সহকারী শিক্ষক
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:০১ পূর্বাহ্ণ
এসএসসি পাসে শিশু হাসপাতালে ৫৮ জনের চাকরি ২০২৬: ডাকযোগে আবেদনের সম্পূর্ণ নিয়ম | BSHI Ward Boy Job Circular 2026
এসএসসি পাসে শিশু হাসপাতালে ৫৮ জনের চাকরি ২০২৬: ডাকযোগে আবেদনের সম্পূর্ণ নিয়ম | BSHI Ward Boy Job Circular 2026
এসএসসি পাস করে সরকারি চাকরির স্বপ্ন দেখছেন? ৯ অক্টোবর ২০২৬ দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের (BSHI) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে শুধু এসএসসি পাস প্রার্থীদের জন্যই ৫৮টি পদ আছে — ওয়ার্ড বয়/আয়া ৩৩টি, পিয়ন (অফিস সহায়ক) ১০টি আর এটেনডেন্ট ১৫টি। সবগুলোই ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরি।
অনেকে জানেন না — বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট কোনো প্রাইভেট হাসপাতাল নয়, এটি সরকারের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। তাই এই পদগুলোতে নিয়োগ পেলে জাতীয় বেতন স্কেল, সরকারি ভাতা আর পেনশনসহ পূর্ণ সরকারি সুবিধা পাবেন।
এই পোস্টে শুধু পদের তথ্যই নয় — ডাকযোগে আবেদনের পুরো প্রক্রিয়াটা ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দিচ্ছি, কারণ এই নিয়োগে অনলাইনে আবেদনের কোনো সুযোগ নেই। একটা ভুল হলেই আবেদন বাতিল — তাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
এক নজরে BSHI সাপোর্ট স্টাফ নিয়োগ ২০২৬
বিষয় | তথ্য |
প্রতিষ্ঠান | বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট (সরকারি) |
বিজ্ঞপ্তি | স্মারক বাশিহাই/প্রশাসন/২০২৬/২৯২৪ (৮ অক্টোবর ২০২৬ জারি) |
মোট পদ | ৫৮টি (৩টি ক্যাটাগরি) |
শিক্ষাগত যোগ্যতা | এসএসসি পাস |
গ্রেড ও বেতন | ২০তম গ্রেড, ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা |
বয়সসীমা | সর্বোচ্চ ৩২ বছর |
আবেদন ফি | ৫০০ টাকা (পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট) |
আবেদন পদ্ধতি | ডাকযোগে বা সরাসরি (অনলাইনে নয়) |
শেষ তারিখ | ১৭ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার), বেলা ২:০০টা |
ঠিকানা | পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭ |
আবেদনযোগ্য জেলা | সকল জেলা |
তিনটি পদের বিস্তারিত: যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও বেতন
ক্রমিক | পদের নাম | পদ সংখ্যা | বেতন স্কেল | যোগ্যতা | অভিজ্ঞতা |
১ | ওয়ার্ড বয়/আয়া | ৩৩টি | ২০তম গ্রেড (২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা) | এসএসসি পাস | সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে ১ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা |
২ | পিয়ন (অফিস সহায়ক) | ১০টি | ২০তম গ্রেড (২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা) | এসএসসি পাস | বাধ্যতামূলক নয়; সরকারি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার |
৩ | এটেনডেন্ট (ওটি, এক্সরে, ল্যাব ও কার্ডিয়াক) | ১৫টি | ২০তম গ্রেড (২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা) | এসএসসি পাস | সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে ২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা |
ওয়ার্ড বয়/আয়া (৩৩টি): সবচেয়ে বেশি পদের এই ক্যাটাগরিতে এসএসসি পাসের পাশাপাশি ওয়ার্ডে কাজের কমপক্ষে ১ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা লাগবে। হাসপাতাল, ক্লিনিক বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওয়ার্ড বয়/আয়া হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে সুবিধা পাবেন। সরকারি বা আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার।
