব দ্রুত স্টোরেজ বা প্রসেসিং পাওয়ার বাড়ানো বা কমানো যায়।
স্বয়ংক্রিয় আপডেট: ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার এবং নিরাপত্তা প্যাচ আপডেট করে নেয়।
নিরাপত্তা ও ব্যাকআপ: ডেটা হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না। যেকোনো দুর্ঘটনা বা বিপর্যয়ের সময় দ্রুত ডেটা পুনরুদ্ধার (Disaster Recovery) করা সম্ভব।
সহযোগিতা বৃদ্ধি: একই ফাইলে দলের সবাই একসাথে কাজ করতে পারেন, যা কাজের গতি বাড়িয়ে দেয়।
১৩
১৮ মন্তব্য