সহকারী শিক্ষক
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৯ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
NTRCA exam: ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিলেবাস
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) নবম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশ্ন প্রণেতারা মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক পদের (ভৌতবিজ্ঞান) জন্য ১৪০ নম্বরের জন্য ১৪০টি প্রশ্ন করবেন। ‘ক’ থেকে ‘এ’ পর্যন্ত দশটি ইউনিটের প্রতিটি ইউনিট থেকে কমপক্ষে আটটি প্রশ্ন প্রণয়ন করতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নের মান ১। সংশ্লিষ্ট বিষয়ের নোট প্রশ্নের ৪০ শতাংশ জ্ঞান, ৩০ শতাংশ অনুধাবন, ২০ শতাংশ প্রয়োগমূলক এবং ১০ শতাংশ উচ্চতর দক্ষতাসম্পন্ন (বিশ্লেষণ, সংশ্লেষণ ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত) প্রশ্ন থাকতে হবে।
ইউনিট ক (ভৌত রসায়ন)- ১. পদার্থের ধর্ম: গ্যাসীয়পদার্থের সূত্রসমূহ, আদর্শ গ্যাসের অবস্থার সমীকরণ, বাস্তব গ্যাসের অবস্থার সমীকরণ। ২. রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: একমুখী বিক্রিয়া, উভমুখী বিক্রিয়া, উভমুখী বিক্রিয়াকে একমুখী করা, রাসায়নিক সাম্যাবস্থা, সাম্যাবস্থার বৈশিষ্ট্য, অম্ল-ক্ষার সংক্রান্ত বিভিন্ন (আরহেনিয়াসের মতবাদ, প্রোটনীয় মতবাদ, লুইস মতবাদ) মতবাদ ও সীমাবদ্ধতা। ভর-ক্রিয়া সূত্র ও সাম্য ধ্রুবক, বিযোজন মাত্রা ও সাম্য ধ্রুবক, বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা সংক্রান্ত লা-শাটেলিয়ারের নীতি, pH, বাফার দ্রবণ। ৩. তড়িৎ রাসায়নিক কোষ: পরিবাহী, তড়িৎ বিশ্লেষা, তড়িৎদ্বার, তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ, পানি ও বিভিন্ন লবণের দ্রবণের তড়িৎ বিশ্লেষণ কৌশল, ইলেকট্রোপ্লেটিং, তড়িৎ বিশ্লেষণ সংক্রান্ত ফ্যারাডের প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র; গ্যালভানিক অর্ধকোষ, অর্ধকোষ বিক্রিয়া, কোষ বিক্রিয়া; কোষ, শুষ্ক কোষ, সঞ্চযী কোষ ও হাইড্রোজেন ফুয়েল কোষের গঠন, কোষ বিক্রিয়া ও ক্রিয়া কৌশল। ৪. তাপ রসায়ন: বন্ধন বিযোজন শক্তি, পরমাণুকরণ তাপ, দহন তাপ, প্রশমন তাপ, বিক্রিয়া তাপ, রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন, বন্ধন শক্তি ব্যবহার করে বিক্রিয়া তাপ নির্ণয়, রাসায়নিক বিক্রিয়া সংক্রান্ত হেসের সূত্র। ৫. রাসায়নিক গণনা:
মোল, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থ এবং দ্রবণের মোলার আয়তন, মোলার দ্রবণ, মোল সংখ্যা এবং আয়তন-ঘনমাত্রা সংক্রান্ত হিসাব, এসিড ও ক্ষারের প্রশমন বিক্রিয়ার পরিমাণ।