পিয়ন বা অফিস সহায়ক (১০টি): এই পদে কোনো বাধ্যতামূলক অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়নি — শুধু এসএসসি পাস হলেই আবেদন করা যাবে। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন। অভিজ্ঞতা না থাকা তরুণদের জন্য এটাই সবচেয়ে সহজ দরজা।
এটেনডেন্ট (১৫টি): ওটি, এক্সরে, ল্যাব বা কার্ডিয়াক বিভাগে এটেনডেন্ট হিসেবে কমপক্ষে ২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা লাগবে। ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালের ল্যাবে কাজের অভিজ্ঞতা এখানে কাজে দেবে।
বেতন কত পাবেন: ২০তম গ্রেডের হিসাব
২০তম গ্রেডের মূল বেতন শুরু ২০,০০০ টাকা থেকে। এর সাথে সরকারি নিয়মে বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, টিফিন ভাতা, বার্ষিক উৎসব বোনাস ও বৈশাখী ভাতা যোগ হবে। কর্মস্থল ঢাকায় হওয়ায় বাড়িভাড়া ভাতা বেশি হারে পাবেন। সব মিলিয়ে শুরুতে মাসিক সর্বমোট আয় আনুমানিক ২৯,০০০–৩২,০০০ টাকার মতো হতে পারে। চাকরি স্থায়ী হলে পেনশন ও ভবিষ্য তহবিলের সুবিধা যুক্ত হবে — এসএসসি পাসে এতটা নিরাপদ সরকারি চাকরির সুযোগ কমই আসে।
বয়স ও জেলা: কারা আবেদন করতে পারবেন
সাপোর্ট স্টাফের তিনটি পদের জন্যই সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর। বাংলাদেশের সকল জেলার প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন — কোনো জেলার জন্য আলাদা বরাদ্দ বা কোটার উল্লেখ নেই। নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন; "আয়া" পদটি নারী প্রার্থীদের জন্য বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক। আবেদনকারীকে অবশ্যই বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক হতে হবে।
৫০০ টাকা ফি: পে-অর্ডার করবেন যেভাবে
অনেকেই পে-অর্ডার নিয়ে ঘাবড়ে যান, কিন্তু প্রক্রিয়াটা সহজ:
যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখায় যান (সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী বা যেকোনো বেসরকারি তফসিলি ব্যাংক)।
কাউন্টারে বলুন "পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট"-এর অনুকূলে ৫০০ টাকার পে-অর্ডার করতে চান।
পে-অর্ডারের মূল কপি (রসিদ) সংগ্রহ করে আবেদনপত্রের সাথে পিন-আপ করে দিন।
মনে রাখবেন — ফটোকপি দিলে আবেদন বাতিল। ট্রেজারি চালানে ফি দেওয়ার সুযোগ এই নিয়োগে নেই, আর মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন পেমেন্টও চলবে না।
ডাকযোগে আবেদনের সম্পূর্ণ গাইড: ধাপে ধাপে
অনলাইন আবেদনে অভ্যস্ত প্রজন্মের জন্য ডাকযোগে আবেদন একটু ঝামেলার মনে হতে পারে। কিন্তু নিয়মগুলো একবার বুঝে নিলে কঠিন কিছু নয়:
ধাপ ১ — ফরম সংগ্রহ: বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত আবেদন ফরম ডাউনলোড করে A4 কাগজে প্রিন্ট করুন। সাদা কাগজে হাতে লেখা আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
ধাপ ২ — ফরম পূরণ: নাম, পিতা-মাতার নাম, জন্ম তারিখ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা, নিজ জেলা, শিক্ষাগত যোগ্যতা (এসএসসির বিস্তারিত), অভিজ্ঞতার বিবরণ ও সচল মোবাইল নম্বর — প্রতিটি ঘর এসএসসির সনদের সাথে মিলিয়ে নির্ভুলভাবে পূরণ করুন। নামের বানান ভুল হলে পরে বড় ঝামেলা।
ধাপ ৩ — কাগজপত্র সত্যায়ন: নিচের চেকলিস্টের প্রতিটি কাগজ প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তার (যেমন সরকারি কলেজের শিক্ষক, উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা) কাছ থেকে সত্যায়ন করিয়ে নিন। সত্যায়ন ছাড়া সাধারণ ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয়।
ধাপ ৪ — ছবি সংযুক্তি: সদ্য তোলা ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (ল্যাবপ্রিন্ট) সত্যায়ন করিয়ে ফরমের সাথে সংযুক্ত করুন।
ধাপ ৫ — পে-অর্ডার সংযুক্তি: ৫০০ টাকার পে-অর্ডারের মূল কপি আবেদনপত্রের সাথে পিন-আপ করুন।
