সহকারী অধ্যাপক
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০ পূর্বাহ্ণ
সঠিক পথে চলো - মোঃ মুজিবুর রহমান
|
|
সঠিক পথে চলো
মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর
নিজের দোষে দাও মনোযগ, অন্যের দোষ নয়,
নিজেকে যে শোধরাতে পারে, সত্য জ্ঞানী সে হয়।
অন্যের ত্রুটি খুঁজে বেড়ানো, বলে বেড়ানো পাপ,
নিজের ভুলে পর্দা টেনে কী লাভ বলো মাপ?
বুকের মাঝে বিবেক জাগাও, দেখো নিজের দোষ,
অন্যের দোষ প্রচার করে বাড়িও না সন্তোষ।
যে নিজেকে সংশোধন করে, সে-ই মহৎ প্রাণ,
নিজের আগে নিজেকে গড়ো—এটাই জ্ঞানের গান।
কর্মকৌশল, কর্মপ্রচেষ্টা—বুদ্ধির বড় পরিচয়,
অলস বসে স্বপ্ন দেখলে সফলতা কি হয়?
শ্রমের পথে এগিয়ে চলো, সাধনা হোক সাথি,
কাজের মাঝে জ্ঞান খুঁজে নাও, জাগুক মনের বাতি।
হারাম থেকে দূরে থাকা—বীরত্বেরই চিহ্ন,
নফস দমন করে যে চলে, তার জীবন হয় পুণ্য।
লোভ-লালসা জয় করে যে রাখে নিজেকে শুদ্ধ,
সত্যিকারের বীর সে-ই তো, তার হৃদয় হয় দৃঢ়।
সুন্দর ব্যবহার মানুষের শ্রেষ্ঠ অলংকার,
মিষ্টি কথায় জয় করা যায় মানুষের অন্তর।
অহংকারে নয় মহত্ত্ব, নয় কটু কথার মান,
নম্রতা আর সদাচরণেই ফুটে ওঠে সম্মান।
প্রভু বলেছেন—ভয় করো তাঁকে গোপন ও প্রকাশে,
তাঁর নজরেই সবই ধরা, কোথাও কি তা ভাসে?
একাকী আর জনসমক্ষে একই থাকুক মন,
তাকওয়ার আলোয় আলোকিত হোক জীবন-ভুবন।
সন্তুষ্টিতে সীমা রেখো, অসন্তোষেও তাই,
ন্যায়ের কথা সত্যভাবে বলতে যেন ভয় না পাই।
সুখের দিনে ন্যায় ভুলে নয়, দুঃখেও নয় হীন,
সত্যের পথে অবিচল থাকো—এই হোক দৃঢ় ঋণ।
দারিদ্র্যে যেমন সংযম রাখো, প্রাচুর্যেও তাই,
অপচয়ের পথ ছেড়ে দিয়ে মধ্যপন্থায় যাই।
ধন-সম্পদ আল্লাহর দান, নয় যে অহংকার,
মিতব্যয়ী জীবন গড়ে শান্তি অনিবার।
যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কোনোদিন,
তবু তুমি সম্পর্ক জুড়ো—হৃদয় করো ঋণ।
অভিমানকে দূরে সরিয়ে বাড়াও ভালোবাসা,
সম্পর্ক রক্ষা মহৎ কাজ, তাতেই মেটে হতাশা।
যে তোমাকে বঞ্চিত করেছে, তার প্রতিও দাও,
প্রতিদানের বদলে তাকে কল্যাণের পথ দেখাও।
দানের হাতে হৃদয় বড়, সংকীর্ণতা ক্ষয়,
ক্ষমা, দয়া, ভালোবাসাতেই মানুষের জয়।
যে তোমার প্রতি করেছে অন্যায় ও অবিচার,
প্রতিশোধের আগুন জ্বেলে করো না অন্তর ভার।
ক্ষমা করা দুর্বলতা নয়, মহৎ হৃদয়ের গুণ,
ক্ষমাশীলের হৃদয় জুড়ে ফুটে রহমতের ফুল।
নীরবতা হোক চিন্তার সাথি, গবেষণার দ্বার,
অর্থহীন কথার ভিড়ে নষ্ট কোরো না ভার।
চুপ থাকা মানে শুধু নয় মুখটি বন্ধ রাখা,
নীরব মনে সত্য খোঁজা, জ্ঞানকে কাছে ডাকা।
কথা যখন বলবে তুমি, হোক তা কল্যাণময়,
উপদেশে জাগুক মানুষ, মুছে যাক সংশয়।
কটু কথা নয়, মিথ্যা নয়, গীবত যেন নয়,
সত্য-মধুর বাক্যেই মানুষের হৃদয় জয়।
প্রতিটি দৃষ্টি হোক তোমার শিক্ষার অনুসন্ধান,
সৃষ্টিজগৎ দেখে শেখো স্রষ্টার মহিমান্বিত জ্ঞান।
দেখে শুধু তাকিয়ে থেকো না বাহ্যিক সৌন্দর্যে,
শিক্ষা নাও প্রতিটি দৃশ্যের গভীর অন্তর্নিহিত অর্থে।
চোখকে রাখো সংযমী, মনকে রাখো পবিত্র,
দৃষ্টির মাঝে জ্ঞানের আলো করুক জীবন চিত্র।
যা দেখিলে শিক্ষা মেলে, সে দৃশ্য মনে রাখো,
সৃষ্টির মাঝে স্রষ্টার নিদর্শন চিনে নাও।
ভালো কাজের আদেশ দাও, মন্দ কাজ থেকে ফেরাও,
নিজে আগে সৎ পথে চলো, পরে মানুষকে শেখাও।
নিজে যদি অন্ধকারে থাকো, আলো কীভাবে দেবে?
