সহকারী অধ্যাপক
১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
পিইএসপি উপবৃত্তি ২০২৬ | PESP Finance Gov BD Login
পিইএসপি উপবৃত্তি ২০২৬ | PESP Finance Gov BD Login
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকদের মনে হাজারো প্রশ্ন — PESP কী, কারা উপবৃত্তি পাবে, মাসে কত টাকা দেওয়া হয়, টাকা কবে অ্যাকাউন্টে আসবে, আর pesp finance gov bd পোর্টালে লগইন করবেন কীভাবে। এই পোস্টে প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম (PESP) নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর এক জায়গায় দেওয়া হলো — উপবৃত্তির যোগ্যতা, টাকার পরিমাণ, বিতরণের সময়সূচি এবং PESP MIS লগইনের ধাপে ধাপে গাইডসহ।
PESP কী
PESP-এর পূর্ণরূপ Primary Education Stipend Programme, বাংলায় প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম। এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি চলমান কর্মসূচি। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের স্কুলে ধরে রাখা এবং ঝরে পড়া রোধ করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
PESP-এর আওতায় দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অনুমোদিত বিভিন্ন ধরনের প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মাসিক উপবৃত্তি পায়। বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩৭ লাখ শিক্ষার্থী এই কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। উপবৃত্তির টাকা সরাসরি শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হয়।
পিইএসপি উপবৃত্তি বনাম প্রাথমিক বৃত্তি — পার্থক্য জেনে নিন
অনেকে PESP উপবৃত্তি আর প্রাথমিক বৃত্তিকে গুলিয়ে ফেলেন। দুটি সম্পূর্ণ আলাদা কর্মসূচি।
বিষয় | PESP উপবৃত্তি | প্রাথমিক বৃত্তি |
কারা পায় | যোগ্য সব প্রাথমিক শিক্ষার্থী | বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবীরা |
পরীক্ষা লাগে কি | না, নিয়মিত উপস্থিতি ও ফলাফলের ভিত্তিতে | হ্যাঁ, পঞ্চম শ্রেণি শেষে বৃত্তি পরীক্ষা |
টাকার হার | মাসে ১৫০ টাকা (এক সন্তান) | ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০, সাধারণে ২২৫ টাকা |
মেয়াদ | প্রাথমিক স্তরে অধ্যয়নকালীন | ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত |
পরিচালনা | PESP-MIS পোর্টালের মাধ্যমে | প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপনে |
সংক্ষেপে: PESP উপবৃত্তি হলো দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের শিশুদের স্কুলমুখী রাখার মাসিক সহায়তা; আর প্রাথমিক বৃত্তি হলো মেধাবী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার।
PESP-এর উদ্দেশ্য
সরকার এই কর্মসূচি চালু করেছিল কয়েকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে। দারিদ্র্যের কারণে যাতে কোনো শিশু স্কুল ছেড়ে কাজে নামতে বাধ্য না হয়, সেটাই প্রধান উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি মেয়েশিশুদের শিক্ষায় উৎসাহ দেওয়া, শ্রেণিতে উপস্থিতির হার বাড়ানো এবং প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর হার বৃদ্ধিও এই কর্মসূচির লক্ষ্য। গবেষণায় দেখা গেছে, উপবৃত্তি চালুর পর প্রাথমিক স্তরে ভর্তি ও উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
কারা PESP উপবৃত্তি পাবে — যোগ্যতার শর্ত
সব শিক্ষার্থী স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপবৃত্তি পায় না। সরকার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হয়। প্রধান শর্তগুলো হলো:
শিক্ষার্থীকে অনুমোদিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত অধ্যয়নরত হতে হবে।
মাসিক উপস্থিতির হার কমপক্ষে ৮৫ শতাংশ থাকতে হবে।
বিদ্যালয়ের সব পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
প্রতিটি বিষয়ে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
সদাচরণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে।
শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে উপবৃত্তি সাময়িক স্থগিত বা বাতিল হতে পারে। তাই অভিভাবকদের উচিত সন্তানের নিয়মিত স্কুলে যাওয়া নিশ্চিত করা।
PESP উপবৃত্তির টাকার পরিমাণ
উপবৃত্তির টাকা পরিবারে অধ্যয়নরত সন্তানের সংখ্যা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। বর্তমান হার নিচের টেবিলে দেওয়া হলো।
পরিবারের সন্তান সংখ্যা | মাসিক উপবৃত্তি |
১ জন সন্তান | ১৫০ টাকা |
২ জন সন্তান | ৩০০ টাকা |
৩ জন সন্তান | ৪০০ টাকা |
৪ জন সন্তান | ৫০০ টাকা |
প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি | মাসে ৭৫ টাকা |
প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য একক হিসাবে মাসে ১৫০ টাকা ধরা হয়। সরকার সময়ে সময়ে এই হার সংশোধন করতে পারে, তাই সর্বশেষ তথ্যের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ রাখুন।
উপবৃত্তির টাকা কীভাবে ও কবে দেওয়া হয়
উপবৃত্তির টাকা নগদে দেওয়া হয় না। সরকার ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে টাকা পাঠায়। বর্তমানে নগদ (Nagad) এর মাধ্যমে এই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
টাকা প্রতি মাসে আলাদা করে না পাঠিয়ে বছরে চার কিস্তিতে দেওয়া হয় — এপ্রিল, জুলাই, অক্টোবর ও জানুয়ারি মাসে। অর্থাৎ তিন মাসের টাকা একসাথে অ্যাকাউন্টে জমা হয়। উদাহরণ হিসেবে, এক সন্তানের পরিবার এক কিস্তিতে ৪৫০ টাকা (১৫০ × ৩) পায়।
টাকা পেতে মায়ের নামে সচল মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক। হিসাবের তথ্য বিদ্যালয়ের মাধ্যমে PESP-MIS পোর্টালে সঠিকভাবে এন্ট্রি করা থাকতে হবে। তথ্যে ভুল থাকলে টাকা আটকে যেতে পারে।
pesp.finance.gov.bd পোর্টাল — কী কী কাজ হয়
pesp finance gov bd হলো প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রমের অফিসিয়াল অনলাইন পোর্টাল। এর পেছনে কাজ করে PESP-MIS (Management Information System) সফটওয়্যার। এই পোর্টালের মাধ্যমে উপবৃত্তি সংক্রান্ত প্রায় সব কাজ অনলাইনে সম্পন্ন হয়।
পোর্টালে যেসব কাজ করা যায়:
উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি ও হালনাগাদ
প্রতি কিস্তির চাহিদা (Demand) তৈরি ও জমা দেওয়া
ভুল তথ্য সংশোধন করা
অযোগ্য বা চলে যাওয়া শিক্ষার্থীর তথ্য বাতিল করা
উপবৃত্তি বিতরণের প্রতিবেদন দেখা
মনে রাখবেন, এই পোর্টালে সাধারণ অভিভাবকরা লগইন করতে পারেন না। শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অনুমোদিত কর্মকর্তারাই ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করতে পারেন।
PESP MIS লগইন — ধাপে ধাপে গাইড
pesp finance gov bd login করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। এই নির্দেশনা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের জন্য।
ধাপ ১: মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউজার খুলে pesp.finance.gov.bd ঠিকানায় যান। লগইন পেজে দুটি ঘর দেখতে পাবেন — ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড।
ধাপ ২: ইউজারনেমের ঘরে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন। সাধারণত প্রধান শিক্ষকের মোবাইল নম্বরই ইউজারনেম হিসেবে নির্ধারিত থাকে।
ধাপ ৩: পাসওয়ার্ডের ঘরে নির্ধারিত পাসওয়ার্ড দিন। নতুন অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ডিফল্ট পাসওয়ার্ড দেওয়া থাকে, যা প্রথম লগইনের পর বদলে নিতে হয়।
ধাপ ৪: Login বাটনে ক্লিক করুন। সঠিক তথ্য দিলে আপনার ড্যাশবোর্ড খুলে যাবে, যেখান থেকে শিক্ষার্থী এন্ট্রি, চাহিদা তৈরি, তথ্য সংশোধনসহ সব কাজ করা যাবে।
ধাপ ৫: কাজ শেষে অবশ্যই লগআউট করুন, বিশেষ করে শেয়ার্ড কম্পিউটার ব্যবহার করলে।
যারা pesp mis login বা pesp login লিখে খোঁজেন, তাদের জন্য স্পষ্ট করে বলা যাক — PESP MIS-ই হলো পোর্টালের সফটওয়্যার সিস্টেমের নাম, আর উপরের ধাপগুলো অনুসরণ করলেই তাতে প্রবেশ করা যায়।
লগইন সংক্রান্ত সাধারণ সমস্যা ও সমাধান
পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কী করবেন?
