শিখনকালীন মূল্যায়নের মূল প্রয়োজনীয়তা
- ভুলত্রুটি তাৎক্ষণিক সংশোধন: শিক্ষার্থীরা পড়া কতটুকু বুঝতে পারছে তা ক্লাসেই যাচাই করা যায় এবং ভুলগুলো সাথে সাথে শুধরে দেওয়া সম্ভব হয়।
- শিক্ষকের পাঠদান পদ্ধতির উন্নয়ন: কোনো বিষয় শিক্ষার্থীরা না বুঝলে শিক্ষক নিজের পড়ানোর কৌশল পরিবর্তন বা সহজ করতে পারেন।
- শিখনের ঘাটতি দূরীকরণ: পরীক্ষা আসার আগেই শিক্ষার্থীর দুর্বলতা বা ঘাটতি চিহ্নিত করে তা দূর করার বাড়তি সুযোগ পাওয়া যায়।
- ধারাবাহিক অগ্রগতি নিশ্চিতকরণ: এটি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় নিয়মিত রাখে, ফলে সামষ্টিক বা চূড়ান্ত পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি হয় না।
- স্ব-মূল্যায়নের সুযোগ: শিক্ষার্থীরা নিজেরা নিজেদের অগ্রগতি বুঝতে পারে, যা তাদের আত্মবিশ্বাসী ও স্বাধীন শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তোলে।
সহজ কথায়, সামষ্টিক মূল্যায়ন বা চূড়ান্ত পরীক্ষা যেখানে কেবল ফলাফলের ওপর জোর দেয়, সেখানে শিখনকালীন মূল্যায়ন শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের শেখার প্রক্রিয়াকে সহজ ও কার্যকর করে।
১৩
১৮ মন্তব্য