Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ

আস্থার বন্ধনে গড়ি শান্তির সংসার - মোঃ মুজিবুর রহমান

আস্থার বন্ধনে গড়ি শান্তির সংসার

মোঃ মুজিবুর রহমান

সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

যাঁর কৃপায় প্রাণে জাগে আশার নবোদয়,
যাঁর দানে জীবন ভরে শান্তি ও নির্ভয়।

যাঁর রহমতে হৃদয়জুড়ে ফুটে প্রেমের ফুল,

যাঁর হেদায়াতে জীবন পায় সত্যেরই মূল।

স্বামী-স্ত্রী দুটি প্রাণ, একই জীবনের সাথি,
ভালোবাসার বন্ধনে গড়ে সুখের দিন-রাতি।
সংসার শুধু ঘর নয়, হৃদয়ের এক নীড়,
মায়া-মমতা ছড়িয়ে দেয় প্রশান্তিরই ভিড়।

আস্থা যদি থাকে মনে, বিশ্বাস থাকে প্রাণে,
ভালোবাসা ফুল হয়ে ফোটে দুজনেরই টানে।
শ্রদ্ধা যদি পাশে থাকে, কোমল যদি বাণী,
ছোট্ট ঘরও হয়ে ওঠে শান্তির রাজধাণী।

কিন্তু যখন সন্দেহ এসে হৃদয়টাকে ঘিরে,
অবিশ্বাসের কালো ছায়া নামে ধীরে ধীরে,
কথার মাঝে কাঁটা ফোটে, বাড়ে মনের দূর,
হাসির ঘরেও তখন বাজে অশান্তির সুর।

একটি কথা ভুল বুঝিলে জন্ম নেয় অভিমান,
অভিমানে জমে থাকে অশ্রুভেজা প্রাণ।
আজকের ক্ষুদ্র ভুল যদি কালকে হয় পাহাড়,
ভালোবাসার সেতু ভেঙে বাড়ে মনের ভার।

তাই তো বলি, থামো একটু, বসো মুখোমুখি,
রাগের আগুন নিভিয়ে দাও, মুছে দাও সব দুঃখই।
কথা বলো শান্ত স্বরে, খুলে দাও মনদ্বার,
সত্য কথায় ফিরে আসুক হারানো সেই ভারসাম্য আবার।

“তুমি কেন?” “তুমি এমন!”—দোষারোপের ভাষা
বাড়িয়ে দেয় দূরত্ব শুধু, নিভিয়ে দেয় আশা।
তার বদলে বলো মৃদু, “কষ্ট পেয়েছি আজ,
চলো দুজন মিলে করি ভুলেরই প্রতিকার।”

ভুল তো মানুষ করবেই, মানুষ তো নয় ফেরেশতা,
ভুলের পরে ফিরে আসাই জীবনের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা।
ক্ষমা যদি আসে হৃদয়ে, মুছে অনেক ক্ষত,
তবু অন্যায় চলতে দেওয়া ক্ষমা নয় কোনো মত।

সত্য যদি হয় সম্পর্কের দৃঢ় ভিতের পাথর,
মিথ্যা এসে ভেঙে দেয় সেই বিশ্বাসের ঘর।
তাই লুকোচুরি নয়, চাই স্বচ্ছতার আলো,
বিশ্বাস রক্ষার দায়িত্ব দুজনেরই ভালো।

জীবনসঙ্গীর দুর্বলতা রেখো নিজের কাছে,
তার সম্মান রক্ষা করো সুখে কিংবা লাজে।
ঘরের কথা বাজারে তুলে করো না প্রচার,
গোপনীয়তা রক্ষা করাই ভালোবাসার ভার।

যে মানুষটি পাশে থাকে দুঃখ-সুখের ক্ষণে,
তার হৃদয়কে আঘাত দিও না কটু কথার বাণে।
একটি মিষ্টি কথা কখনো প্রাণে আনে হাসি,
একটি কোমল বাক্য মুছে দেয় শত হতাশা-বাসি।

