সহকারী শিক্ষক
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:০৩ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ভালো-মন্দ যেকোনো খাবার খাওয়ার পর ঠান্ডা এক গ্লাস কোকা-কোলা যেন তৃপ্তি এনে দেয়। এই কোকা কোলায় আছে কি?
৩৫০ মিলি এক ক্যান কোকা-কোলায় আছে প্রায় ৩৮ গ্রাম বা ১০ চামচ চিনি। তাছাড়া কোকা কোলার অন্যান্য উপাদান হচ্ছে কার্বোনেটেড ওয়াটার, এসিডিটি রেগুলেটর ফসফরিক এসিড, প্রাকৃতিক ফ্লেভার। রঙের জন্য ব্যবহৃত হয় ক্যারামেল, ক্যাফেইন ও অনুমোদিত রঞ্জক।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংখ্যা মতে, নারীদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ছয় চামচ ও পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রতিদিন সর্বোচ্চ নয় চামচ চিনি খাওয়া যাবে। যেখানে এক ক্যান কোকা-কোলা পান করা প্রায় ১০ চামচ চিনি খাওয়ার মতো।
কোকা-কোলায় সুক্রোজ বা হাই ফ্রুক্টোজ কর্ণ সিরাপ হিসেবে থাকে চিনি। পানীয়ে ব্যবহৃত অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি স্বাদের জন্য যেকোনো মানুষের খাওয়ার সাথে সাথে বমি হওয়ার কথা। কিন্তু কোকা কোলায় উপস্থিত ফসফরিক এসিড অত্যাধিক মিষ্টি স্বাদ প্রশমিত করে রাখে।
কোলা কোলা পানের ২০ মিনিটের মাঝে ব্লাড সুগার বেড়ে যায়, লিভার উচ্চ মাত্রার চিনিকে ফ্যাটে পরিণত করে। ৪০ মিনিটের মাথায় পানীয়তে থাকা ক্যাফেইন শরীর শোষণ করে নেয়। এই ক্যাফেইন এর প্রভাবে রক্তচাপ বেড়ে যায়। এই পয়েন্টে কোকা-কোলা মস্তিষ্কের অ্যাডিনোসিন রিসেপ্টরগুলোকে ব্লক করে দেয়।
১৭
২৮ মন্তব্য