Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৪১ পূর্বাহ্ণ

৭ লাখ শিক্ষককে ট্যাব দেওয়ার পরিকল্পনা


মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আওতায় দেশের ৭ লাখের বেশি শিক্ষককে একটি করে আধুনিক ট্যাবলেট-কম্পিউটার দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শিক্ষা সংবাদ, ঢাকা: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর আওতায় দেশের ৭ লাখের বেশি শিক্ষককে একটি করে আধুনিক ট্যাবলেট-কম্পিউটার দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ও বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকেরা এ সুবিধার আওতায় আসবেন। তবে শিক্ষক তালিকা তৈরি ও ডিভাইস বিতরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকসংখ্যা, এমপিওভুক্তি ও অন্যান্য প্রশাসনিক তথ্য বিবেচনা করা হতে পারে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত তালিকা ও নির্দেশনা পরে প্রকাশ করা হবে।

মাউশির পরিকল্পনা শাখা জানায়, প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষ গড়ে তুলতে ১৭ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ৭ লাখের বেশি শিক্ষককে ট্যাব দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে অন্তত ১০টি স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে থাকবে ইন্টার‌্যাক্টিভ এডুকেশন প্যানেল। পাশাপাশি ১০০ এমবিপিএস ব্রডব্যান্ড সংযোগ এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য একক ‘এডু আইডি’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

এদিকে, শিক্ষক প্রশিক্ষণের অবকাঠামো উন্নয়নে দেশের ৩২টি বড় জেলায় ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে হায়ার সেকেন্ডারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (এইচএসটিটিআই) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষকদের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ লাখ শিক্ষককে ৩৫ দিনের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষকে ২৩ দিনের নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ এবং ৪ হাজার গভর্নিং বডি সদস্যকে ওরিয়েন্টেশন দেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় পরিচালিত ‘লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন’ (লেইস) প্রকল্পের আওতায়ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ হাজার ৮৮০ জন নতুন শিক্ষককে ৫৬ দিনের আবাসিক বেসিক প্রশিক্ষণ এবং ৫৩ হাজার ৭৬০ জন শিক্ষককে ৪২ দিনের আবাসিক পেশাগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়া প্রধান শিক্ষকদের নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য ও কাউন্সেলিং, বুলিং প্রতিরোধ এবং আইসিটি বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, প্রকৃত মেধাবীদের শিক্ষকতা পেশায় আনতে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের স্মার্ট দক্ষতায় রূপান্তরের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য করুন