রাগ যখন চোখে ওঠে, থেমে যেও ভাই,
রাগের বশে বলা কথা ফেরত পাওয়া যায়?
ক্ষণিক রাগে বছরের সুখ করো না বিসর্জন,
সংযমী যে, সত্যিকার সে-ই শক্তিমান।

কঠিন কথা মুখে এলে নীরব হও ক্ষণ,
ওজু করে শান্ত হও, স্মরণ করো আপন রবের নাম।
আল্লাহর ভয় হৃদয় ভরে, কোমল করো প্রাণ,
শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচুক দুই প্রাণ।

স্বামী হবে দায়িত্ববান, স্নেহভরা মন,
স্ত্রীর প্রতি রাখবে সদা সম্মান ও যত্ন।
স্ত্রীও হবে সহমর্মী, বিশ্বস্ত ও দয়াময়,
দুজন মিলে গড়বে ঘর, যেখানে শান্তি রয়।

কর্তৃত্বের অহংকারে ভালোবাসা মরে,
অবহেলার কাঁটা ফুটে হৃদয়েরই ঘরে।
সংসার কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয়, নয় বিজয়-পরাজয়,
দুজন মিলে চলার নাম দাম্পত্যেরই জয়।

আল্লাহ বলেছেন—জীবনসঙ্গী দিয়েছেন প্রশান্তির তরে,
ভালোবাসা, দয়া রেখেছেন দুজনেরই অন্তরে।
তাই দাম্পত্য শুধু নয় অধিকার চাওয়ার নাম,
এটি দায়িত্ব, মায়া, দয়া, ভালোবাসার ধাম।

“তারা তোমাদের পোশাক”—কুরআনের সেই বাণী,
রক্ষা করবে পরস্পরকে—এই হোক জীবনের মানি।
যেমন পোশাক ঢাকে দেহ, রাখে মর্যাদা অটুট,
তেমনি সঙ্গী আড়াল করুক দুর্বলতার সব ক্ষত।

সংসারে যখন অভাব আসে, কমে যায় আয়,
তখন যেন অর্থকষ্টে ভালোবাসা না হারায়।
চাহিদা যদি বেড়েই চলে, সামর্থ্য যদি কম,
পরস্পরকে দোষ না দিয়ে খুঁজে নাও সমাধান।

অপচয়ের চাকচিক্যে শান্তি কখনো রয় না,
অতিরিক্ত চাহিদাতে সুখের আলো সয় না।
সংযমী যে পরিবার, সে পরিবার ধনী,
অল্পতেই তৃপ্ত থাকলে হৃদয় থাকে ঋণী নয়—শান্তিময়ী।

তুলনা করে অন্য ঘরের সুখকে মাপবে না,
লোকদেখানো জীবনের পেছনে ছুটবে না।
নিজের ঘরের সামান্য সুখ মূল্য দিয়ে রাখো,
হালাল রিজিক, অল্প সুখে আল্লাহকে ডাকো।

সন্তান যখন দেখে ঘরে বাবা-মায়ের হাসি,
তার হৃদয়ে জন্ম নেয় নিরাপত্তার আশ্বাসই।
বাবা যদি মাকে সম্মান করে, মা যদি বাবাকে,
সন্তান তখন শিখবে সম্মান দিতে সবাইকে।

আর যদি ঘরে প্রতিদিনই ঝগড়ার ধ্বনি বাজে,
শিশুর কোমল হৃদয় তখন ভয়ের মাঝে সাজে।
কারও প্রতি পক্ষ না নিয়ে তাকায় নীরব চোখে,
অশান্তির সেই স্মৃতি থাকে তারই বুকে।

সন্তানকে কখনো কোরো না দাম্পত্যের বিচারক,
বাবার বিরুদ্ধে সন্তান নয়, মায়ের বিরুদ্ধেও নয় লোক।
তাদের সামনে একে অন্যের সম্মান রেখো অটুট,
তবেই তাদের ভবিষ্যৎ হবে সুন্দর ও সুগঠিত।

