সহকারী শিক্ষক
২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৩:২৮ অপরাহ্ণ
যশোরের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েলে আর্সেনিক, ১৬টিতে মাত্রাতিরিক্ত
ও অন্যান্যরা পান করে। তারপরও বাইরে কলে যদি মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক পাওয়া যায় সেটি আমাদেরকে অবহিত করা প্রয়োজন ছিল।
তিনি বলেন, কেননা কেউ যদি ওই কলের পানি পান করে তাহলে তার স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি হবে। বিষয়টি নিয়ে আমরা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিসে যোগাযোগ করব।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল আলিম গাজী বলেন, সম্প্রতি যশোর জেলার ৮টি উপজেলার এক হাজার ২৯০টি টিউবয়েলের পানির আর্সেনিক পরীক্ষা করা হয়েছে আমাদের নিজস্ব ল্যাবে। সেখানে সবকটি টিউবয়েলের পানিতে আর্সেনিক পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, তবে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক রয়েছে এমন বিদ্যালয়ের সংখ্যা হলো ১৬টি। বাকি বিদ্যালয়ের টিউবয়েলে সহনীয় মাত্রা শূন্য দশমিক ৫-৬ মিলিগ্রাম আর্সেনিক রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে টিউবয়েলের পানিতে ১০ মিলিগ্রাম আর্সেনিক থাকলে সেই পানি পান করা যাবে না।
যশোর মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার মাহাবুবুর রহমান বলেন, আর্সেনিক হলো বিষ। ন্যূনতম আর্সেনিক থাকলেও সেই পানি পান করা যাবে না। সেখানে ৫ মিলিগ্রাম আর্সেনিকও শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোকে উদ্যোগী হতে হবে।
সচেতন নাগরিক কমিটি যশোরের সভাপতি অধ্যাপক পাভেল চৌধুরী বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর টিউবয়েলের পানিতে আর্সেনিক পাওয়া গেছে, এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। দ্রুত সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলোকে বিষয়টি অবহিত করা দরকার।
তিনি বলেন, আমি মনে করি তাদের এ তথ্য না জানানো অপরাধ। না জানার কারণে স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এই পানি পান করছে। এতে করে তারা চরম স্বাস্থঝুঁকিতে রয়েছে।
এ ব্যাপারে যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) খান মাসুম বিল্লাহ বলেন, যেসব টিউবয়েলে মাত্রাতিরিক্ত আর্সেনিক শনাক্ত হয়েছে সেই টিউবয়েলের পানি পান করা যাবে না। বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করব।
১৩
১৮ মন্তব্য