Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৩:১৬ অপরাহ্ণ

পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চান সরকারি কর্মচারীরা
Bikash to get government education stipends (300x250)
Presidency University admission (300x250) 20-08-26

পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ চান সরকারি কর্মচারীরা

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক। প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব আশিকুল ইসলাম, সভাপতিত্ব করেন সাবেক মহাসচিব মাহমুদুল হক।

#রাষ্ট্রপতি #পে-স্কেল

পে কমিশনের সুপারিশ বহাল রেখে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

শনিবার (২২ আগস্ট) সকালে ঢাকার সাভারে একটি রেস্টুরেন্টে মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়।

মতামত জরিপে ভোট দেওয়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবদুল মালেক। প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব আশিকুল ইসলাম, সভাপতিত্ব করেন সাবেক মহাসচিব মাহমুদুল হক।

এছাড়াও সভায় বক্তব্য রাখেন কার্যকরী সভাপতি শাহাবুদ্দিন মুন্সী, সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান, মোহাম্মদ এবাদুল ইসলাম, আজিজুর রহমান, নুরুজ্জামান লিটন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল কাদের খান, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল আমিন প্রমুখ।

প্রধান অতিথি আবদুল মালেক বলেন, পেপার পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে সচিব কমিটি নিম্ন গ্রেডে ১০০% (৮২৫০×১০০%=১৬৫০০) বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করেছেন, এতে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশার জন্ম নিচ্ছে এবং যা অতীতের যে কোনো পে স্কেলে ১৪০% বা তারও বেশি সুপারিশ বাস্তবায়ন হয়েছে ১০-২০ তম গ্রেড ভুক্ত চাকরিজীবীদের।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর বহু আন্দোলন সংগ্রাম ও কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে নবম পে স্কেল হতে যাচ্ছে, যাকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত বাজার মূল্যের উপরে প্রভাব বিস্তার করছে। বেতন বৃদ্ধির আগেই দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বী হয়ে গেছে, যা নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী এমনকি সাধারণ মানুষের মধ্যে ও হতাশার রূপ নিচ্ছে, নিম্ন গ্রেড ভুক্ত কর্মচারীরা কোন ভাবেই দ্রব্যমূল্যের সাথে প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিয়ে পেরে উঠছে না। নবম পে স্কেলে যে পরিমাণ বেতন বৃদ্ধি পাবে তার চেয়ে বহুগুণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়ে অনেক আগেই মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২০ এবং ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দে দুইটি পে স্কেল পাওয়ার কথা থাকলেও একটিও হয়নি, জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫ এর মতবিনিময় সভায় কর্মচারীদের বর্তমান অবস্থা ও দ্রব্যমূল্যের পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে, সে অনুযায়ী দুইটা পে স্কেলের সমন্বয় করে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল কিন্তু সেটাকে কাটছাট করে সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকার সুপারিশ প্রণয়ন করেন।

মহাসচিব আশিকুল ইসলাম বলেন, ১:৪ অনুপাতে সর্বোচ্চ এক লাখ ৪০ হাজার টাকার কথা বলা হলেও সেটাকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজারের সুপারিশ করে বৈষম্যের শিকল আরও পাকাপোক্ত করা হয়েছে। সচিব পর্যায় সুপারিশ প্রণয়ন কমিটি যদি সেই ২০ হাজারকেও কাটছাট করেন এবং সেখান থেকে বিশেষ সুবিধা ১৫% বাদ দেওয়া হয় তাহলে নবম পে স্কেলের বর্ধিত বেতন ও দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির সাথে কোনভাবেই সামঞ্জস্য হবে না। যার ফলে কর্মচারীরা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং সেই অস্থিরতা, হতাশা, অভাব থেকেই যাবে।

সচিব কমিটি ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনে সর্বনিম্ন ২০ হাজারকে আরও একটু বাড়িয়ে বাজার মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে গেজেট প্রকাশের দাবি করছেন সাধারণ কর্মচারীদের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ সমিতির নেতারা। এ ব্যাপারে কর্মচারী বান্ধব প্রধানমন্ত্রী এবং নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি কামনা করা হয়। একই সঙ্গে দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি করার দাবি জানান তারা।

শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