আজকের ঘরের আচরণ আগামী দিনের বীজ,
সন্তানের চরিত্রে তারই দেখা যায় রূপ-রীত।
তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার পবিত্র দায়,
স্বামী-স্ত্রীর সুন্দর আচরণে তার শুরু হয় ভাই।

মত যদি না মেলে তোমার, মত তো আলাদা হতে পারে,
তাই বলে কি ভালোবাসা হারিয়ে যাবে ঝড়ে?
দুজন মানুষের চিন্তা কেন এক হবে সবসময়?
মতভেদ থাকলেও সম্মান রাখাই দাম্পত্যের জয়।

পরামর্শে নাও সিদ্ধান্ত, একা নয় সব কাজ,
“
আমার কথাই শেষ কথা”—এ অহংকারের সাজ।
“
আমরা কীভাবে ভালো থাকি”—হোক দুজনের ভাবনা,
এই ভাবনাতেই গড়ে উঠুক সংসারেরই প্রার্থনা।

প্রতিদিন কিছু সময় রাখো একে অপরের তরে,
মন খুলে কথা বলো আপন ঘরের ঘরে।
মোবাইল, ব্যস্ততা সরিয়ে শোনো মনের কথা,
মন বুঝে নেওয়ার মাঝেই কমে যায় সব ব্যথা।

প্রশংসা করো ছোট কাজে, কৃতজ্ঞ হও মনে,
ভালোবাসা প্রকাশ করো সুন্দর কথার বনে।
উপহার বড় না হলেও হৃদয় যদি থাকে,
ছোট্ট ফুলও ভালোবাসার স্মৃতি হয়ে থাকে।

স্বামী যখন ক্লান্ত হয়ে ফেরে দিনের শেষে,
স্ত্রীর মধুর কথায় শান্তি নামুক হেসে।
স্ত্রী যখন ক্লান্ত থাকে সংসারেরই ভারে,
স্বামীর স্নেহ-সহযোগিতা প্রশান্তি দিক তারে।

কাজকে শুধু দায়িত্ব ভেবে দূরে থেকো না,
ভালোবাসা ছাড়া সংসারের পূর্ণতা হয় না।
একজনের কষ্ট অন্যজন যদি বুঝে নেয়,
অর্ধেক বোঝা তখন আপনিই হালকা হয়ে যায়।

কুরআন বলে—সন্দেহের পথে অযথা হেঁটো না,
অমূলক ধারণা দিয়ে সম্পর্ক ভেঙো না।
প্রমাণ ছাড়া দোষারোপে বাড়ে শুধু ক্ষত,
সত্য যাচাই, ন্যায়বোধ—এ পথ হোক পবিত্র।

তবে যদি কোনো গুরুতর ভুল সামনে আসে একদিন,
ন্যায় ও প্রজ্ঞার সঙ্গে করো তার সমাধান সঙ্গীন।
সত্য গোপন করে নয়, সত্যকে সামনে এনে,
সংশোধনের পথ খুঁজো আল্লাহর নামটি স্মরণে।

নিজের ভুলও দেখো আগে, শুধু সঙ্গীর নয়,
নিজেকে সংশোধন করলে সম্পর্ক সুন্দর হয়।
“
আমিই ঠিক”—এই অহংকার দূরে রাখো প্রাণে,
ভালোবাসা ফিরে আসে বিনয়েরই টানে।

কেউ যদি বলে, “তোমার জন্য সব শেষ আজ,”
তবু শান্ত কণ্ঠে বলো, “চলো করি নতুন সাজ।
যেখানে ভুল হয়েছে, সেখানেই করি সংশোধন,
আমাদের ঘর বাঁচুক—এ হোক দুজনের পণ।”

বিরোধ যদি গভীর হয়, মুরব্বির দ্বার খোলো,
ন্যায়বান ও বিশ্বস্ত মানুষ পাশে নাও ভালো।
যে মীমাংসা চায়, সে-ই হোক মধ্যস্থতার সাথি,
আগুন বাড়ায় এমন লোক নয়, চাই শান্তির বাতি।

