ল্যাপটপের বাহ্যিক অংশসমূহ (External Parts)
- ডিসপ্লে বা স্ক্রিন (Display/Screen): এটি ল্যাপটপের মূল আউটপুট ডিভাইস, যা আমাদের ছবি, ভিডিও এবং লেখা প্রদর্শন করে। আধুনিক ল্যাপটপে সাধারণত LCD বা OLED প্যানেল ব্যবহার করা হয়।
- কীবোর্ড (Keyboard): এটি প্রধান ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ল্যাপটপে বিভিন্ন তথ্য বা কমান্ড টাইপ করে প্রবেশ করানো হয়।
- টাচপ্যাড বা ট্র্যাকপ্যাড (Touchpad/Trackpad): এটি ল্যাপটপের বিল্ট-ইন মাউস হিসেবে কাজ করে। আঙুলের স্পর্শে এর মাধ্যমে স্ক্রিনের কার্সার নড়ানো যায়।
- ওয়েবক্যাম ও মাইক্রোফোন (Webcam & Microphone): ডিসপ্লের ওপরের অংশে এগুলো থাকে। ভিডিও কল, অনলাইন মিটিং বা ছবি তোলার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।
- হিং বা কব্জা (Hinges): এটি ল্যাপটপের স্ক্রিনকে নিচের বডির সাথে আটকে রাখে এবং ল্যাপটপটি সহজে খোলা ও বন্ধ করতে সাহায্য করে।
- বিভিন্ন পোর্টস (Ports): ল্যাপটপের পাশে বিভিন্ন এক্সটার্নাল ডিভাইস যুক্ত করার জন্য USB পোর্ট, চার্জিং পোর্ট, HDMI পোর্ট এবং অডিও জ্যাক থাকে।
ল্যাপটপের অভ্যন্তরীণ অংশসমূহ (Internal Parts)
- মাদারবোর্ড (Motherboard): এটি ল্যাপটপের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যাকে ল্যাপটপের ভিত্তি বা মেরুদণ্ড বলা যায়। ল্যাপটপের বাকি সব যন্ত্রাংশ সরাসরি এর সাথেই যুক্ত থাকে।
- প্রসেসর বা সিপিইউ (CPU): একে ল্যাপটপের 'মস্তিষ্ক' বলা হয়। এর কাজ হলো ল্যাপটপের সমস্ত হিসাব-নিকাশ এবং কমান্ড প্রসেস বা পরিচালনা করা।
- র্যাম (RAM): এটি ল্যাপটপের সাময়িক মেমোরি。 ল্যাপটপ চালু থাকা অবস্থায় আপনি যে কাজগুলো করছেন, তা দ্রুত সম্পন্ন করতে এই মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- স্টোরেজ ড্রাইভ (SSD/HDD): এখানে ল্যাপটপের সমস্ত ডাটা, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার, ছবি ও ভিডিও স্থায়ীভাবে জমা থাকে। বর্তমানে দ্রুতগতির জন্য HDD-এর বদলে SSD বেশি ব্যবহৃত হয়।
- গ্রাফিক্স কার্ড বা জিপিউ (GPU): স্ক্রিনে ভিডিও, গেম, এডিটিং বা যেকোনো ধরনের ভিজ্যুয়াল নিখুঁতভাবে দেখানোর কাজ করে এই গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট।
- কুলিং ফ্যান ও হিট সিঙ্ক (Cooling System): প্রসেসর এবং ভেতরের অন্যান্য পার্টস কাজ করার সময় যে তাপ উৎপন্ন হয়, তা বাইরে বের করে ল্যাপটপকে ঠান্ডা রাখাই এর কাজ।
- ব্যাটারি (Battery): ল্যাপটপের অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো এর বহনযোগ্যতা, আর এই শক্তি যোগায় এর রিচার্জেবল ব্যাটারি। এটি চার্জ ধরে রেখে বিদ্যুৎ ছাড়াও ল্যাপটপ সচল রাখে।
১
২ মন্তব্য