Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:০৭ পূর্বাহ্ণ

দোষারোপ নয়, ভালোবাসায় গড়ি দাম্পত্য (আস্থা, মমতা ও ক্ষমার বন্ধনে শান্তির সংসার) - মোঃ মুজিবুর রহমান



দোষারোপ নয়, ভালোবাসায় গড়ি দাম্পত্য

(আস্থা, মমতা ও ক্ষমার বন্ধনে শান্তির সংসার)

মোঃ মুজিবুর রহমান
সহকারী অধ্যাপক
মোজাদ্দেদীয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসা, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।

আল্লাহর দানে জীবন জাগে, মুছে মনের ভয়,
দাম্পত্যে ফুটুক ভালোবাসা, শান্তি ও নির্ভয়।
স্বামী-স্ত্রী হোক পরস্পরের সুখ-দুঃখের সাথি,
মমতার ছায়ায় ভরে উঠুক সংসার-প্রভাতি।

বিবাহ শুধু দুটি প্রাণের সামাজিক বন্ধন নয়,
এটি তো শান্তি, মায়া, মমতা—রহমতের পরিচয়।
একজন হবে অন্যজনের দুঃখের দিনের ছায়া,
সুখের দিনে পাশাপাশি থেকে বাড়াবে হৃদয়-মায়া।

আল্লাহ যেথায় ভালোবাসা ও দয়া দিলেন ঢেলে,
সেই বন্ধন কেন ভাঙবে তবে রাগের আগুন জ্বেলে?
কেন তবে চোখে চোখ রাখি সন্দেহেরই ছায়া?
কেন আপন মানুষটির মনে জাগাই শুধু মায়া-ব্যথা?

কবে যাবে বিরোধ মুছে, কবে ঘুচবে মান?
কবে আবার ভালোবাসায় ভরবে দুটি প্রাণ?
কবে থামবে দোষারোপের কঠিন কথার ঝড়?
কবে হবে পাশাপাশি দুজন—নির্ভরতার ঘর?

উত্তর খুঁজে দূর আকাশে তাকিয়ে থেকো না,
পরিবর্তনের সেই দিনটির অপেক্ষাতে থেকো না।
আজ থেকেই কোমল হও, আজ থেকেই দাও হাত,
আজ থেকেই ভালোবাসায় সাজাও নতুন প্রভাত।

একজন আগে এগিয়ে গেলে অপরজনও আসবে,
একটি মধুর বাক্য হৃদয়-দুয়ার খুলে দেবে।
একটি ক্ষমা, একটি হাসি, একটি আন্তরিক কথা,
ধীরে ধীরে মুছে দেবে জমে থাকা যত ব্যথা।

 “তোমার জন্য”—এই কথাটি কমিয়ে দাও আজ,
“
আমারও কি ভুল ছিল?”—করো নিজের কাছে সওয়াল।
অপরেরই দোষ খুঁজে কি শান্তি কখনো মেলে?
আগে নিজের ভুলটি দেখো, অন্তরের আয়না মেলে।

“তুমি এমন”, “তুমি তেমন”—কঠিন কথা নয়,
কোমল ভাষায় বলো কথা, তাতেই হৃদয় জয়।
“
তোমার কথা শুনতে চাই”—এই হোক মনের বাণী,
“
তোমার কষ্ট বুঝতে চাই”—হোক ভালোবাসার টানি।

যে নিজ ভুল স্বীকার করে, সে-ই তো বড় হয়,
ক্ষমা চেয়ে মাথা নোয়ালে সম্মান কখনো ক্ষয়?
বরং তাতে ভালোবাসার দৃঢ় হয় ভিত্তিপ্রাচীর,
অহংকারে ভাঙে সংসার, বিনয়ে হৃদয় হয় স্থির।