কুরআনের নির্দেশ আছে মীমাংসারই পথ,
দুই পরিবারের বিচক্ষণ মানুষ করুক সমাধান যথাযথ।
উভয়ের কল্যাণ যদি থাকে অন্তরেরই কামনা,
আল্লাহর রহমতে খুলে যেতে পারে বন্ধ দরজা।

দাম্পত্যে শুধু অধিকার চাইলেই হবে না,
নিজের দায়িত্ব ভুলে গেলে শান্তি পাওয়া যাবে না।
যে যতটুকু দায়িত্ব নেয়, ততটুকু বাড়ে মান,
পারস্পরিক কর্তব্যেই রক্ষা পায় সংসার-সম্মান।

স্ত্রীর অধিকার মানো, স্বামীকেও দাও সম্মান,
দুজনেই আল্লাহর বান্দা—এই হোক হৃদয়জ্ঞান।
জুলুম যেন না হয় কারও, অধিকার যেন না হারায়,
ন্যায় ও দয়ার আলোয় সংসার সুন্দর হয়ে যায়।

দাম্পত্যের গোপন কথা করো না প্রকাশ,
অকারণে মানুষের কাছে কোরো না হতাশ।
প্রয়োজনে জ্ঞানীজনের কাছে পরামর্শ নিতে পারো,
কিন্তু গোপনীয়তার মর্যাদা হৃদয়ে ধরে রাখো।

ভালোবাসা মানে নয় সব ভুলে চোখ বুজে থাকা,
ভালোবাসা মানে সত্যের পথে পাশাপাশি থাকা।
অন্যায় হলে সংশোধন, ভুল হলে ক্ষমা,
সত্য ও ন্যায়ের পথে চলাই ভালোবাসার মহিমা।

যে ঘরে সালাতের ধ্বনি, কুরআনেরই আলো,
সে ঘরে নেমে আসুক রহমতেরই ভালো।
আল্লাহর স্মরণে হৃদয় নরম হয়ে যায়,
রহমতভরা সেই সংসারে শান্তির ফুল ফোটে হায়।

সন্তানের হাতে শুধু সম্পদ তুলে দিও না,
সততা আর তাকওয়ার শিক্ষা দিতে ভুলো না।
ভালোবাসা, শিষ্টাচার, সত্য, ধৈর্য, মান,
এসবই হোক তাদের জীবনের পাথেয় মহান।

একদিন এই শিশুরাই হবে আগামী দিনের মানুষ,
আজকের শিক্ষা নিয়েই গড়বে ভবিষ্যৎ নতুন।
তাদের চোখে যেন না থাকে ঘৃণার কোনো ছায়া,
তাদের হৃদয়ে ফুটুক মমতা, সত্য, দয়া।

বাবা-মায়ের ভালোবাসা দেখুক তারা ঘরে,
পরস্পরের সম্মান শিখুক আচরণের তরে।
তাহলেই এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্ম যায়,
শান্তির বীজ ভালোবাসার বৃক্ষ হয়ে দাঁড়ায়।

তাই এসো, আজই করি হৃদয়ে নতুন শপথ—
বিরোধ নয়, ভালোবাসা; সন্দেহ নয়, বিশ্বাসের পথ।
অভিমান থাকুক ক্ষণিক, মুছে যাক সব মান,
আস্থার বন্ধনে বাঁধা থাকুক দুটি প্রাণ।

কথায় হবে কোমলতা, কাজে হবে প্রমাণ,
বিশ্বাস শুধু মুখের কথা নয়—আচরণে তার মান।
আজ যে কথা দেবে তুমি, কালও রেখো তাই,
বিশ্বাস গড়ে ছোট কাজে—বড় কথাতে নয় ভাই।

সংসারের সুখ চাইলে সুখ দাও আগে,
ভালোবাসা চাইলে ভালোবাসা দাও অনুরাগে।
সম্মান পেতে হলে সম্মান দাও প্রাণে,
শান্তি চাইলে শান্তির বীজ বুনে দাও ঘরে।