ইউনিট খ (অজৈব রসায়ন)- ১. পরমাণুর গঠন: পদার্থের মূল কণিকা, ডাল্টনের পরমাণুবাদ, রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল ও বোর পরমাণু মডেল এবং এ মডেলের সীমাবদ্ধতা; কোয়ান্টাম সংখ্যা, পলির বর্জন নীতি, ইলেকট্রন বিন্যাসের বিভিন্ন নীতি, অরবিটালে ইলেকট্রন বিন্যাস। ২. পর্যায় সারণি: মেন্ডেলিফ পর্যায় সূত্র ও আধুনিক পর্যায় সূত্র এবং এর সীমাবদ্ধতা, ইলেকট্রন বিন্যাস ও পর্যায় সারণিতে মৌলের অবস্থান, ইলেকট্রন বিন্যাস ও মৌলের শ্রেণিবিভাগ, ৪-ব্লক, p-রক, d-ব্লক ও f-ব্লক মৌলের সাধারণ ধর্মসমূহ; পর্যায়বৃত্ত ধর্মসমূহের (আয়নিকরণ শক্তি, ইলেকট্রন আসক্তি, তড়িৎঋণাত্মকতা, যোজ্যতা, ধাতব ধর্ম) বিশ্লেষণ। ৩. রাসায়নিক বন্ধন:
নিষ্ক্রিয় গ্যাস ও ইলেকট্রন বিন্যাসের স্থিতিশীলতা, অষ্টক তত্ত্ব, দ্বৈত তত্ত্ব, বিভিন্ন প্রকার রাসায়নিক বন্ধনের গঠন ও বৈশিষ্ট্য, মৌলের সমযোজ্যতা; পোলারিটি ও অণুর গঠন, পোলারায়ন সূত্র। ৪. জারণ-বিজারণ ও রাসায়নিক গণনা: জারণ-বিজারণের সনাতন ও আধুনিক মতবাদ, জারণ-বিজারণ একইসাথে ঘটে, জারক, বিজারক, জারণ সংখ্যা ও যোজ্যতা থেকে জারণ সংখ্যা নির্ণয়।
৫. ধাতু নিষ্কাশন: ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজ, খনিজ ও আকরিক, ধাতু নিষ্কাশনের বিভিন্ন ধাপ।
ধাতু বিশুদ্ধকরণ, ধাতুর তড়িৎ বিশোধন; সংকর ধাতু, ধাতুর ক্ষয়রোধ, ধাতুর পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ। ৬. তেজস্ক্রিয়তা: তেজস্ক্রিয় মৌল, তেজস্ক্রিয় রশ্মি ও তেজস্ক্রিয়তা, তেজস্ক্রিয় মৌলের অর্ধাযু ও গড় আয়ু; তেজস্ক্রিয় বিভাজন, নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া (ফিশন ও ফিউশন); তেজস্ক্রিয় আইসোটপের ব্যবহার।
ইউনিট গ (জৈব ও পরিবেশ রসায়ন)- (1.) জৈব রসায়ন: ১. জৈব যৌগের সাধারণ ধর্মাবলি:
সমগোত্রীয় শ্রেণি, কার্যকরীমূলক, জৈব যৌগের নামকরন; জৈব যৌগের রাসায়নিক বিক্রিয়া (প্রতিস্থাপন, সংযোজন, অপসারণ, পুনর্বিন্যাস বা সমরূপতাকরণ, পলিমারকরণ) ও তাদের কৌশল, জৈব যৌগের সমানুতা; জৈব যৌগের বিশুদ্ধতার মানদন্ড, পাতন, কেলাসন, আংশিক পাতন। ২. হাইড্রোকার্বন: হাইড্রোকার্বনের শ্রেণিবিভাগ, হাইড্রোকার্বনের (সম্পৃক্ত, অসম্পৃক্ত, অ্যালিসাইক্লিক এবং অ্যারোমেটিক) প্রস্তুতি, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম, বিক্রিয়ার কৌশল, সনাক্তকারী বিক্রিয়া ও ব্যবহার, অ্যালকিনের পলিমার প্রস্তুতি, ব্যবহার এবং এর সুবিধা-অসুবিধা।