ডিফল্ট পাসওয়ার্ডে কাজ না হলে বা নিজের সেট করা পাসওয়ার্ড মনে না থাকলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করুন। তারা পাসওয়ার্ড রিসেট করে দিতে পারবে। নিজে বারবার ভুল পাসওয়ার্ড দিয়ে চেষ্টা করবেন না।
ইউজারনেম কাজ করছে না
নিশ্চিত হোন যে আপনি সঠিক মোবাইল নম্বর দিচ্ছেন। নম্বর পরিবর্তন হলে বা দায়িত্ব বদলালে নতুন তথ্য অফিসে জানিয়ে হালনাগাদ করিয়ে নিন।
মোবাইলে pesp finance gov bd login করতে সমস্যা
মোবাইল ব্রাউজার থেকে লগইন করা যায়। সমস্যা হলে ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার করে আবার চেষ্টা করুন, অথবা ডেস্কটপ মোড চালু করে দেখুন। দুর্বল ইন্টারনেটেও লগইন পেজ ঠিকমতো লোড নাও হতে পারে।
ড্যাশবোর্ডে তথ্য দেখা যাচ্ছে না
এটি সাধারণত সার্ভারজনিত সাময়িক সমস্যা। কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন। দীর্ঘ সময় সমস্যা থাকলে উপজেলা শিক্ষা অফিসে জানান।
চাহিদা (Demand) এন্ট্রি ও সংশোধন
প্রতি কিস্তির টাকা ছাড়ের আগে বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীদের চাহিদা (Demand) পাঠাতে হয়। প্রধান শিক্ষক PESP-MIS পোর্টালে লগইন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চাহিদা তৈরি ও জমা দেন। এই চাহিদা প্রথমে ক্লাস্টারে, পরে উপজেলা হয়ে যাচাই-বাছাই শেষে বিতরণের জন্য পাঠানো হয়।
চাহিদা পাঠানোর সময় ভুল তথ্য, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী সংখ্যা বা ভুল শ্রেণি নির্বাচন হয়ে যেতে পারে। এমন হলে ঘাবড়াবেন না। পোর্টালেই চাহিদা সংশোধনের সুযোগ থাকে। ক্লাস্টারে পাঠানো চাহিদা সংশোধন করা যায়, আর উপজেলা থেকে রিটার্ন এলে নির্দেশনা অনুযায়ী ঠিক করে আবার জমা দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সঠিক চাহিদা না পাঠালে ওই কিস্তির টাকা পেতে দেরি হবে।
শিক্ষার্থীর তথ্য হালনাগাদ ও ডুপ্লিকেট সমস্যা
নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হলে তার তথ্য পোর্টালে এন্ট্রি করতে হয়। শ্রেণি পরিবর্তন হলে শ্রেণি হালনাগাদ করতে হয়। কোনো শিক্ষার্থী স্কুল ছেড়ে চলে গেলে বা অযোগ্য হলে তার তথ্য নিষ্ক্রিয় (বাতিল) করতে হয়।
একটি সাধারণ সমস্যা হলো ডুপ্লিকেট এন্ট্রি — একই শিক্ষার্থীর তথ্য দুবার ঢুকে যাওয়া। এতে টাকা বিতরণে জটিলতা তৈরি হয়। নিয়মিত তথ্য যাচাই করে ডুপ্লিকেট এন্ট্রি শনাক্ত করে বাতিল করুন। জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে যাচাই করলে ডুপ্লিকেট ধরা সহজ হয়।
উপবৃত্তির টাকা কবে দেবে ২০২৬
এই প্রশ্নটাই অভিভাবকরা সবচেয়ে বেশি করেন। আগেই বলা হয়েছে, টাকা বছরে চার কিস্তিতে — এপ্রিল, জুলাই, অক্টোবর ও জানুয়ারিতে — মায়ের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে পাঠানো হয়। কিস্তির টাকা ছাড়ের আগে বিদ্যালয়ের চাহিদা যাচাই ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ হতে হয় বলে মাঝে মাঝে কয়েক সপ্তাহ দেরি হতে পারে।
টাকা না এলে করণীয়: প্রথমে নগদ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স ও লেনদেনের ইতিহাস চেক করুন। অনেক সময় টাকা এলেও এসএমএস আসে না। তারপরও না পেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করুন — PESP-MIS পোর্টাল থেকে তিনি আপনার সন্তানের তথ্য ও পেমেন্ট স্ট্যাটাস যাচাই করে দিতে পারবেন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
PESP-এর পূর্ণরূপ কী?
