ইসলামিক ও ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, প্রাচীন মিশরের রাজা বা ফেরাউন মুসা (আ.)-এর যুগে লোহিত সাগরে (বা নীল নদে) ডুবে মারা যায়। মুসা (আ.) বনী ইসরাইলদের নিয়ে সাগর পার হওয়ার সময় ফেরাউন ও তার বিশাল বাহিনী তাদের ধাওয়া করে। মাঝসমুদ্রে পৌঁছালে পানি আবার স্বাভাবিক হয়ে তাদের ঢেকে ফেলে। [
1,
2,
3,
4]
মৃত্যুর ঘটনা ও শেষ মুহূর্ত
সাগরে ডুবে মৃত্যু: মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীরা নিরাপদে পার হলেও ফেরাউন ও তার দলবল পানিতে ডুবে মারা যায়।
শেষ মুহূর্তের অনুশোচনা: পানিতে ডুবে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে ফেরাউন বলে ওঠে যে সে মুসার রবের ওপর ঈমান এনেছে, যা পবিত্র কুরআনে উল্লেখ আছে।
অস্বীকার: আল্লাহ তার এই শেষ মুহূর্তের ঈমান কবুল করেননি এবং তাকে আসমানী আজাবে ভণ্ডুল করে দেন। [
1,
2]
মমি আবিষ্কার: কুরআনের ভবিষ্যৎ বাণী অনুযায়ী আল্লাহ তাআলা ফেরাউনের লাশটি সংরক্ষণ করেন যাতে তা পরবর্তী মানুষের জন্য নিদর্শন হয়ে থাকে।
গবেষক ও ইতিহাসবিদদের মতে, মুসা (আ.)-এর আমলের এই ফেরাউনের মৃতদেহ পরবর্তীতে উদ্ধার করা হয় এবং বর্তমানে তা মিশরের জাদুকরী মমি হিসেবে সংরক্ষিত আছে।
১
১ মন্তব্য