নিজের জীবন সত্য হলে তবেই মানুষ নেবে।
সত্য পথে চলো, হে মানুষ, সত্য পথে চলো,
অন্যায়ের সব বন্ধন ছিঁড়ে ন্যায়ের পতাকা তোলো।
নিজের দোষ সংশোধন করে আলোকিত করো প্রাণ,
তবেই হবে সুন্দর জীবন, তবেই হবে মহান।
অন্যের দোষ খুঁজে বেড়িও না, নিজের হিসাব নাও,
আজকের ভুল আগামী দিনে শুধরে নিতে চাও।
নিজের অন্তর পরিচ্ছন্ন করো, অহংকার করো ক্ষয়,
আত্মশুদ্ধির পথেই মানুষ সত্যিকারের জয়।
ধন এলে যেন অহংকারে হৃদয় না যায় ভরে,
দুঃখ এলে যেন ঈমান তোমার না যায় সরে।
সুখে-দুঃখে একই থেকো, রাখো ন্যায়ের মান,
আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এগিয়ে চলো প্রাণ।
যে তোমাকে কষ্ট দিয়েছে, তার জন্যও দোয়া করো,
ঘৃণার বদলে ভালোবাসার প্রদীপখানি ধরো।
ক্ষমার মাঝে শক্তি আছে, দয়ার মাঝে জয়,
সদাচরণে শত্রুও একদিন আপন হয়ে রয়।
কথা বলার আগে ভাবো—কথাটি কি সত্য?
কথাটি কি কল্যাণকর, নাকি বাড়াবে দুঃখ?
জবান হলো আমানত, রেখো তাকে সংযত,
মিষ্টি কথায় গড়ে ওঠে সম্পর্ক সুন্দরতর।
কাজের মাঝে নিষ্ঠা রাখো, সময়ের করো মান,
অলসতা যে নষ্ট করে জীবনের সম্ভাবনাময় প্রাণ।
পরিশ্রম আর কর্মপ্রচেষ্টা সফলতার সোপান,
সৎ কর্মে গড়ে ওঠে মানুষের সম্মান।
হারাম ছেড়ে হালাল বেছে পবিত্র জীবন গড়ো,
নফসের যত প্রলোভন আসে সাহসে তাকে ছাড়ো।
দুনিয়ার ক্ষণিক লাভের জন্য আখিরাত হারিও না,
অল্প সুখের মোহে পড়ে সত্যের পথ ছাড়িও না।
নিজের ভেতর তাকাও আগে, আয়না করো মন,
ভুলের মাঝে শিক্ষা খুঁজে গড়ো নতুন জীবন।
যে নিজেকে জয় করতে পারে, জয় করে সে ভয়,
নফস জয়ের মহাসাফল্য জীবনেরই জয়।
সত্য বলো সন্তুষ্টিতে, সত্য বলো রোষে,
ন্যায়ের পথে থেকো দৃঢ় সুখে কিংবা দুঃখে।
দারিদ্র্যে ধৈর্য ধারণ করো, ধনে করো দান,
মধ্যপন্থার সুন্দর পথে রাখো জীবনের মান।
সম্পর্ক যদি কেউ ছিন্ন করে, তবু হাত বাড়াও,
অভিমানকে পেছনে ফেলে ভালোবাসা চাও।
বঞ্চিত হলে বঞ্চনা নয়—দান দিয়ে দাও জবাব,
অন্যায় পেলে ক্ষমা করো, এটাই মহৎ স্বভাব।
নীরবতায় ভাবো তুমি—কোথায় ভুল, কোথায় ঠিক,
জ্ঞান অর্জন করো সদা, জীবন হোক সত্যশীল।
বাক্য হোক উপদেশময়, দৃষ্টি হোক জ্ঞানী,
সৎ কর্মে পরিচিত হোক তোমার জীবনখানি।
ভালো কাজের আহ্বান হোক তোমার প্রতিদিন,
মন্দ কাজের পথ থেকে ফিরুক সকলেই একদিন।
নিজে আলো, অন্যকে আলো—এই হোক জীবনের ব্রত,
মানুষ গড়ার কাজে দাও তোমার শ্রেষ্ঠ শক্তি যত।
সঠিক পথে চলা মানে সত্য ও ন্যায়ের পথ,
সঠিক পথে চলা মানে পবিত্র জীবনের রথ।
সঠিক পথে চলা মানে আল্লাহর সন্তুষ্টি চাওয়া,
সঠিক পথে চলা মানে মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলানো।