সন্দেহের আগুন জ্বেলে পুড়িও না মন,
অমূলক ধারণায় করো না আপনজনকে ক্ষণ।
প্রমাণহীন অভিযোগে বাড়ে শুধু দূরত্ব,
বিশ্বাস হারিয়ে গেলে ম্লান হয় দাম্পত্যের সৌন্দর্য।

কথায় যদি সংশয় জাগে, কথা বলে নাও,
মনের মাঝে কষ্ট রেখে দূরে সরে যেও না।
সত্য যদি থাকে, সত্য বলো, রাখো স্বচ্ছ মন,
বিশ্বাস গড়ে সত্যতায়—সন্দেহে নয় কখনো।

যে কথা দাও, রাখার চেষ্টা করো প্রাণ দিয়ে,
বিশ্বাস ফিরে আসে ধীরে সুন্দর আচরণ দিয়ে।
একদিনে ভাঙে না বিশ্বাস, একদিনে গড়েও না,
নিষ্ঠা, সততা, স্বচ্ছতায় সে আবার হারায় না।

পুরোনো সেই ভুলের খাতা খুলে বসো না বারবার,
একই ক্ষতের ওপর কেন দাও নতুন আঘাত আর?
অতীত থেকে শিক্ষা নাও, ভুলকে করো সংশোধন,
ভুলের শাস্তি সারাজীবন—এ কেমন আয়োজন?

যে ভুল করেছে, যদি সে সত্যিই অনুতপ্ত হয়,
তওবা করে সংশোধনে নতুন পথে ফিরতে চায়,
তাকে একটু সুযোগ দাও, দাও সংশোধনের পথ,
ক্ষমার ছায়ায় শুকিয়ে যাবে হৃদয়ের পুরোনো ক্ষত।

অতীত হোক শিক্ষার পাতা, অস্ত্র যেন নয়,
ক্ষমার আলোয় নতুন দিনের সুন্দর সূচনা হয়।
গতকালের অশ্রু মুছে আজকে ধরো হাত,
নতুন করে সাজাও দুজন ভালোবাসার প্রভাত।

তলোয়ারের ক্ষত শুকিয়ে যায়, কথার ক্ষত নয়,
কঠিন কথার দাগটি মনে দীর্ঘদিনই রয়।
তাই রাগের বশে বলো না এমন কোনো কথা,
যার ভারে নীরব রাতে বাড়বে শুধু ব্যথা।

অপমান নয়, সম্মান দাও; কটুবাক্য নয়, মায়া,
সঙ্গীর হৃদয় ভেঙে দিয়ে কোথায় পাবে ছায়া?
মানুষটির দুর্বলতাকে করো না প্রকাশ,
তার গোপন দুঃখ ঢেকে রাখাই ভালোবাসার প্রকাশ।

রাগ যদি আসে, থেমে যাও, নীরব হও ক্ষণ,
শান্ত হলে বলো কথা, নরম রেখে মন।
একটি বাক্য ভাঙতে পারে বহু বছরের ঘর,
একটি মধুর বাক্য আবার জুড়তে পারে অন্তর।

তুমি নও আমার প্রতিদ্বন্দ্বী, আমি নই তোমার শত্রু,
একই পথে চলব দুজন, একই ঘরের মিত্র।
তুমি যদি সুখী হও, সুখী হোক আমার প্রাণ,
তোমার হাসি ফুটুক মুখে—এই তো আমার গান।

কে জিতল, কে হারল—এ হিসাব রাখব না,
সংসারটাকে জেতাব দুজন, হারতে দেব না।
তোমার জয়েই আমার জয়, আমার জয় তোমার,
দুটি প্রাণের মিলিত পথেই সংসার হবে সুন্দর।

ঝড় এলে দুজন মিলে ধরব ঘরের দ্বার,
দুঃখ এলে পাশে থাকব—হব না পলায়নপর।
সমস্যার বিরুদ্ধে লড়ব, পরস্পরের নয়,
ভালোবাসার শক্তিতে সংসার হবে নির্ভয়।