ধাপ ৬ — খাম প্রস্তুত: খামের ওপরে স্পষ্ট অক্ষরে লিখুন — আবেদনকৃত পদের নাম (যেমন: ওয়ার্ড বয়/আয়া), বিজ্ঞপ্তির স্মারক নম্বর (বাশিহাই/প্রশাসন/২০২৬/২৯২৪) ও আপনার নিজ জেলার নাম।
ধাপ ৭ — পাঠিয়ে দিন: "পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা-১২০৭" ঠিকানায় রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠান, অথবা সরাসরি গিয়ে জমা দিন। রেজিস্ট্রি ডাকে রসিদ থাকে — হারিয়ে গেলে প্রমাণ থাকে, তাই সাধারণ ডাকের চেয়ে নিরাপদ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: ১৭ অক্টোবর বেলা ২টার মধ্যে আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে। পোস্ট করার তারিখ নয়, পৌঁছানোর তারিখই গণ্য হবে। ডাকে ২-৩ দিন লাগতে পারে — তাই শেষ মুহূর্তের অপেক্ষা না করে অন্তত ৩-৪ দিন আগেই পাঠিয়ে দিন।
যেসব কাগজপত্র লাগবে (চেকলিস্ট)
নির্ধারিত আবেদন ফরম (যথাযথভাবে পূরণকৃত)
এসএসসি সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি
অভিজ্ঞতার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি (ওয়ার্ড বয় ও এটেনডেন্ট পদের জন্য)
সদ্য তোলা ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (ল্যাবপ্রিন্ট, সত্যায়িত)
এনআইডি বা অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদের সত্যায়িত ফটোকপি
ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/পৌর মেয়র/কাউন্সিলর প্রদত্ত নাগরিকত্ব সনদপত্র
চাকরিরত হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র
মুক্তিযোদ্ধা পোষ্য হলে সংশ্লিষ্ট গেজেট ও MIS কপি
৫০০ টাকার পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফটের মূল কপি
যেসব ভুলে আবেদন বাতিল হয়: আগে থেকে সতর্ক হোন
ডাকযোগে আবেদনে প্রতিবছর অসংখ্য আবেদন বাতিল হয় ছোট ছোট ভুলে। এই তালিকাটা মিলিয়ে নিন:
শেষ দিনে পোস্ট করা: ডাক পৌঁছাতে দেরি হলে নির্ধারিত সময়ের পর পৌঁছানো আবেদন সরাসরি বাতিল।
খামে পদের নাম না লেখা: আবেদন সঠিক বিভাগে বাছাই না হয়ে হারিয়ে যেতে পারে।
সত্যায়ন ছাড়া ফটোকপি: সাধারণ ফটোকপি গ্রহণযোগ্য নয় — গেজেটেড কর্মকর্তার সত্যায়ন বাধ্যতামূলক।
পে-অর্ডারের ফটোকপি: মূল কপি না দিলে আবেদন বাতিল।
ভুল মাধ্যমে ফি: পে-অর্ডার/ব্যাংক ড্রাফট ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে ফি দিলে গ্রহণযোগ্য হবে না।
অসম্পূর্ণ বা মিথ্যা তথ্য: ধরা পড়লে প্রার্থিতা বাতিল, এমনকি নিয়োগের পরেও বাতিলের ক্ষমতা কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।
পরীক্ষা ও ভাইভার প্রস্তুতি
লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণরাই মৌখিক পরীক্ষায় ডাক পাবেন। পরীক্ষার তারিখ ও প্রবেশপত্রের তথ্য পরে ওয়েবসাইট ও SMS-এ জানানো হবে — আবেদনে দেওয়া মোবাইল নম্বর সবসময় সচল রাখুন।
২০তম গ্রেডের নিয়োগে সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞানভিত্তিক লিখিত পরীক্ষা হয় (আনুমানিক ধারণা — অফিশিয়াল সিলেবাসের জন্য অপেক্ষা করুন)। বিগত সালের সরকারি নিয়োগের প্রশ্নগুলো সমাধান করে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করুন — একই ধরনের প্রশ্ন বারবার আসে। ভাইভায় যাবেন সব মূল সনদ, এনআইডি ও নাগরিকত্ব সনদ নিয়ে। পরীক্ষায় অংশ নিতে কোনো টিএ/ডিএ দেওয়া হবে না।
একই বিজ্ঞপ্তির চিকিৎসকদের পদ (সংক্ষেপে)
একই দিনে প্রকাশিত প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে (স্মারক ২৯২৩) এমবিবিএস চিকিৎসকদের জন্য ৫০টি আবাসিক মেডিকেল অফিসার পদ আছে — ৯ম গ্রেডে (৪৪,০০০–১,০৫,৯০০ টাকা), ফি ২,০০০ টাকা, বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর। আপনার পরিচিত কোনো চিকিৎসক থাকলে তাকেও জানিয়ে দিন।
এসএসসি পাসে শিশু হাসপাতাল চাকরি: সচরাচর জিজ্ঞাসা
প্রশ্ন ১: ওয়ার্ড বয় পদে আবেদনের শেষ তারিখ কবে?
