Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ

বিশ্ব শিক্ষক দিবস এবং আমাদের ভাবনা


আমাদের দেশের শিক্ষকদের সমস্যা এক রকম, আফ্রিকার শিক্ষকদের সমস্যা অন্যরকম, আবার উন্নত কোনো দেশে শিক্ষকদের সমস্যা ভিন্ন ধরনের। সমস্যার প্রকৃতিও এক নয়। কাজেই আন্তর্জাতিকতার ছাতার নিচে নিজেদের সমস্যা নিজেদের মতো করে আলোচনা করতে হবে, সমাধান বের করতে হবে।

#বিশ্ব শিক্ষক দিবস #শিক্ষক #দৈনিকশিক্ষা #দৈনিক শিক্ষার আলো #দৈনিক শিক্ষা সংবাদ

আইএলও ও ইউনেসকো ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধির যে সুপারিশ করেছিল সেই থেকে এ বছর অর্থাৎ ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে আমরা ৬০ বছরে পদার্পণ করেছি। যদিও বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা শুরু হয়েছে ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে আর আমাদের দেশে আমরা ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে পালন করে আসছি। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হচ্ছে— শিক্ষকদের সঙ্গে থাকা, এই পেশার সুরক্ষা, সম্মান এগিয়ে নেওয়া এবং আমাদের ভবিষ্যৎ গঠনের ৬০তম বছর।’ প্রতিপাদ্যটি আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে বিশ্বজুড়ে উপযুক্ত শিক্ষকের প্রচণ্ড অভাবের বিষয়টি ফোকাস করছে।

বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। তবে একেক দেশে ও সমাজে শিক্ষকতার অবস্থা ও সমস্যা একেক রকম। নিজ নিজ দেশের অবস্থা ও সমস্যা হাইলাইট করে দিবসটি পালিত হয়। আমাদের দেশে অনেক শিক্ষক মনে করেন, দিনটি তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দিন, সুযোগ-সুবিধাবঞ্চিত হলে সেগুলো আদায় করার দিন। আবার অনেক শিক্ষক মনে করেন, রাষ্ট্র আজকে ঘোষণা করবে কোন ধরনের শিক্ষকদের সম্মান ও স্ট্যাটাস কতটা বৃদ্ধি করা হবে। তাই কিছু শিক্ষক ফেসবুকে লেখেন, অমুক অমুক রাষ্ট্রে কোর্টে শিক্ষকদের বসতে চেয়ার দেওয়া হয়, আমাদের দেশে শিক্ষকদের গায়ে হাত তোলা হয়, মব করে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়। শিক্ষকতার বাইরে আবার আরেক দল মনে করে আজকের শিক্ষকদের ভুল ধরা আর সাজেশন দেওয়ার দিন। ইদানীং অনেক প্রফেশনের লোকজন ঢালাওভাবে শিক্ষকদের সারমন দিয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকদের এই হতে হবে, সেই হতে হবে, শিক্ষকদের ফেরেশতার মাতো হতে হবে, সমাজের কোনো কিছুই তাদের টাচ করতে পারবে না ইত্যাদি।

ideal College
যেন তারা অন্য কোনো গ্রহের অধিবাসী। এখানকার কোনো কিছুতেই তাদের কিছু যায় আসে না, তাদের কোনো চাহিদা থাকাই যেন অপরাধ! কোন এক শিক্ষা দিবসে এক শিক্ষা সচিব বলেছিলেন, শিক্ষকরা কেন অধ্যক্ষ হবেন, শিক্ষকরা কেন মাউশি অধিদপ্তরের ডিজি হবেন, তারা কেন বোর্ডের চেয়ারম্যান হবেন—তারা শিক্ষক, তারা শুধু পড়াবেন, সারাজীবনই পড়াবেন, শিক্ষার্থীদের তৈরি করবেন। শিক্ষা প্রশাসনের কাজগুলো প্রশাসনের লোকজন করবেন। রাষ্ট্রের এ ধরনের মানোভাব ও তাচ্ছিল্য কিংবা সুকৌশলে শিক্ষকদের ক্ষমতাহীন করে রাখার প্রচেষ্টা একটি মহল সব সময়ই চালিয়ে আসছে! আমি তখন ঢাকায় রাজউক কলেজে চাকরি করি। পদাধিকারবলে উক্ত শিক্ষা সচিব কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান। তিনি বিষয়টিকে এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিলেন যে, শিক্ষা প্রশাসনের পদগুলো সব প্রশাসন ক্যাডারের দখলে চলে যাবার উপক্রম। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকেও প্রায় বুঝিয়ে ফেলেছিলেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা তো সব সময়ই যে দিকে তাদের সুবিধা, সেদিকেই তারা সায় দেন, রায় দেন। আমিসহ কিছু শিক্ষক কড়া ভাষায় বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকায় লিখেছিলাম ও যুক্তি প্রদর্শন করেছিলাম, শিক্ষা প্রশাসনের পদগুলো শিক্ষকদের দ্বারাই পূরণ করতে হবে, প্রশাসনের লোক দিয়ে নয়। তবে, শিক্ষক নেতৃবৃন্দের এ বিষয়ে তেমন জোড়ালো কোনো কর্মসূচি কিংবা পদক্ষেপ আমরা দেখিনি।

