Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৬:২৮ পূর্বাহ্ণ

বিষ্ণু দে (১৯০৯–১৯৮২)

বিষ্ণু দে

বিষ্ণু দে (১৯০৯–১৯৮২) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যসমালোচক। তিনি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবিতার ‘পঞ্চপাণ্ডব’-এর অন্যতম সদস্য। তাঁর কবিতায় আধুনিক জীবন, সমাজ, ইতিহাস, রাজনীতি, শিল্প-সংস্কৃতি ও মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষা বিশেষভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

📌 জন্ম ও পরিচয়

নাম: বিষ্ণু দে

জন্ম: ১৮ জুলাই ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ

জন্মস্থান: কলকাতা, ভারত

মৃত্যু: ৩ ডিসেম্বর ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দ

পরিচয়: কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যসমালোচক

সাহিত্যধারা: আধুনিকতাবাদী কবিতা

📚 উল্লেখযোগ্য রচনা

বিষ্ণু দে-এর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ ও রচনার মধ্যে রয়েছে—

উর্বশী ও আর্টেমিস

চোরাবালি

পূর্বলেখ

সাত ভাই চম্পা

নাম রেখেছি কোমল গান্ধার

স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ

সন্দ্বীপের চর

✍️ কবিতার বৈশিষ্ট্য

বিষ্ণু দে-এর কবিতায় প্রধানত দেখা যায়—

আধুনিক জীবন ও নগরজীবনের চিত্র

সমাজ ও ইতিহাসের প্রতি গভীর সচেতনতা

মার্কসবাদী চিন্তার প্রভাব

শিল্প, সাহিত্য ও সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ

পুরাণ ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির ব্যবহার

প্রেম, মানবতা ও সাম্যের আকাঙ্ক্ষা

বুদ্ধিবৃত্তিক ও প্রতীকধর্মী কাব্যভাষা

🏆 পুরস্কার

বিষ্ণু দে বাংলা সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার এবং জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেন।

🌟 বাংলা সাহিত্যে অবদান

বিষ্ণু দে বাংলা আধুনিক কবিতাকে আন্তর্জাতিক শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস ও সমাজচেতনার সঙ্গে যুক্ত করেন। তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত অনুভূতির পাশাপাশি সমাজ, ইতিহাস ও মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মনে রাখার সহজ সূত্র:

👉 বিষ্ণু দে = পঞ্চপাণ্ডব + আধুনিক কবিতা + সমাজচেতনা + ইতিহাস + শিল্প-সংস্কৃতি।

মন্তব্য করুন

ব্লগ