উত্তর: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার) বেলা ২টার মধ্যে আবেদনপত্র ঠিকানায় পৌঁছাতে হবে। তিনটি পদেরই একই শেষ তারিখ।
প্রশ্ন ২: শুধু এসএসসি পাসে কি সত্যিই আবেদন করা যাবে?
উত্তর: হ্যাঁ। ওয়ার্ড বয়/আয়া, পিয়ন ও এটেনডেন্ট — তিনটি পদেরই ন্যূনতম যোগ্যতা এসএসসি পাস। তবে ওয়ার্ড বয় পদে ১ বছর ও এটেনডেন্ট পদে ২ বছরের সংশ্লিষ্ট কাজের অভিজ্ঞতা লাগবে।
প্রশ্ন ৩: পিয়ন পদে কি অভিজ্ঞতা লাগবে?
উত্তর: না, পিয়ন (অফিস সহায়ক) পদে কোনো বাধ্যতামূলক অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়নি। তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে অগ্রাধিকার পাবেন।
প্রশ্ন ৪: আবেদন কি অনলাইনে করা যাবে?
উত্তর: না। শুধু ডাকযোগে বা সরাসরি আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে।
প্রশ্ন ৫: আবেদন ফরম কোথায় পাবো?
উত্তর: প্রতিষ্ঠানের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত ফরম ডাউনলোড করে A4 কাগজে প্রিন্ট করতে হবে।
প্রশ্ন ৬: পে-অর্ডার কোথা থেকে করবো?
উত্তর: দেশের যেকোনো তফসিলি ব্যাংকের শাখা থেকে "পরিচালক, বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট"-এর অনুকূলে ৫০০ টাকার পে-অর্ডার বা ব্যাংক ড্রাফট করতে হবে। মূল কপি আবেদনের সাথে দিতে হবে।
প্রশ্ন ৭: খামের ওপরে কী লিখতে হবে?
উত্তর: আবেদনকৃত পদের নাম, বিজ্ঞপ্তির স্মারক নম্বর ও আপনার নিজ জেলার নাম স্পষ্ট অক্ষরে লিখুন।
প্রশ্ন ৮: নারীরা কি ওয়ার্ড বয় পদে আবেদন করতে পারবেন?
উত্তর: হ্যাঁ। পদটির নাম "ওয়ার্ড বয়/আয়া" — নারী ও পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্ন ৯: বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল কি সরকারি?
উত্তর: হ্যাঁ, এটি সরকারি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। এই পদগুলো ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরি — জাতীয় বেতন স্কেল ও সরকারি সব সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
প্রশ্ন ১০: একাধিক পদে আবেদন করা যাবে?
উত্তর: বিজ্ঞপ্তিতে নিষেধ নেই, তবে প্রতিটি পদের জন্য আলাদা আবেদনপত্র, আলাদা পে-অর্ডার ও আলাদা খাম ব্যবহার করুন।
শেষ কথা
এসএসসি পাসে ৫৮টি সরকারি পদের এই সুযোগ বারবার আসে না। সবচেয়ে বড় শত্রু সময় — ডাকে পাঠাতে দেরি হলেই সব শেষ। আজই অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ফরম ডাউনলোড করে কাগজপত্র গোছানো শুরু করুন, আর আবেদনের আগে সার্কুলারের বিস্তারিত মিলিয়ে নিন। কোনো অমিল থাকলে অফিশিয়াল সার্কুলারের তথ্যই চূড়ান্ত। সতর্ক থাকুন — চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা চাওয়া মানেই প্রতারণা।
১৮
২৮ মন্তব্য