তাই এসো আজ শপথ করি—নিজেকে আগে গড়ি,
অন্যের দোষ প্রচার না করে নিজের ভুলই ধরি।
সত্য, ন্যায়, দয়া, ক্ষমা—হোক হৃদয়ের গান,
তাকওয়া, জ্ঞান, সদাচরণে গড়ি সুন্দর প্রাণ।
কর্মে হোক নিষ্ঠা আমাদের, কথায় হোক আলো,
হৃদয় জুড়ে সত্য থাকুক, আচরণ হোক ভালো।
হারাম থেকে দূরে থেকে হালাল পথে চলো,
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জীবনটাকে গড়ো।
যে নিজেকে সংশোধন করে, সে-ই জ্ঞানী হয়,
যে অন্যায় থেকে ফিরে আসে, তারই সত্য জয়।
যে ক্ষমা করে, দান করে, সম্পর্ক রাখে জুড়ে,
তার হৃদয়ে রহমত নামে অন্ধকার সব দূরে।
হে আল্লাহ, আমাদের দাও সত্য পথে চলার শক্তি,
দাও ন্যায়ের ওপর থাকার দৃঢ়তা ও ভক্তি।
দাও সুন্দর চরিত্র, দাও পবিত্র প্রাণ,
দাও ভালো কাজের তাওফিক, মন্দ থেকে পরিত্রাণ।
নিজের দোষ দেখার চোখ দাও, অন্যের দোষ নয়,
অহংকার থেকে বাঁচাও প্রভু, দাও বিনয়ের জয়।
জবানকে রাখো সত্যভাষী, দৃষ্টিকে রাখো শুদ্ধ,
কর্মকে করো কল্যাণময়, হৃদয় করো বদ্ধ—
তোমার প্রেমে, তোমার ভয়ে, তোমার হুকুম মানায়,
দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা দাও আমাদের ছায়ায়।
সঠিক পথে চলো, সবাই সঠিক পথে চলো,
সত্যের দীপ জ্বেলে দিয়ে মিথ্যার আঁধার তলো।
নিজে ভালো, পরকে ভালো—এই হোক জীবনের গান,
মানবতার কল্যাণে গড়ি সুন্দর পৃথিবী মহান।
সঠিক পথে চলো—এ পথ আলোর পথ,
সঠিক পথে চলো—এ পথ ন্যায়ের রথ।
সঠিক পথে চলো—হৃদয় হোক পবিত্র,
আল্লাহর সন্তুষ্টিই হোক জীবনের চূড়ান্ত চিত্র।
***
সঠিক পথে চলো
নিজের দোষে দাও মনোযোগ, অন্যের দোষ নয়,
নিজেকে যে শোধরাতে পারে, সত্য জ্ঞানী সে হয়।
অন্যের ত্রুটি খুঁজে বেড়ানো, বলে বেড়ানো পাপ,
নিজের ভুলে পর্দা টেনে কী লাভ বলো মাপ?
বুকের মাঝে বিবেক জাগাও, দেখো নিজের দোষ,
অন্যের দোষ প্রচার করে বাড়িও না সন্তোষ।
যে নিজেকে সংশোধন করে, সে-ই মহৎ প্রাণ,
নিজের আগে নিজেকে গড়ো—এটাই জ্ঞানের গান।
কর্মকৌশল, কর্মপ্রচেষ্টা—বুদ্ধির বড় পরিচয়,
অলস বসে স্বপ্ন দেখলে সফলতা কি হয়?
শ্রমের পথে এগিয়ে চলো, সাধনা হোক সাথি,
কাজের মাঝে জ্ঞান খুঁজে নাও, জাগুক মনের বাতি।
হারাম থেকে দূরে থাকা—বীরত্বেরই চিহ্ন,
নফস দমন করে যে চলে, তার জীবন হয় পুণ্য।
লোভ-লালসা জয় করে যে রাখে নিজেকে শুদ্ধ,
সত্যিকারের বীর সে-ই তো, তার হৃদয় হয় দৃঢ়।
সুন্দর ব্যবহার মানুষের শ্রেষ্ঠ অলংকার,
মিষ্টি কথায় জয় করা যায় মানুষের অন্তর।
অহংকারে নয় মহত্ত্ব, নয় কটু কথার মান,
নম্রতা আর সদাচরণেই ফুটে ওঠে সম্মান।
প্রভু বলেছেন—ভয় করো তাঁকে গোপন ও প্রকাশে,
তাঁর নজরেই সবই ধরা, কোথাও কি তা ভাসে?