শিক্ষক-দিবস.pdf - ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের দেশের শিক্ষকদের সমস্যা এক রকম, আফ্রিকার শিক্ষকদের সমস্যা অন্যরকম, আবার উন্নত কোনো দেশে শিক্ষকদের সমস্যা ভিন্ন ধরনের। সমস্যার প্রকৃতিও এক নয়। কাজেই আন্তর্জাতিকতার ছাতার নিচে নিজেদের সমস্যা নিজেদের মতো করে আলোচনা করতে হবে, সমাধান বের করতে হবে। আমাদের দেশে অগণিত সমস্যার মধ্যে বর্তমানে বিশেষ করে জুলাই আপরাইজিংয়ের পরে অনেক শিক্ষক নিজেদের চেয়ারে বসতে পারছেন না, প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছেন না। একজন শিক্ষকের মতাদর্শের কারণেই যদি এটি হয়, তাহলে সেটি কাম্য নয়; কিন্তু একজন শিক্ষকের ক্ষেত্রে গুরুতর দুর্নীতি বা অপরাধ হয়েছে, সেক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিচার হবে কিন্তু উচ্ছৃঙ্খল তরুণ, এখন বর্তমান রাজনীতির কাছের লোক বলে শিক্ষকদের হেনস্তা করা গোটা শিক্ষকসমাজের ওপর অপরাধ করা, গোটা শিক্ষকসমাজকে হেয় করার অধিকার কারুর নেই। এটি বন্ধ করা সমাজ তথা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সমাজে ভয়াবহ আকারে কিশোর গ্যাং ও তাদের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ছড়িয়ে পড়ছে। এরা কারা? শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অমনোযোগী ও বাবা-মায়ের আশকারা পাওয়া কিংবা নিয়ন্ত্রণহীন কিশোর। এদের নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা শিক্ষক, অভিভাবক, সমাজ তথা রাষ্ট্রের যৌথ দায়িত্ব। এসব কিশোর প্রথম পারিবারিক উদাসীনতা ও আশকারায় বেড়ে ওঠে। বাবা-মা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে বিদ্যালয় কিংবা কলেজে থাকার ক্ষেত্রে অমনোযোগী ও উন্নাসিক মনোভাব পোষণ করেন। তার সঙ্গে যুক্ত হয় রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা কারণ এসব উচ্ছৃঙ্খল তরুণদের দ্বারা তাদের অবৈধ ইচ্ছা পূরণ করা হয়। গোটা সমাজকে কলুষিত করার এটি হীন প্রচেষ্টা! বিদ্যালয় থেকেই এর চিকিৎসা করা যেত, যা অভিভাবক ও সমাজ গুরুত্ব দেয়নি। বিদ্যালয় যখন এদের নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্য নিয়ে আসতে চায়, তখন অভিভাবক, সমাজের নেতৃস্থানীয়রা শিক্ষকদের ওপর দোষ চাপান, তাদের ওপর চড়াও হন। এখন তারা পথ হারিয়ে গোটা সমাজের জন্য অশান্তি তথা বিষফোঁড়ার মতো কাজ করছে। এখন তাদের নিয়ন্ত্রণ পুলিশি ব্যবস্থায় চলে গেছে, যার দ্বারা এর মূলোৎপাটন সম্ভব নয়। সেই চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল বিদ্যালয়ে, তখন কেউ এগিয়ে আসেনি। এ কথাটিও আজকে আলোচনার দিন। কারণ শিক্ষকরা হচ্ছেন সমাজের অভিভাবক, তাদের দায়িত্ব যদি সেভাবে পালন করতে না দেওয়া হয়, তাহলে সমাজ যে কত কলুষিত হতে পারে, তার প্রমাণ এ তথাকথিত কিশোর গ্যাং।

Presidency University admission (300x250) 20-08-26

যিনি যে পেশায়ই থাকুন না কেন, সবাইকে কমবেশি শ্রেণিকক্ষের, প্রাতিষ্ঠানিক এবং প্রতিষ্ঠানের বাইরেও শিক্ষকদের গাইডেন্স ও সহায়তা নিতে হয়েছে। তাই বলা হয় শিক্ষকরা সমাজের অভিভাবক। শিক্ষকরা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত করেন। পেশাগত স্বাধীনতা, অধিকার ও উন্নত বেতন-কাঠামো নিশ্চিত করার মাধ্যমে তরুণদের আকর্ষণ বৃদ্ধি করা এ দিবসের অন্যতম তাৎপর্য। একজন মেধাবী তরুণ যদি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিংবা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেন, তিনি যাতে পরিচালক, মহাপরিচালক এমনকি সচিব হতে পারেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারেন, যদি তার সে ধরনের মেধা, যোগ্যতা ও স্কিলস থাকে, তাহলে তাকে এ পেশায় ধরে রাখতে হবে এসব বাধা পেরিয়ে। এটি করা গেলে তিনি কখনো চাকরি ছাড়ার চিন্তা করবেন না। তার মধ্যে না পাওয়ার বেদনা কাজ করবে না। সবচেয়ে বড় পাওনা হবে শিক্ষার্থীদের, তার সান্নিধ্যে এসে শিক্ষার্থী অনেক কিছু শিখতে পারবে। আমাদের এই বিষয়টি বাস্তবায়ন করতে হলে কি করতে হবে, সেটি নিয়ে ভাবতে হবে। শুধু বক্তব্য দিয়ে আর এই বলে যে, শিক্ষকতা পেশা আকর্ষণীয় করতে হবে, কে করবে, কীভাবে তা করা হবে? সেটি হবে আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবসের আলোচনা।