Primary Education Stipend Programme — বাংলায় প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম।
pesp finance gov bd কী?
এটি প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রমের অফিসিয়াল পোর্টাল, যার মাধ্যমে PESP-MIS সিস্টেমে শিক্ষার্থীর তথ্য এন্ট্রি, চাহিদা তৈরি ও উপবৃত্তি বিতরণের কাজ পরিচালিত হয়।
সাধারণ অভিভাবক কি PESP পোর্টালে লগইন করতে পারবেন?
না। শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও অনুমোদিত কর্মকর্তারা ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে পারেন। অভিভাবকরা টাকার খোঁজ নিতে বিদ্যালয়ে যোগাযোগ করবেন।
উপবৃত্তির টাকা কার অ্যাকাউন্টে আসে?
শিক্ষার্থীর মায়ের নামে খোলা মোবাইল ব্যাংকিং (নগদ) হিসাবে টাকা পাঠানো হয়।
মাসে কত টাকা উপবৃত্তি দেওয়া হয়?
এক সন্তানের পরিবার মাসে ১৫০ টাকা, দুই সন্তানে ৩০০ টাকা, তিন সন্তানে ৪০০ টাকা এবং চার সন্তানে ৫০০ টাকা পায়। প্রাক-প্রাথমিকের জন্য মাসে ৭৫ টাকা।
উপবৃত্তি পেতে উপস্থিতি কত লাগে?
মাসিক উপস্থিতি কমপক্ষে ৮৫ শতাংশ থাকতে হবে, সব পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে এবং প্রতিটি বিষয়ে কমপক্ষে ৩৩ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
টাকা না এলে কী করব?
প্রথমে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করুন। না পেলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে PESP-MIS পোর্টালে তথ্য যাচাই করান। তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধন করে নিন।
PESP আর প্রাথমিক বৃত্তি কি এক?
না। PESP উপবৃত্তি যোগ্য সব শিক্ষার্থীর জন্য মাসিক সহায়তা; প্রাথমিক বৃত্তি বৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মেধাবীদের পুরস্কার।
উপসংহার
PESP উপবৃত্তি দরিদ্র পরিবারের লাখ লাখ শিশুর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার ভরসা। অভিভাবক হিসেবে আপনার কাজ — সন্তানকে নিয়মিত স্কুলে পাঠানো, মোবাইল ব্যাংকিং হিসাব সচল রাখা এবং তথ্যে কোনো ভুল থাকলে দ্রুত বিদ্যালয়কে জানানো। আর শিক্ষক হিসেবে PESP-MIS পোর্টালে সময়মতো সঠিক তথ্য এন্ট্রি ও চাহিদা জমা দেওয়াই উপবৃত্তি নির্বিঘ্নে পৌঁছে দেওয়ার চাবিকাঠি। উপবৃত্তি সংক্রান্ত যেকোনো আপডেটের জন্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখুন।
১৮
২৮ মন্তব্য