পবিত্র কুরআনের ভাষায়—পোশাকের মতো আপন,
স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের—সুরক্ষারই জীবন।
দোষ-ত্রুটি ঢেকে রাখা, সম্মান রাখা চাই,
আপনজনের দুর্বলতা বাজারে তুলতে নাই।

তুমি আমার আড়াল হবে, আমি হব তোমার,
দুঃখ এলে পাশে থাকব, সুখে হব সহযাত্রী আর।
জীবনের এই দীর্ঘ পথে হাতটি রেখো হাতে,
আল্লাহর সন্তুষ্টি খুঁজে চলি দিনের পর দিন রাতে।

ভালোবাসা শুধু মুখের মধুর বাক্য নয়,
কাজের মাঝে, যত্নে তার সত্য পরিচয়।
ক্লান্ত হলে একটু জিজ্ঞাসা—“কেমন আছ আজ?”
এই সামান্য মায়াতেই মুছে যায় কত লাজ।

এক কাপ পানির মতো ছোট্ট সেবার দান,
অসুস্থ রাতে পাশে থাকা—ভালোবাসার প্রাণ।
সঙ্গীর ভালো কাজ দেখে বলো—“আলহামদুলিল্লাহ”,
একটি প্রশংসায় হৃদয় ভরে, দূরে যায় সব ব্যথা।

সময় দাও, মন দিয়ে শোনো, বাধা দিয়ো না কথা,
শুধু উত্তর দেওয়ার জন্য নয়—বোঝো মনের ব্যথা।
কখনো শুধু শুনে যাও, প্রয়োজন নেই জবাব,
মনের ভারটা হালকা হলে কমে যাবে অভাব।

মানুষ মাত্র ভুল করবে—এটাই মানবধর্ম,
ক্ষমা দিয়ে ভুল সংশোধন—এ মহৎ জীবনের মর্ম।
তবে অন্যায় প্রশ্রয় নয়, চাই ন্যায় ও সংশোধন,
সীমা রেখে ক্ষমা করাই সুন্দর চরিত্রগঠন।

আজ যদি তুমি ক্ষমা করো, কাল সে ক্ষমা দেবে,
দুজন মিলে ভুলের বোঝা ধীরে ধীরে নেবে।
অভিমানকে দীর্ঘ করে রেখো না হৃদয় মাঝে,
ভালোবাসার ফুল ফুটুক ক্ষমার কোমল সাজে।

যে ক্ষমা করতে জানে, সে হৃদয়ে বড় হয়,
আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে তারই অগ্রগতি হয়।
প্রতিশোধের আগুন নিভাও, শান্ত করো প্রাণ,
ক্ষমার জলে সিক্ত হোক দাম্পত্যের বাগান।

রাগ এলে থেমে যেও, কথা বলো না তাড়ায়,
আগুন যদি জ্বলে মনে, আগুন দিও না বাড়ায়।
ওজু করে শান্ত হও, আল্লাহকে স্মরণ করো,
রাগের সময় বিচ্ছেদের কঠিন সিদ্ধান্ত করো না।

একটু নীরব, একটু বিরতি—কত বড় উপকার,
রাগের বশে বলা কথা ফেরানো কঠিন ভার।
শান্ত হলে বসো দুজন, বলো মনের কথা,
তখন হয় সমাধানের সুন্দর পথের ব্যাখ্যা।

রাগ ক্ষণিকের অতিথি, সংসার দীর্ঘ পথ,
এক মুহূর্তের উত্তেজনায় ভেঙো না জীবনের রথ।
ধৈর্য ধরো, সংযম রাখো, আল্লাহকে ভয় করো,
মায়া-মমতার বন্ধন দিয়ে সংসারটাকে ধরো।