একাকী আর জনসমক্ষে একই থাকুক মন,
তাকওয়ার আলোয় আলোকিত হোক জীবন-ভুবন।
সন্তুষ্টিতে সীমা রেখো, অসন্তোষেও তাই,
ন্যায়ের কথা সত্যভাবে বলতে যেন ভয় না পাই।
সুখের দিনে ন্যায় ভুলে নয়, দুঃখেও নয় হীন,
সত্যের পথে অবিচল থাকো—এই হোক দৃঢ় ঋণ।
দারিদ্র্যে যেমন সংযম রাখো, প্রাচুর্যেও তাই,
অপচয়ের পথ ছেড়ে দিয়ে মধ্যপন্থায় যাই।
ধন-সম্পদ আল্লাহর দান, নয় যে অহংকার,
মিতব্যয়ী জীবন গড়ে শান্তি অনিবার।
যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কোনোদিন,
তবু তুমি সম্পর্ক জুড়ো—হৃদয় করো ঋণ।
অভিমানকে দূরে সরিয়ে বাড়াও ভালোবাসা,
সম্পর্ক রক্ষা মহৎ কাজ, তাতেই মেটে হতাশা।
যে তোমাকে বঞ্চিত করেছে, তার প্রতিও দাও,
প্রতিদানের বদলে তাকে কল্যাণের পথ দেখাও।
দানের হাতে হৃদয় বড়, সংকীর্ণতা ক্ষয়,
ক্ষমা, দয়া, ভালোবাসাতেই মানুষের জয়।
যে তোমার প্রতি করেছে অন্যায় ও অবিচার,
প্রতিশোধের আগুন জ্বেলে করো না অন্তর ভার।
ক্ষমা করা দুর্বলতা নয়, মহৎ হৃদয়ের গুণ,
ক্ষমাশীলের হৃদয় জুড়ে ফুটে রহমতের ফুল।
নীরবতা হোক চিন্তার সাথি, গবেষণার দ্বার,
অর্থহীন কথার ভিড়ে নষ্ট কোরো না ভার।
চুপ থাকা মানে শুধু নয় মুখটি বন্ধ রাখা,
নীরব মনে সত্য খোঁজা, জ্ঞানকে কাছে ডাকা।
কথা যখন বলবে তুমি, হোক তা কল্যাণময়,
উপদেশে জাগুক মানুষ, মুছে যাক সংশয়।
কটু কথা নয়, মিথ্যা নয়, গীবত যেন নয়,
সত্য-মধুর বাক্যেই মানুষের হৃদয় জয়।
প্রতিটি দৃষ্টি হোক তোমার শিক্ষার অনুসন্ধান,
সৃষ্টিজগৎ দেখে শেখো স্রষ্টার মহিমান্বিত জ্ঞান।
দেখে শুধু তাকিয়ে থেকো না বাহ্যিক সৌন্দর্যে,
শিক্ষা নাও প্রতিটি দৃশ্যের গভীর অন্তর্নিহিত অর্থে।
চোখকে রাখো সংযমী, মনকে রাখো পবিত্র,
দৃষ্টির মাঝে জ্ঞানের আলো করুক জীবন চিত্র।
যা দেখিলে শিক্ষা মেলে, সে দৃশ্য মনে রাখো,
সৃষ্টির মাঝে স্রষ্টার নিদর্শন চিনে নাও।
ভালো কাজের আদেশ দাও, মন্দ কাজ থেকে ফেরাও,
নিজে আগে সৎ পথে চলো, পরে মানুষকে শেখাও।
নিজে যদি অন্ধকারে থাকো, আলো কীভাবে দেবে?
নিজের জীবন সত্য হলে তবেই মানুষ নেবে।
সত্য পথে চলো, হে মানুষ, সত্য পথে চলো,
অন্যায়ের সব বন্ধন ছিঁড়ে ন্যায়ের পতাকা তোলো।
নিজের দোষ সংশোধন করে আলোকিত করো প্রাণ,
তবেই হবে সুন্দর জীবন, তবেই হবে মহান।
অন্যের দোষ খুঁজে বেড়িও না, নিজের হিসাব নাও,
আজকের ভুল আগামী দিনে শুধরে নিতে চাও।
নিজের অন্তর পরিচ্ছন্ন করো, অহংকার করো ক্ষয়,
আত্মশুদ্ধির পথেই মানুষ সত্যিকারের জয়।
ধন এলে যেন অহংকারে হৃদয় না যায় ভরে,
দুঃখ এলে যেন ঈমান তোমার না যায় সরে।
সুখে-দুঃখে একই থেকো, রাখো ন্যায়ের মান,
আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে এগিয়ে চলো প্রাণ।
যে তোমাকে কষ্ট দিয়েছে, তার জন্যও দোয়া করো,
ঘৃণার বদলে ভালোবাসার প্রদীপখানি ধরো।
ক্ষমার মাঝে শক্তি আছে, দয়ার মাঝে জয়,
সদাচরণে শত্রুও একদিন আপন হয়ে রয়।
কথা বলার আগে ভাবো—কথাটি কি সত্য?
কথাটি কি কল্যাণকর, নাকি বাড়াবে দুঃখ?
জবান হলো আমানত, রেখো তাকে সংযত,
মিষ্টি কথায় গড়ে ওঠে সম্পর্ক সুন্দরতর।
কাজের মাঝে নিষ্ঠা রাখো, সময়ের করো মান,
অলসতা যে নষ্ট করে জীবনের সম্ভাবনাময় প্রাণ।
পরিশ্রম আর কর্মপ্রচেষ্টা সফলতার সোপান,
সৎ কর্মে গড়ে ওঠে মানুষের সম্মান।
হারাম ছেড়ে হালাল বেছে পবিত্র জীবন গড়ো,
নফসের যত প্রলোভন আসে সাহসে তাকে ছাড়ো।
দুনিয়ার ক্ষণিক লাভের জন্য আখিরাত হারিও না,
অল্প সুখের মোহে পড়ে সত্যের পথ ছাড়িও না।