অ্যারোমিটিসিটি, অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের (বেনজিন) গঠন, প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া ও বিক্রিয়ার কৌশল। ৩. অ্যালিফেটিক জৈব যৌগ: অ্যালকোহলের শ্রেণিবিভাগ ও সনাক্তকরণ; অ্যালকাইল হ্যালাইড, অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, জৈব এসিড এবং এন্টার এর সাধারণ প্রস্তুতি, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম, বিক্রিয়ার কৌশল, সনাক্তকারী বিক্রিয়া ও ব্যবহার।
(ii.) পরিবেশ রসায়ন: ১. পানি দূষণ: পানি দূষণের কারণ ও প্রতিকার, সারফেস ওয়াটারের বিশুদ্ধতার মানদন্ড (খরতা, pH, DO, BOD, COD), শিল্পবর্জ্যে পানি দূষণ, পানির প্রাকৃতিক দূষণ- আর্সেনিক দূষণ ও এর প্রভাব। ২. মাটি দূষণ: মাটি দূষণের উৎস, কারণ ও প্রতিকার, খাদ্য শৃঙ্খলে ভারি ধাতু (As, Cr. Pb, Cd) যুক্ত হওয়ার কারণ ও প্রভাব, শিল্পবর্জ্যে মাটি দূষণ। ৩. বায়ু দূষণ: বায়ু দূষণের উৎস, কারণ ও প্রতিকার, গ্রিন হাউস প্রভাব, এসিড বৃষ্টি ও এর কারণ।
ইউনিট ঘ (শিল্প রসায়ন): ১. পলিমার রসায়ন: পলিমার, উৎস ও প্রস্তুতির ভিত্তিতে পলিমারের শ্রেণিবিভাগ, পলিমারের (নাইলন-৬,৬; পিডিসি) প্রস্তুতি ও ব্যবহার। ২. ফার্মাসিউটিক্যাল রসায়ন: উল্লেখযোগ্য ঔষধের (প্যারাসিটামল, অ্যাসপিরিন, সালফানিলামাইড) পরিচয়, গঠন ও জীবন রক্ষায় ভূমিকা, সংশ্লেষণ ও প্রয়োগ। ৩. বিভিন্ন শিল্প: পেট্রোলিয়াম, তেল-চর্বি-মোম, ভিনেগার, টয়লেট ক্লিনার, গ্লাস ক্লিনার, সাবান, কাচ, কাগজ, সার (ইউরিয়া, টিএসপি, জৈব) প্রস্তুতি/পৃথকীকরণ ও ব্যবহার।
ইউনিট ঙ (রসায়নে আধুনিক প্রযুক্তি): ১. গুণগত রসায়ন: মৌল ও যৌগ সনাক্তকরণে বর্ণালি রেখা, ক্রোমাটোগ্রাফি। ২. পরিমাণগত রসায়ন: দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়ে বিয়ার ল্যাম্বার্ট সূত্রের ব্যবহার।
ইউনিট চ (বলবিদ্যা ও বস্তুর সাধারণ ধর্ম): ১. ভেক্টর: ভেক্টর ও স্কেলার রাশি, ভেক্টরের যোগ ও বিয়োগ, ডট গুণফল ও ক্রস গুণফল; ভেক্টরের বিভাজন ও এর প্রয়োগ। ২. গতিবিদ্যা ও নিউটনিয় বলবিদ্যা: পরম ও আপেক্ষিক গতি, প্রক্ষেপকের গতি, নিউটনের গতিসূত্রসমূহ, কৌণিক ভরবেগ, কেন্দ্রমুখী বল ও কেন্দ্রবিমুখী বা, জড়তার ভ্রামক, ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র ও সংঘর্ষ; ঘর্ষণ বল ও এর প্রয়োগ। ৩. কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি: কাজ ও শক্তির সার্বজনীন ধারণা, গতিশক্তি, বিভবশক্তি, শক্তির সংরক্ষণশীলতা নীতি, ক্ষমতা ও কর্মদক্ষতা। ৪. মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ: নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র, অভিকর্ষ ত্বরণ 'g' এর তারতম্য; মুক্তিবেগ ও কৃত্রিম উপগ্রহ এবং এ সম্পর্কিত গাণিতিক সমস্যাবলী। ৫. পদার্থের গাঠনিক ধর্ম: স্থিতিস্থাপকতা, বিকৃতি ও পীড়ন ও হুকের সূত্র; আর্কিমিডিসের সূত্র, ইয়ং এর গুনাঙ্ক নির্ণয়, সান্দ্রতা, স্টোকের সূত্র, পৃষ্ঠটান ও এর প্রয়োগ, পয়সনের অনুপাত।
