প্রভাষক
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৬:০০ অপরাহ্ণ
অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে উঠবেন যেভাবে
ঠিক সময়মতো ঘুম থেকে জেগে ওঠা অসম্ভব বলে মনে হতে পারে; কিন্তু এটা সম্ভব করে তুলতে যদি অ্যালার্মও সেট করতে না হয়?
ঘুম থেকে ওঠার জন্য অ্যালার্ম সেটা করে রাখা - এটা আমাদের অনেকের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। কিন্তু এটা না করেও কি ঠিক সময়মতো ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করে ফেলা সম্ভব?
একসময় স্কুলজীবনের নিয়মিত রুটিন হয়তো একটি শরীরের ভেতর নির্ভরযোগ্য জৈবঘড়ি তৈরি করেছিল। কিন্তু পরবর্তী জীবনে সময়সূচি আরও বৈচিত্র্যময় হয়ে উঠলে আমরা ঘড়ি বা ফোনের অ্যালার্মের শব্দের ওপর আরও নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারি।
সঠিক সময়ে নিজে থেকেই ঘুম থেকে ওঠার জন্য শরীরকে প্রশিক্ষিত করা সুস্থতার জন্য নানা উপকার বয়ে আনতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে সকালে ঝিমুনি কমানো থেকে শুরু করে মেজাজের উন্নতি।
ঘুমাতে যাওয়ার আগে এমন কিছু সহজ পরিবর্তন করা যায়, যা ঘুম থেকে ওঠাকে অনেক সহজ করে তুলতে পারে।
নিজের ছন্দ খুঁজে পাওয়া
শরীর ও মন ঠিকমতো কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি রাতে সাত থেকে নয় ঘণ্টা ঘুমানোর লক্ষ্য রাখা উচিত (ছয় ঘণ্টার কম ঘুম অকালমৃত্যুর ঝুঁকি ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়)।
তবে সবার জন্য প্রযোজ্য এমন কোনো জাদুকরি সংখ্যা নেই এক্ষেত্রে।
"আট (ঘণ্টা) মাঝামাঝি একটি মান, কিন্তু কেউ সাত ঘণ্টাতেও ভালো থাকে, আবার কারও নয় ঘণ্টা প্রয়োজন হয়," বলেন ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস ডালাসের সেন্টার ফর ব্রেইন হেলথের সহকারী অধ্যাপক এবং স্লিপ ইনোভেশন ল্যাবসের সহযোগী পরিচালক ইটি বেন সাইমন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছুটি বা বিশ্রামের এমন একটি সপ্তাহ, যখন কোনো অ্যালার্ম সেট করতে হয় না, সেই সময়টা ঘুম থেকে ওঠার সময় নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার আদর্শ সুযোগ।
শুধু পর্যাপ্ত ঘুম নয়, নিয়মিত সময়সূচি মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের স্লিপ অ্যান্ড সার্কাডিয়ান রিসার্চ ল্যাবের সহ-পরিচালক হেলেন বার্গেস বলেন, "আপনি যেন মোটামুটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং সেটি এতটাই আগে হয় যে আপনার প্রয়োজনীয় আট ঘণ্টা ঘুম পূরণ করা সম্ভব হয়– সেটা নিশ্চিত করতে হবে।"
"এই নিয়মিত রুটিনের প্রতিক্রিয়া শরীর পায় এবং প্রায়ই আমরা এই রুটিনে অভ্যস্ত হয়ে গেলে শরীর নিজে থেকেই শিথিল হতে শুরু করে," যুক্ত করেন তিনি।
৬
৬ মন্তব্য