দুজন যদি পাশাপাশি আল্লাহকে ভয় করো,
ভুলের পথে গেলে একজন অন্যজনকে ধরো।
দুনিয়ার পথ ক্ষণিক, আখিরাত চিরস্থায়ী,
তাই সংসার হোক তাকওয়ার আলোয় আলোকময়ী।

রাগের বদলে ধৈর্য হোক,
ঘৃণার বদলে মায়া,
অবহেলার বদলে যত্ন,
দুঃখের মাঝে ছায়া।

সন্দেহের বদলে আস্থা,
অনাস্থার বদলে বিশ্বাস,
দূরত্বের বদলে সান্নিধ্য,
অভিমানে ভালোবাসার সুবাস।

ভাঙনের বদলে গড়ার গান,
বিরোধের বদলে মিলন,
স্বার্থের বদলে দায়িত্ব,
অহংকারের বদলে বিনয়—
এই হোক দাম্পত্য জীবনের পবিত্র অঙ্গীকার।

একটি ঘর তখনই ঘর, যখন হৃদয় থাকে কাছে,
একটি সংসার তখনই সুখী, যখন মায়া তার মাঝে।
একটি পরিবার তখনই সুন্দর, যখন শ্রদ্ধা থাকে প্রাণে,
আর আল্লাহর ভয় জাগে যখন স্বামী-স্ত্রীর মনে।

এসো তবে হাত বাড়াই, মুছে ফেলি ক্ষত,
অতীতের অশ্রু পেরিয়ে গড়ি ভবিষ্যৎ।
যে কথা হৃদয় ভাঙে, সে কথা আর নয়,
যে কথা হৃদয় জোড়ে, সে কথাই হোক জয়।

সন্তানের মুখের হাসি হোক আমাদের অঙ্গীকার,
শান্তির ঘর গড়ার পথে থাকুক দুজনের ভার।
ভালোবাসা, আস্থা, দয়া হোক ঘরের অলংকার,
সত্য, তাকওয়া, আমানতদারি হোক জীবনের ভিত্তিপ্রস্তর।

হে আল্লাহ, আমাদের ঘরে রহমতের আলো দাও,
অভিমানী হৃদয়গুলোয় ভালোবাসা ফিরিয়ে দাও।
ভুলের জন্য তাওবার পথ, ক্ষমার শক্তি দাও,
পরস্পরের হক আদায়ের সুমতি দাও।

হে রব, সন্তানদের দাও নেক চরিত্রের আলো,
তাদের ভবিষ্যৎ করো সত্য, সুন্দর, নির্মল ও ভালো।
আমাদের পরিবারগুলো হোক শান্তিরই নীড়,
ঈমান, তাকওয়া, ভালোবাসায় হোক জীবন সমৃদ্ধ-গভীর।

স্বামী-স্ত্রীর দুটি হৃদয় এক সুরে থাকুক বাঁধা,
ভালোবাসার ছায়াতলে মুছে যাক সব বাধা।
দুনিয়ার এই ক্ষণিক জীবন কাটুক ন্যায়ের পথ ধরে,
আখিরাতের সফলতা মিলুক রবের রহমত ভরে।

আস্থা থাকুক হৃদয়ে, বিশ্বাস থাকুক প্রাণে,
ভালোবাসা ফুটুক সদা স্বামী-স্ত্রীর টানে।
শান্ত পরিবার গড়ে উঠুক নৈতিকতার আলোয়,
সুন্দর প্রজন্ম বেড়ে উঠুক ঈমানেরই ছায়ায়।

হে আল্লাহ, দাম্পত্যে দাও ভালোবাসা ও প্রশান্তি,
দাও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বস্ততা ও শান্তি।
বিরোধ মুছে হৃদয়ে দাও সত্যেরই পরিচয়—
তোমার সন্তুষ্টির পথে চলাই হোক জীবনের জয়।

আমিন।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