ইউনিট ছ (তরঙ্গ ও শব্দ এবং তাপগতিবিদ্যা): ১. পর্যায়বৃত্তিক গতি: পর্যায়বৃত্ত গতি, সরল ছন্দিত গতি, সরল দোলক, সেকেন্ড দোলক, সরল দোলকের সাহায্যে g এর মান নির্ণয়, g এর মানের ভিন্নতার কারণ, সরল দোলন গতি ও বৃত্তাকার গতির সম্পর্ক। ২. তরঙ্গ ও শব্দ: তরঙ্গ ও শব্দ, শব্দ সঞ্চালনের কৌশল, শ্রাব্যতার সীমা, শ্রবণোত্তর শব্দের প্রয়োগ। তরঙ্গ ও শক্তি, তরঙ্গ বেগ, তরঙ্গের তীব্রতা, উপরিপাতন, বীট, শব্দের উৎপত্তি, শব্দের দ্রুতি, শব্দের প্রতিফলন, প্রতিধ্বনি ও ব্যবহারিক প্রয়োগ। কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের মধ্যে সম্পর্ক, অনুপ্রস্থ তরঙ্গ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ। ৩. তাপ ও তাপমাত্রা এবং ক্যালরিমিতি: তাপমাত্রার নির্দিষ্ট বিন্দু, তাপমাত্রা স্কেল, পরম তাপমাত্রা, পারদ থার্মোমিটার; ত্রৈধ বিন্দু, থার্মোকাপল, পদার্থের তাপজনিত প্রসারণ, গলন ও গলনাঙ্ক, গলনাঙ্কের উপর চাপের প্রভাব, পুন:শিলীভবন, স্ফুটন ও স্ফুটনাঙ্ক, স্ফুটনাঙ্কের উপর চাপের প্রভাব;
আপেক্ষিক তাপ, তাপধারণ ক্ষমতা, শিশিরাঙ্ক ও আপেক্ষিক আদ্রতা, তাপ গতিবিদ্যার প্রথম ও দ্বিতীয় সূত্র।
ইউনিট জ (আলোকবিজ্ঞান)- ১. জ্যামিতিক আলোকবিজ্ঞান: আলোর প্রতিফলন, আলোর প্রতিসরণ, প্রতিবিম্ব, প্রতিবিম্বের প্রকারভেদ, বাস্তব ও অবাস্তব বিশ্ব; দর্পন, দর্পনের প্রকারভেদ, লেন্স, লেন্সের ফোকাস দূরত্ব, পেলের রশ্মি চিত্র, লেন্স সংক্রান্ত রাশিসমূহ, পেলের সাধারণ সমীকরণ, বস্তুর দূরত্ব ও বিম্বের দূরত্বের মধ্যে সম্পর্ক, লেন্সের ক্রিয়া; গোলীয় দর্পনের ও লেন্সের প্রধান অক্ষের উপর লক্ষ্য বস্তুর বিভিন্ন অবস্থানের জন্য বিষের অবস্থান, প্রকৃতি ও আকৃতি নির্ণয়, লেন্সের ক্ষমতা, চিহ্নের প্রথা; প্রিজম, মৌলিক ও যৌগিক রঙ, প্রিজমে আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ, ফার্মাটের নীতি। ২. ভৌত আলোকবিজ্ঞান: তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ, তড়িত চৌম্বকীয় বর্ণালি, দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান বর্ণালী, তরঙ্গ ও তরসমুখ, হাইগেনের নীতি ও আলোর প্রতিফলন এবং প্রতিসরণ, আলোর ব্যতিচার, অপবর্তন, অপবর্তন গ্রেটিং, আলোর সমবর্তন।