নিজের ভেতর তাকাও আগে, আয়না করো মন,
ভুলের মাঝে শিক্ষা খুঁজে গড়ো নতুন জীবন।
যে নিজেকে জয় করতে পারে, জয় করে সে ভয়,
নফস জয়ের মহাসাফল্য জীবনেরই জয়।
সত্য বলো সন্তুষ্টিতে, সত্য বলো রোষে,
ন্যায়ের পথে থেকো দৃঢ় সুখে কিংবা দুঃখে।
দারিদ্র্যে ধৈর্য ধারণ করো, ধনে করো দান,
মধ্যপন্থার সুন্দর পথে রাখো জীবনের মান।
সম্পর্ক যদি কেউ ছিন্ন করে, তবু হাত বাড়াও,
অভিমানকে পেছনে ফেলে ভালোবাসা চাও।
বঞ্চিত হলে বঞ্চনা নয়—দান দিয়ে দাও জবাব,
অন্যায় পেলে ক্ষমা করো, এটাই মহৎ স্বভাব।
নীরবতায় ভাবো তুমি—কোথায় ভুল, কোথায় ঠিক,
জ্ঞান অর্জন করো সদা, জীবন হোক সত্যশীল।
বাক্য হোক উপদেশময়, দৃষ্টি হোক জ্ঞানী,
সৎ কর্মে পরিচিত হোক তোমার জীবনখানি।
ভালো কাজের আহ্বান হোক তোমার প্রতিদিন,
মন্দ কাজের পথ থেকে ফিরুক সকলেই একদিন।
নিজে আলো, অন্যকে আলো—এই হোক জীবনের ব্রত,
মানুষ গড়ার কাজে দাও তোমার শ্রেষ্ঠ শক্তি যত।
সঠিক পথে চলা মানে সত্য ও ন্যায়ের পথ,
সঠিক পথে চলা মানে পবিত্র জীবনের রথ।
সঠিক পথে চলা মানে আল্লাহর সন্তুষ্টি চাওয়া,
সঠিক পথে চলা মানে মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলানো।
তাই এসো আজ শপথ করি—নিজেকে আগে গড়ি,
অন্যের দোষ প্রচার না করে নিজের ভুলই ধরি।
সত্য, ন্যায়, দয়া, ক্ষমা—হোক হৃদয়ের গান,
তাকওয়া, জ্ঞান, সদাচরণে গড়ি সুন্দর প্রাণ।
কর্মে হোক নিষ্ঠা আমাদের, কথায় হোক আলো,
হৃদয় জুড়ে সত্য থাকুক, আচরণ হোক ভালো।
হারাম থেকে দূরে থেকে হালাল পথে চলো,
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জীবনটাকে গড়ো।
যে নিজেকে সংশোধন করে, সে-ই জ্ঞানী হয়,
যে অন্যায় থেকে ফিরে আসে, তারই সত্য জয়।
যে ক্ষমা করে, দান করে, সম্পর্ক রাখে জুড়ে,
তার হৃদয়ে রহমত নামে অন্ধকার সব দূরে।
হে আল্লাহ, আমাদের দাও সত্য পথে চলার শক্তি,
দাও ন্যায়ের ওপর থাকার দৃঢ়তা ও ভক্তি।
দাও সুন্দর চরিত্র, দাও পবিত্র প্রাণ,
দাও ভালো কাজের তাওফিক, মন্দ থেকে পরিত্রাণ।
নিজের দোষ দেখার চোখ দাও, অন্যের দোষ নয়,
অহংকার থেকে বাঁচাও প্রভু, দাও বিনয়ের জয়।
জবানকে রাখো সত্যভাষী, দৃষ্টিকে রাখো শুদ্ধ,
কর্মকে করো কল্যাণময়, হৃদয় করো বদ্ধ—
তোমার প্রেমে, তোমার ভয়ে, তোমার হুকুম মানায়,
দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা দাও আমাদের ছায়ায়।
সঠিক পথে চলো, সবাই সঠিক পথে চলো,
সত্যের দীপ জ্বেলে দিয়ে মিথ্যার আঁধার তলো।
নিজে ভালো, পরকে ভালো—এই হোক জীবনের গান,
মানবতার কল্যাণে গড়ি সুন্দর পৃথিবী মহান।
সঠিক পথে চলো—এ পথ আলোর পথ,
সঠিক পথে চলো—এ পথ ন্যায়ের রথ।
সঠিক পথে চলো—হৃদয় হোক পবিত্র,
আল্লাহর সন্তুষ্টিই হোক জীবনের চূড়ান্ত চিত্র।
সঠিক পথে চলো
নিজের দিকে তাকাও আগে, নিজের হিসাব নাও,
অন্যের দোষ খুঁজে বেড়িয়ে জীবন নষ্ট কোরো না।
নিজের মাঝে যত ভুল আছে, সংশোধনের ব্রত ধরো,
আত্মশুদ্ধির পবিত্র পথে দৃঢ় পদে চলো।
অন্যের দোষ বলে বেড়ানো মর্যাদার নয় কাজ,
পরনিন্দাতে কলুষিত হয় অন্তরেরই সাজ।
যে নিজের ভুল চিনতে পারে, সেই তো জ্ঞানী জন,
নিজেকে যে শোধরায় আগে, মহৎ তার জীবন।
সঠিক পথে চলো, চলো সত্যেরই পথে,
আলো জ্বালো অন্তরে, ন্যায়ের মহারথে।
নিজের দোষ সংশোধন করে গড়ো পবিত্র প্রাণ,
আল্লাহর সন্তুষ্টিই হোক জীবনের মহান গান।
কর্মকৌশল, কর্মপ্রচেষ্টা—বুদ্ধির বড় দান,
শ্রম ছাড়া কি সফল হয় কোনো মানুষের প্রাণ?
অলস বসে স্বপ্ন দেখলে পূরণ হবে কী?
