সহকারী শিক্ষক
০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৭:২০ পূর্বাহ্ণ
গেওর্গ নাগেল (Georg Nagel)
গেওর্গ নাগেল (Georg Nagel)
গেওর্গ নাগেল একজন জার্মান শারীরবিজ্ঞানী ও গবেষক। তিনি আলো ব্যবহার করে কোষ ও স্নায়ুকোষের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি অপ্টোজেনেটিকস (Optogenetics) বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
সংক্ষিপ্ত পরিচয়
নাম: গেওর্গ নাগেল (Georg Nagel)
জন্ম: ২৪ আগস্ট ১৯৫৩, ভাইনগার্টেন, জার্মানি
শিক্ষা: কনস্টানজ বিশ্ববিদ্যালয়ে জীববিজ্ঞান ও বায়োফিজিক্স
পিএইচডি: ১৯৮৮ সালে গোয়েথে বিশ্ববিদ্যালয়, ফ্রাঙ্কফুর্ট
গবেষণার ক্ষেত্র: বায়োফিজিক্স, কোষের ঝিল্লি, আলো-সংবেদনশীল প্রোটিন ও অপ্টোজেনেটিকস
প্রতিষ্ঠান: জুলিয়াস-ম্যাক্সিমিলিয়ানস-ইউনিভার্সিটি, ভুর্জবুর্গ (JMU)
নোবেল পুরস্কার: ২০২৬ সালের শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার
তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার
গেওর্গ নাগেল ও পিটার হেগেম্যান শৈবালজাতীয় এককোষী জীবের মধ্যে আলো-নিয়ন্ত্রিত চ্যানেলরোডপসিন (Channelrhodopsin) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেন। এই আলো-সংবেদনশীল আয়ন চ্যানেল আলো পেলে কোষের ঝিল্লির মধ্য দিয়ে আয়নের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
এই আবিষ্কারের ওপর ভিত্তি করে অপ্টোজেনেটিকস প্রযুক্তি বিকশিত হয়। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষে আলো প্রয়োগ করে তাদের কার্যকলাপ চালু বা বন্ধ করা সম্ভব হয়। ফলে বিজ্ঞানীরা মস্তিষ্কের স্মৃতি, আবেগ ও আচরণসহ বিভিন্ন স্নায়বিক প্রক্রিয়া গবেষণা করতে পারেন।
🏆 ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার
২০২৬ সালে গেওর্গ নাগেল কার্ল ডেইসেরথ ও পিটার হেগেম্যানের সঙ্গে যৌথভাবে শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তাঁদের পুরস্কারপ্রাপ্ত কাজ হলো আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং অপ্টোজেনেটিকস সম্পর্কিত আবিষ্কার।
পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
গেওর্গ নাগেল একজন জার্মান বিজ্ঞানী ও শারীরবিজ্ঞানী। তিনি আলো-সংবেদনশীল আয়ন চ্যানেল এবং অপ্টোজেনেটিকস গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। পিটার হেগেম্যানের সঙ্গে তাঁর গবেষণা থেকে চ্যানেলরোডপসিন সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান অর্জিত হয়। এই গবেষণার মাধ্যমে আলো ব্যবহার করে স্নায়ুকোষের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণের পথ উন্মুক্ত হয়। এ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০২৬ সালে কার্ল ডেইসেরথ ও পিটার হেগেম্যানের সঙ্গে যৌথভাবে শারীরবিদ্যা বা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
৮
৮ মন্তব্য