ইউনিট ঝ (বিদ্যুৎ ও চুম্বকবিজ্ঞান)- ১. স্থির বিদ্যুৎ: চার্জের ধারণা, চার্জের সংরক্ষণ, তড়িৎ ক্ষেত্র, বলরেখা, বিভব, তড়িৎ দ্বিমেরু, ধারক ও ধারকত্ব সমান্তরাল পাত ধারক, গোলাকার পাত ধারক, ডাই ইলেকট্রিক ধ্রুবক; ধারকের শ্রেণি সংযোগ ও সমান্তরাল সংযোগ, ধারকের শক্তি ও ধারকের ব্যবহার, পারমিটিভিটি; তড়িৎ দ্বিপোল ও দ্বিপোল ভ্রামক কুলম্বের সূত্র, কুলম্বের সূত্র থেকে গাউসের সূত্র এবং গাউসের সূত্র থেকে কুলম্বের সূত্র। ২. চল বিদ্যুৎ: তড়িৎ প্রবাহ, প্রবাহ ঘনত্ব, রোধ ও এর সূত্র, রোধের উপর তাপমাত্রার প্রভাব, তড়িৎ কোষ ও রোধের সমবায়; জুলের সূত্র, তাপের যান্ত্রিক সমতা, তড়িৎ প্রবাহের কারণে উৎপন্ন তাপের হিসাব; জুলের সূত্র ও ব্যাখ্যা, তড়িৎ কোষের তড়িচ্চালক শক্তি, ওহমের সূত্র ও এর ব্যাখ্যা; কার্শফের সূত্র ও এর ব্যবহার, শান্ট, অ্যামিটার, ভোল্টমিটার, পটেনশিওমিটার ও গাণিতিক সমস্যা। ৩. তড়িৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়া ও চুম্বকত্ব: চুম্বক, চৌম্বক ক্ষেত্রের ধারণা, চৌম্বক পদার্থের শ্রেণিবিভাগ, স্থায়ী চুম্বক ও অস্থায়ী চুম্বকের ব্যবহার, ডায়া, প্যারা ও ফেরো চৌম্বক পদার্থ, চৌম্বক ডোমেইন, পৃথিবীর চৌম্বকত্ব; ওয়েরস্টেডের পরীক্ষা, তড়িৎ প্রবাহের ফলে সৃষ্ট চৌম্বক ক্ষেত্রের মান ও দিক নির্ণয়, চৌম্বক ফ্লাক্স, বিয়ো-স্যাভার্ট সূত্র, অ্যাম্পিয়ারের সূত্র, গতিশীল আধান, লরেঞ্জ বল, হল প্রভাব, গাণিতিক সমস্যা। ৪. তাড়িতচৌম্বকীয় আবেশ: তাড়িতচৌম্বকীয় আবেশ, ফ্যারাডের সূত্র ও এর পরীক্ষা, লেজের সূত্র ও শক্তির নিত্যতা, স্বকীয় আবেশ, পারস্পরিক আবেশ, দিক পরিবর্তী প্রবাহ সংক্রান্ত রাশি, দিক পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহের গড় মান; তড়িৎ মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মারের কার্যপ্রণালী, গাণিতিক সমস্যা।
ইউনিট ঞ (আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক্স): ১. আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান: রঞ্জন রশ্মির উৎপাদন, রঞ্জন রশির ধর্ম ও এর ব্যবহার, তেজস্ক্রিয়তা ও এর ক্ষয় সূত্র; আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব, ভর শক্তি সম্পর্ক, প্লাঙ্কের কালো বস্তুর বিকিরণ, ফটো-ইলেকট্রিক ক্রিয়া, ডি-ব্রগলির তরঙ্গ, কম্পটন প্রভাব, হাইসেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি। ২. ইলেকট্রনিক্স: সেমিকন্ডাক্টর, p-টাইপ ও ০-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর, বায়াসিং, হোল, গ্রাহক পরমাণু দাতা পরমাণু, ব্যান্ড তত্ত্ব, p-n জংশন ডায়োড, p-n জংশন ডায়োডের বৈশিষ্ট্য, ট্রানজিস্টর, রেক্টিফায়ার, অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার, পূর্ণতরঙ্গ রেক্টিফায়ার, ট্রানজিস্টর, ট্রানজিস্টরের শ্রেণিবিভাগ।
১৮
২৮ মন্তব্য