 “আমি কী পেলাম?”—এ প্রশ্নটিকে একটু সরিয়ে দাও,
“
আমরা কীভাবে ভালো থাকব?”—এই প্রশ্নটি ভাবো।
তোমার সুখে আমার সুখ, আমার সুখে তোমার,
এই কথাটুকু সত্য হলে কমবে মনের ভার।

আমি-তুমি দূরত্ব মুছে “আমরা” শব্দ গড়ি,
একই স্বপ্ন, একই আশা, একই পথে চলি।
একজনের কষ্ট যেন অন্যজনেরও ব্যথা,
একজনের হাসি যেন অন্যজনের কথা।

সন্তানের নিষ্পাপ চোখে বাবা-মায়ের ঘর,
তাদের কাছে সংসার মানে ভালোবাসার স্বর।
তাদের সামনে অপমান নয়, ঝগড়ার ভাষা নয়,
বাবা-মায়ের সুন্দর আচরণই হোক তাদের জয়।

তারা যেন শেখে—ভালোবাসা মানে সম্মান,
ভুল হলে ক্ষমা চাওয়া—এও মহৎ জ্ঞান।
তারা যেন দেখে ঘরে দয়া, ধৈর্য, মায়া,
সেই শিক্ষাতেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের ছায়া।

সামর্থ্য সীমিত হতে পারে, চাহিদা হতে পারে ঢের,
অন্যের সুখ দেখে নিজের ঘরকে কোরো না পর।
অপচয় আর কৃপণতা—দুটিই থেকে দূরে,
মধ্যপথে সংসার চালাও আল্লাহর নাম ধরে।

যা আছে তাতেই শোক নয়, শুকরিয়া শেখো প্রাণে,
বরকত আসে কৃতজ্ঞতায়, শান্তি আসে টানে।
অল্প যদি হালাল হয়, তাতেই থাকে সুখ,
অন্যের প্রাসাদ দেখে কেন বাড়াবে নিজের দুঃখ?

স্বামী যেন দায়িত্বশীল, স্ত্রী যেন সহমর্মী,
দুজন মিলে গড়ুক ঘর—সুন্দর, শান্ত, নূরময়ী।
অধিকার যেমন আছে, দায়িত্বও আছে সাথে,
ন্যায় ও সদাচরণ থাকুক প্রতিটি দিন-রাতে।

আল্লাহর বিধান মানি, সুন্নাহর পথে চলি,
নামাজ দিয়ে দিন সাজাই, অন্তর করি খাঁটি।
তাকওয়ার আলো হৃদয়ে রেখে করি সংসারযাপন,
আল্লাহর সন্তুষ্টিই হোক জীবনের মূল সাধন।

সমস্যা যদি বড় হয়, একা থেকো না চুপ,
ন্যায়বান ও বিচক্ষণজনের সাহায্য নাও রূপ।
যারা আগুন বাড়ায় তাদের কাছে যেও না,
যারা মীমাংসা চায় তাদের কথাই শোনো না?

না—শোনো সেই মানুষটিকে, যে ন্যায় কথা কয়,
দুই পক্ষেরই কষ্ট বোঝে, কারও প্রতি পক্ষপাত নয়।
কুরআনের নির্দেশ মেনে সমাধানের পথ ধরো,
ভাঙনের আগে ভালোবাসার বন্ধনটাকে ধরো।

ফিরে আসুক সেই দিনগুলো, মুছে যাক অভিমান,
ফিরে আসুক মিষ্টি হাসি, জুড়ুক দুটি প্রাণ।
ফিরে আসুক বিশ্বাস আবার, ঘুচুক মনের ভয়,
পরস্পরের ভালোবাসায় জীবন হোক নির্ভয়।

কেউ বলুক—“আমি আছি”, যখন অপরজন ভাঙে,
কেউ বলুক—“ভয় পেয়ো না”, অশ্রু যখন জাগে।
কেউ বলুক—“ভুল হয়েছে, আমাকে ক্ষমা করো”,
অপরজন বলুক—“চলো, নতুন করে পথ ধরো।”