এ বছর প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও বিভিন্ন বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দিবসটি পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা পর্যায় থেকে মোট ১০০ শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে গুণী শিক্ষক সম্মাননা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে তাদের বাছাই করা হবে। নির্বাচিত প্রত্যেক শিক্ষক পাবেন ১ লাখ টাকা, একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ। এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। তবে, এই ব্যবস্থা প্রকৃত অর্থে প্রকৃত শিক্ষকদের সম্মানিত করা কতটা হবে সেটি প্রশ্নসাপেক্ষ। নির্ধারিত তথ্য ফর্মে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে যাচাই-বাছাই করা হবে।বাছাইয়ের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নৈতিকতা, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের মান, সময় ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীর কাছে গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনা করা হবে। তবে, এটি ফর্ম ফিলাপের বিষয় নয়।একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে কি পড়াচ্ছেন, কীভাবে পড়াচ্ছেন, শিক্ষার্থীরা কতটা সন্তষ্ট হচ্ছে, কতটা নতুনত্ব নিয়ে আসছেন এই বিষয়গুলো দেখার কেউ নেই। প্রতিষ্ঠান প্রধান কিংবা কমিটির কোন সদস্যের কোন শিক্ষককে অপছন্দ হলে তাকে ডেকে নিয়ে অপমান করার কালচার রয়েছে কিন্তু একজন শিক্ষক কোনো কিছু পড়াতে গিয়ে যে নতুনত্ব নিয়ে আসছেন তার কোন এনকারেজিং ফিডব্যাক নেই। একজন নতুন কিংবা অনভিজ্ঞ শিক্ষককে কারেক্টিভ ফিডব্যাক দেওয়ার রীতি নেই এমনকি অনেক প্রতিষ্ঠান প্রধানের ফিডব্যাক দেওয়ার গ্রামারই জানা নেই। এসবের প্রচলন থাকলে ভালো সৃজনশীল শিক্ষকদের রেকর্ড প্রতিষ্ঠানে থাকার কথা এবং তাকে সম্মানিত করার ব্যবস্থা থাকা আগে থেকেই প্রয়োজন ছিল, সেটি প্রাতিষ্ঠান থেকে মর্যাদা অনুযায়ী রাষ্ট্র পর্যন্ত থাকা বাঞ্জনীয়; কিন্তু হঠাৎ কোন দিবস আসলো আর ফর্ম ছেড়ে দিলাম, সেই ফর্ম ফিলাপ করে প্রতিষ্ঠানপ্রধান যে, নিরপেক্ষ ও সত্যিকারঅর্থে একজন প্রকৃত শিক্ষককে সামনে নিয়ে আসবেন সেই ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম। এখানে অনেক কিছুর সংমিশ্রণ থাকবে, চাপ থাকবে,মতাদর্শ থাকবে। এটি দীর্ঘদিনের কালচার, প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক রীতির বিষয়।এছাড়া পাঠ্যবই বা গবেষণাপত্র লেখা, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান এবং সমাজ সংস্কারে বিশেষ ভূমিকার বিষয়ও মূল্যায়ন করা হবে। সেটি এখন কেন? এটি সার্বিক প্রশাসন ও রুটিনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে থাকা প্রয়োজন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষক প্রকৃত গবেষণা করেন, নিজ দেশ এমনকি মানবজাতির জন্য অনেক কিছু আবিষ্কার করেন, দিকনির্দেশনা দেন অথচ শিক্ষক দিবসে সেগুলো আলোচিত হয় না। আমরা বলতে পারি যে, আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীরা অনবরত গবেষণা করে যাচ্ছেন। তারা বিভিন্ন প্রজাতির শস্য, শাক-সবজীর উন্নত জাত উদ্ভাবন করছেন, কৃষকরা সেগুলো রোপন করছেন, আমরা খেয়ে যাচ্ছি। অথচ কে কোনটির ক্ষেত্রে অবদান রাখছেন সেটি জাতীয়ভাবে এমনকি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি প্রয়োজন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য! বিশ্ব শিক্ষক দিবসে উচচতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সম্মানিত করার তেমন কোন আলোচনা স্থান পায়না। তবে, এবার কিছুটা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যেটি প্রশংসনীয়। প্রশ্ন হচ্ছে তাতে প্রকৃত গবেষকেরা কতটা সম্মানিত হতে পারবেন?

মন্তব্য করুন

ব্লগ