পরিশ্রমের সিঁড়ি বেয়ে সাফল্য আসে নিকটেই।
সময় হলো মূল্যবান ধন, নষ্ট কোরো না সময়,
সৎ কর্মে ব্যস্ত থাকলে জীবনে আসে জয়।
পরিকল্পনা, কর্মনিষ্ঠা, অধ্যবসায় সাথি,
জ্ঞান ও শ্রমে জ্বালিয়ে রাখো অন্তরেরই বাতি।
হারাম কাজ থেকে দূরে থাকা বীরের পরিচয়,
নফসের তাড়না দমন করাই সত্যিকারের জয়।
লোভ যদি ডাকে কাছে, বলো—‘না’, দৃঢ় প্রাণে,
হারাম ছেড়ে হালাল বেছে চলো সৎ বিধানে।
ক্ষণিক লাভের মোহে পড়ে আখিরাত হারিও না,
নফসের কাছে সত্যের পথে কখনোই হার মানো না।
যে নিজেকে জয় করতে পারে, সে-ই শক্তিমান,
আল্লাহভীরু পবিত্র মানুষ—সত্যিকারের মহান।
সুন্দর ব্যবহার মানুষের শ্রেষ্ঠ অলংকার,
মধুর কথায় জয় করা যায় মানুষের অন্তর।
কটু কথা, অহংকার—এসব ছেড়ে দাও,
নম্রতারই সুন্দর পথে জীবন গড়ে নাও।
ভদ্রতা শুধু পোশাকে নয়, আচরণে তার রূপ,
সদাচরণে ফুটে ওঠে মানুষের অন্তঃস্বরূপ।
ছোট-বড় সবার প্রতি রাখো ভালো ব্যবহার,
মিষ্টি কথায় দূর হয়ে যায় হৃদয়ের অন্ধকার।
গোপনে যেমন আল্লাহভীতি, প্রকাশেও তেমন,
একই থাকুক অন্তর তোমার—সত্য হোক আপন।
মানুষ দেখুক আর না দেখুক, প্রভু দেখেন সব,
তাঁর নজরেই জীবন চলে—এই বিশ্বাস হোক দৃঢ়।
নির্জনে যে সৎ থাকে, জনসমক্ষে সেও সৎ,
তাকওয়ার আলোয় আলোকিত তারই জীবনপথ।
ভয় নয় শুধু—তাঁর প্রতি ভালোবাসাও থাক,
আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রতিটি পদ রাখ।
সুখের দিনে ন্যায় বলো, দুঃখেও ন্যায় ধরো,
রাগের সময় সত্য কথা বলতে কখনো ভয় কোরো না।
সন্তুষ্টিতে ন্যায় ভুলে যেয়ো না, ক্রোধেও নয়,
ন্যায়ের পথে অবিচল থাকাই মুমিনের জয়।
দারিদ্র্যে থেকো সংযমী, ধন পেলে দাও দান,
প্রাচুর্যে যেন অপচয়ে নষ্ট না হয় প্রাণ।
ধন-সম্পদ আল্লাহর দান—অহংকার কোরো না,
মধ্যপন্থার সুন্দর পথ কোনোদিন ছাড়ো না।
অল্পে তুষ্টি, মিতব্যয়িতা—জীবনেরই গুণ,
অপচয়ের পথ মানুষকে করে শূন্য, করে ঋণ।
খরচে রাখো পরিমিতি, দানে রাখো হাত,
সংযমী জীবন শান্তি আনে সকাল, দুপুর, রাত।
যে তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে কোনোদিন,
তবু তুমি সম্পর্ক জুড়ো—হৃদয় করো রঙিন।
অভিমানকে দূরে সরাও, বাড়াও ভালোবাসা,
সম্পর্কের বন্ধন রক্ষা মহৎ জীবনের আশা।
কেউ যদি তোমাকে বঞ্চিত করে, তবু দাও দান,
প্রতিশোধের বদলে দাও উদারতার সম্মান।
সংকীর্ণ হৃদয় ক্ষুদ্র করে, দান করে মন বড়,
অভাবীর মুখে হাসি ফোটাও, কল্যাণের পথে চলো।
যে তোমার প্রতি অবিচার করেছে কোনোদিন,
ক্ষমার আলোয় মুছে দাও হৃদয়ের সব ঋণ।
ক্ষমা মানে দুর্বলতা নয়—এ মহৎ হৃদয়ের জয়,
প্রতিহিংসার আগুন নেভাও, শান্তি যেখানে রয়।
অন্যায় হলে ন্যায়পথে প্রতিকার করো ঠিক,
তবে সীমা ছাড়িয়ে প্রতিহিংসা করো না অধিক।
ক্ষমা, দয়া, ন্যায় ও প্রজ্ঞা—হোক তোমার ঢাল,
এভাবেই সুন্দর হয় মানুষের জীবনকাল।
নীরবতা হোক চিন্তার সাথি, জ্ঞানের হোক দ্বার,
অর্থহীন কথার ভিড়ে নষ্ট কোরো না ভার।
চুপ থাকা শুধু মুখ বন্ধের নাম নয় যে ভাই,
নীরব মনে সত্য খুঁজে জ্ঞানের পথে যাই।
ভাবো—কোথায় ভুল করেছি, কোথায় সঠিক পথ,
কীভাবে আজকের জীবন হবে আরও উন্নত।
চিন্তা থেকে জ্ঞান জাগে, জ্ঞান থেকে কর্ম,
সঠিক চিন্তা গড়ে তোলে সুন্দর জীবনের মর্ম।
কথা বলো যখন, যেন কথায় থাকে আলো,
উপদেশে জাগুক মানুষ, দূর হোক মন্দ-কালো।
মিথ্যা, গীবত, অপবাদে কলুষিত কোরো মুখ,
সত্য-মধুর কথায় দাও মানুষের অন্তরে সুখ।
কথা বলার আগে ভাবো—কথাটি কি সত্য?