কবে হবে?—কাল নয়, আজ থেকেই শুরু হোক,
অভিমানী দুটি হৃদয় ভালোবাসায় ভরুক।
কবে থামবে দোষারোপ?—এই মুহূর্তেই থামুক,
কোমল কথার ফুল ফুটিয়ে সংসারখানি সাজুক।

কবে যাবে অবিশ্বাস?—সত্যতায় তার ক্ষয়,
কবে ফিরবে ভালোবাসা?—যেদিন ক্ষমা হয়।
কবে ঘুচবে অনাস্থা?—যেদিন স্বচ্ছ মন,
কবে আসবে শান্তি?—যেদিন এক হবে দুজন।

তুমি আমার সম্মান রাখো, আমি রাখব তোমার,
তুমি আমার দুঃখ বোঝো, আমি বুঝব তোমার।
তুমি ভুললে ক্ষমা করব, আমি ভুললে ক্ষমা চাব,
আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পাশাপাশি চলব।

রাগের বশে কটু কথা আর বলব না কখনো,
অমূলক কোনো সন্দেহে হৃদয় ভাঙব না কোনো।
অতীতের ভুল তুলে এনে করব না অপমান,
বর্তমানের ভালোবাসায় সাজাব নতুন প্রাণ।

তুমি নও আমার শত্রু, তুমি আমার আপন,
তোমার মাঝে খুঁজব আমি শান্তিরই স্পন্দন।
দুজন মিলে আল্লাহর কাছে করব প্রার্থনা—
“
হে রব! আমাদের ঘরে দাও শান্তি ও করুণা।”

হে আল্লাহ! দাম্পত্যের সব অশান্তি করো দূর,
ভালোবাসার আলো দিয়ে করো হৃদয় নূর।
সন্দেহের সব কালো মেঘ সরিয়ে দাও আজ,
বিশ্বাসের ফুল ফুটুক ঘরে, মুছে যাক সব লাজ।

হে আল্লাহ! অহংকার মুছে দাও আমাদের মন থেকে,
ক্ষমা, দয়া, ধৈর্য দাও প্রতিটি ক্ষণ থেকে।
কঠিন কথা দূরে সরিয়ে মধুর ভাষা দাও,
পরস্পরের অধিকার বুঝে চলার তৌফিক দাও।

হে আল্লাহ! স্বামী-স্ত্রী হোক পরস্পরের আশ্রয়,
দুঃখে হোক সঙ্গী দুজন, সুখে হোক নির্ভয়।
সন্তানের চোখে গড়ে উঠুক শান্তিময় সংসার,
ভালোবাসার সুবাস ছড়াক প্রতিটি ঘরদুয়ার।

অভিমান যদি আসে, দাও ক্ষমারই শক্তি,
বিরোধ যদি জাগে, দাও সমাধানের ভক্তি।
ভুল হলে তওবার পথে ফেরার তৌফিক দাও,
সুন্নাহর সুন্দর আদর্শে জীবন সাজাতে দাও।

হে আল্লাহ! আমাদের হৃদয় রাখো তোমার ভয়ে,
তোমার সন্তুষ্টি খুঁজি যেন জীবনের সব ক্ষয়ে।
দুনিয়ার জীবনে দাও শান্তি, আখিরাতে নাজাত,
তোমার রহমতের ছায়ায় দাও চিরস্থায়ী জান্নাত।

দোষারোপ নয়—ভালোবাসা হোক,
অবিশ্বাস নয়—আস্থা হোক;
অহংকার নয়—বিনয় হোক,
অভিমান নয়—ক্ষমা হোক।

স্বামী-স্ত্রীর দুটি হৃদয়
এক আল্লাহর পথে চলুক;
মমতার ফুল, ভালোবাসার আলোয়
শান্তির সংসার গড়ে উঠুক।

আমিন।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