কথাটি কি কল্যাণকর, নাকি বাড়াবে দুঃখ?
জবান হলো আমানত—রাখো তাকে সংযত,
সুন্দর কথায় গড়ে ওঠে সম্পর্ক নির্মলতর।
প্রতিটি দৃষ্টি হোক তোমার শিক্ষা গ্রহণের দৃষ্টি,
সৃষ্টিজুড়ে দেখো তুমি জ্ঞানের অমূল্য সৃষ্টি।
আকাশ, বাতাস, নদী, পাহাড়, সূর্য, চাঁদ, তারা,
সবকিছুতেই শিক্ষার আলো—ভাবো বারেবারা।
শুধু দেখা নয়, দেখার মাঝে শিক্ষাটুকু নাও,
সৃষ্টির মাঝে স্রষ্টার নিদর্শন চিনে যাও।
চোখকে রাখো সংযমী, অন্তর রাখো শুদ্ধ,
দৃষ্টির মাঝে জ্ঞানের আলো করুক জীবন সমৃদ্ধ।
ভালো কাজের আদেশ দাও, মন্দ কাজ থেকে ফেরাও,
নিজে আগে সৎ পথে চলো, পরে মানুষকে শেখাও।
নিজের জীবন যদি অন্ধকারে ডুবে থাকে ভাই,
অন্যকে তুমি আলো দেখাবে—সে শক্তি কোথায় পাই?
তাই আগে নিজে ভালো হও, পরে ভালো বলো,
নিজের কাজে সত্যের আলো প্রতিদিনই জ্বালো।
কথার চেয়ে কাজের ভাষা অনেক বেশি শক্ত,
সৎ জীবনের দৃষ্টান্তই সবচেয়ে সুন্দর বক্তৃতা।
সঠিক পথে চলো, হে মানুষ, সঠিক পথে চলো,
মিথ্যার যত আঁধার আছে সত্য দিয়ে তা তলো।
ন্যায়ের পথে দৃঢ় থেকো, সত্যকে ভালোবাসো,
আল্লাহর সন্তুষ্টির তরে জীবনটাকে সাজাও।
নিজের দোষের হিসাব নাও প্রতিদিনের শেষে,
কী করেছ, কী ভুল হলো—ভাবো নীরব বেশে।
আজকের ভুল কালকে যেন পুনরায় না হয়,
আত্মশুদ্ধির পথে চলাই জীবনের বড় জয়।
ধন এলে যেন অহংকার হৃদয় ভরে না,
দুঃখ এলে ঈমান যেন অন্তর ছেড়ে না।
সুখে থেকো কৃতজ্ঞ হয়ে, দুঃখে ধৈর্য ধরো,
প্রতিটি অবস্থায় প্রভুর ওপর ভরসা করো।
কেউ যদি তোমাকে কষ্ট দেয়, তার জন্য দোয়া করো,
ঘৃণার আগুন নিভিয়ে দিয়ে মমতার প্রদীপ ধরো।
দয়া দিয়ে কঠিন হৃদয় নরম করা যায়,
সদাচরণে শত্রুও একদিন বন্ধু হয়ে যায়।
প্রতিশোধের পথ সহজ, ক্ষমার পথ মহৎ,
ক্ষমাশীলের অন্তর থাকে শান্তিতে অবনত।
অন্যায়কে ভালো বলা নয়, অন্যায় থেকে ফেরাও,
ন্যায় ও প্রজ্ঞার সুন্দর পথে নিজেকেও রাখো।
সত্য বলো—সুখের দিনে, সত্য বলো রোষে,
ন্যায়ের পথে অবিচল থেকো দুঃখ কিংবা দোষে।
কথায় সত্য, কাজে সত্য, অন্তরেও সত্য,
সত্যনিষ্ঠ জীবনই তো মুমিনের সম্পদ।
কর্মে রাখো নিষ্ঠা, কাজে রাখো মান,
পরিশ্রমে গড়ে ওঠে মানুষের সম্মান।
জ্ঞান যদি থাকে মনে, কাজে তার প্রমাণ দাও,
সৎ কর্মের মাধ্যমে তুমি জীবনের মান বাড়াও।
নিজের দোষ সংশোধন করে অন্যের কল্যাণ চাও,
যে পথে আলো পেয়েছ তুমি, সেই আলো ছড়িয়ে দাও।
ভালো কাজের আহ্বান হোক প্রতিদিনের ব্রত,
মন্দ কাজ থেকে ফেরানো হোক মহৎ দায়িত্ব যত।
নিজে আলো, অন্যকে আলো—এই হোক জীবনের গান,
নিজে ভালো, পরের ভালো—এই হোক মহৎ প্রাণ।
মানুষের দুঃখে পাশে থেকো, বিপদে বাড়াও হাত,
ভালোবাসার বন্ধনে গড়ো সুন্দর সমাজের ভুবন।
সঠিক পথে চলা মানে সত্য ও ন্যায়ের পথ,
সঠিক পথে চলা মানে পবিত্র জীবনের রথ।
সঠিক পথে চলা মানে প্রভুর সন্তুষ্টি চাওয়া,
সঠিক পথে চলা মানে মানবকল্যাণে নিজেকে বিলানো।
এসো তবে আজকে সবাই নিজেদের করি শুদ্ধ,
অহংকারের কালো মেঘ হোক অন্তর থেকে রুদ্ধ।
অন্যের দোষ প্রচার নয়—নিজের সংশোধন চাই,
নিজের ভুলের আয়না দেখে সত্য পথে পা বাড়াই।
তাকওয়া হোক হৃদয়ের আলো, জ্ঞান হোক পথের সাথি,
কর্ম হোক সৎ ও সুন্দর, জ্বলুক মনের বাতি।
ন্যায় হোক আমাদের ভাষা, দয়া হোক পরিচয়,
ক্ষমা হোক হৃদয়ের শক্তি, সদাচরণ হোক জয়।
হারাম ছেড়ে হালাল বেছে জীবন করো নির্মল,
অন্যায়ের পথ ত্যাগ করে হও সত্যে অবিচল।
দুনিয়ার ক্ষণিক মোহে আখিরাত হারিও না,
প্রভুর দেওয়া সোজা পথ কখনোই ছাড়িও না।
হে আল্লাহ! দাও আমাদের আত্মশুদ্ধির জ্ঞান,
দাও ন্যায়ের পথে থাকার দৃঢ়তা ও সম্মান।
দাও হারাম থেকে বাঁচার শক্তি, হালালের প্রতি টান,
দাও সুন্দর চরিত্র, দাও পবিত্র প্রাণ।
দাও এমন চোখ—যে চোখ শিক্ষা নিতে জানে,
দাও এমন মন—যে মন সত্য চিনতে জানে।
দাও এমন জবান—যে জবান সত্য কথাই কয়,
দাও এমন কর্ম—যার মাঝে মানুষের কল্যাণ রয়।
দাও এমন হৃদয়—যে হৃদয় ক্ষমা করতে জানে,
বঞ্চিত হয়েও দান করে, দুঃখীর পাশে টানে।
সম্পর্ক ছিন্ন হলেও যে সম্পর্ক জুড়ে দেয়,
অন্যায়ের জবাব ক্ষমা দিয়ে মহত্ত্বের পরিচয় দেয়।
নীরবতা হোক চিন্তার, কথায় থাকুক জ্ঞান,
দৃষ্টিতে থাকুক শিক্ষা, কর্মে থাকুক প্রাণ।
ভালো কাজের ডাক উঠুক আমাদের প্রতিদিন,
মন্দ কাজের পথ থেকে ফিরুক মানুষ একদিন।
সঠিক পথে চলো, সবাই সঠিক পথে চলো,
সত্যের দীপ জ্বেলে দিয়ে মিথ্যার আঁধার তলো।
নিজের মাঝে সত্য গড়ে অন্যের মঙ্গল চাও,
আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে জীবনটাকে সাজাও।
সঠিক পথে চলো—এ পথ আলোর পথ,
সঠিক পথে চলো—এ পথ ন্যায়ের রথ।
সঠিক পথে চলো—হৃদয় হোক পবিত্র,
সঠিক পথে চলো—জীবন হোক সুন্দর ও চরিত্রবান।
সঠিক পথে চলো—নিজের দোষ আগে দেখো,
সঠিক পথে চলো—অন্যের দোষ থেকে শেখো।
সঠিক পথে চলো—সত্যকে হৃদয়ে ধরো,
সঠিক পথে চলো—আল্লাহর ওপর ভরসা করো।
সঠিক পথে চলো—হারাম থেকে দূরে থাকো,
সঠিক পথে চলো—হালাল জীবনের স্বাদ রাখো।
সঠিক পথে চলো—ক্ষমা, দয়া, দান করো,
সঠিক পথে চলো—মানুষকে ভালোবাসো।
সঠিক পথে চলো—ন্যায়ের পতাকা তোলো,
সঠিক পথে চলো—অন্যায়ের বিরুদ্ধে বলো।
সঠিক পথে চলো—নিজে আলো হয়ে জ্বলো,
সঠিক পথে চলো—অন্যের পথেও আলো ঢালো।
শেষ প্রহরে যখন আসবে জীবনেরই ক্ষণ,
সঙ্গে যাবে না ধন-দৌলত, থাকবে শুধু কর্ম।
সৎ কর্ম, পবিত্র চরিত্র, ঈমান ও আমল,
এসব নিয়েই গড়ে উঠুক আখিরাতের সম্বল।
তাই আজ থেকেই বদলে যাক আমাদের জীবন,
সত্য, ন্যায়, তাকওয়ায় ভরে উঠুক প্রতিটি মন।
নিজের দোষ সংশোধন করে মানুষ হোক মহান,
আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে হোক জীবনের অবসান।
সঠিক পথে চলো, হে মানুষ, সঠিক পথে চলো,
দুনিয়া জুড়ে শান্তির বীজ ভালোবাসায় ফলাও।
নিজে ভালো, পরের ভালো—হোক জীবনের গান,
সত্য, ন্যায়, তাকওয়া দিয়ে গড়ি সুন্দর প্রাণ।
সঠিক পথে চলো—আলোর পথে চলো,
সত্যের পথে চলো—ন্যায়ের পথে চলো।
প্রভুর সন্তুষ্টির তরে জীবনটাকে গড়ো,
১৩
১৮ মন্তব্য