সহকারী অধ্যাপক
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:২৫ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কবে ২০২৭ | CU Admission Test Date 2027
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কবে ২০২৭ | CU Admission Test Date 2027
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (CU / চবি)-এর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০২৬ সালের ২৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে শুরু হচ্ছে চবির ভর্তি পরীক্ষা। প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হবে সি ইউনিটের পরীক্ষা। অনলাইন আবেদন শুরু হবে ১৫ নভেম্বর ২০২৬ থেকে, চলবে ১০ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত।
নিচের এই লেখায় তুমি একসাথে পাবে—ইউনিটভিত্তিক পরীক্ষার তারিখের পূর্ণ টেবিল, আবেদনের যোগ্যতা, আবেদন ফি, কীভাবে অনলাইনে আবেদন করবে, এডমিট কার্ড ও সিট প্ল্যান, পরীক্ষার ধরন ও নম্বর বণ্টন, রেজাল্ট দেখার নিয়ম এবং প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের উত্তর। পড়া শেষ হলে আর অন্য কোথাও খোঁজার দরকার পড়বে না।
চবি ভর্তি পরীক্ষার ইউনিটভিত্তিক তারিখ ২০২৭ (CU Admission Test Schedule)
চবি কর্তৃপক্ষ ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখ অনুযায়ী প্রতিটি ইউনিট ও উপ-ইউনিটের পরীক্ষা হবে নিচের দিনগুলোতে:
ইউনিট | পরীক্ষার তারিখ | বার |
সি (C) ইউনিট | ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ | শুক্রবার |
এ (A) ইউনিট | ৩০ জানুয়ারি ২০২৭ | শনিবার |
বি-১ (B1) উপ-ইউনিট | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ | বুধবার |
বি-২ (B2) উপ-ইউনিট | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ | বৃহস্পতিবার |
বি (B) ইউনিট | ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ | শুক্রবার |
ডি (D) ইউনিট | ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ | শনিবার |
ডি-১ (D1) উপ-ইউনিট | ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ | সোমবার |
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রেখো: উপরের তারিখগুলো এখনো "সম্ভাব্য" (tentative) হিসেবে ঘোষিত। চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় এগুলোতে পরিবর্তন আসতে পারে। তাই চূড়ান্ত তারিখের জন্য অবশ্যই চবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে চোখ রাখো।
চবি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৭-এ যা যা থাকবে
ভর্তি পরীক্ষার চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি (prospectus) প্রকাশিত হলে সেখানে নিচের সব তথ্য বিস্তারিতভাবে পাবে। সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণার পর চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিই হবে তোমার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র:
প্রতিটি ইউনিট ও উপ-ইউনিটের চূড়ান্ত পরীক্ষার তারিখ ও সময়
ইউনিটভিত্তিক আসন সংখ্যা ও কোটাভিত্তিক আসন বণ্টন
বিস্তারিত আবেদনযোগ্যতা, বিভাগভিত্তিক শর্ত ও বিশেষ নির্দেশনা
ইউনিটপ্রতি আবেদন ফির পরিমাণ ও পেমেন্ট পদ্ধতি
এডমিট কার্ড ডাউনলোড, সিট প্ল্যান ও পরীক্ষাকেন্দ্র-সংক্রান্ত নির্দেশনা
পরীক্ষার সিলেবাস, নম্বর বণ্টন ও নেগেটিভ মার্কিং নীতি
ফলাফল প্রকাশ, মেধা তালিকা ও ভর্তির সময়সূচি
চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি সাধারণত অনলাইন আবেদন শুরুর আগেই বা আবেদন চলাকালীন প্রকাশ করা হয়। কোনো ফেসবুক পেজ বা থার্ড-পার্টি সাইটের তথ্যে ভরসা না করে সবসময় admission.cu.ac.bd ও চবির অফিসিয়াল নোটিশকেই চূড়ান্ত ধরো।
সেকেন্ড টাইমারদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা (CU Second Timer)
এবারের ভর্তি প্রক্রিয়ায় দ্বিতীয়বারের পরীক্ষার্থীদেরও অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে—এটি অনেকের জন্য বড় স্বস্তির খবর। ২০২৩ সালে এসএসসি ও ২০২৫ সালে এইচএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরা second timer হিসেবে আবেদন করতে পারবে, যদি ইউনিটভিত্তিক জিপিএ শর্ত পূরণ হয়। তবে মনে রেখো, চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে second timer-দের জন্য কোনো অতিরিক্ত শর্ত বা নম্বর কর্তনের নিয়ম থাকলে সেটা সেখানেই স্পষ্ট করা হবে—আগে থেকে অনুমান করে সিদ্ধান্ত নিও না। প্রথমবারের প্রস্তুতির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দুর্বল টপিকগুলোতে এবার বাড়তি জোর দাও; অনেক second timer-ই দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ভালো বিভাগে চান্স পায়।
পরীক্ষা কোথায় হবে? (Exam Center)
অন্যান্য বছরের মতো এবারও তিনটি বিভাগীয় শহরে একই তারিখ ও সময়ে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে—চট্টগ্রাম (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস), ঢাকা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস) এবং রাজশাহী (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস)। তবে মনে রেখো, বি-১, বি-২ এবং ডি-১—এই তিনটি উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধুমাত্র চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই হবে। অন্য শহর থেকে পরীক্ষা দিতে চাইলে আবেদনের সময় নিজের পছন্দের পরীক্ষাকেন্দ্র বেছে নিতে হবে।
আবেদনের সময়সীমা ও ফি (CU Admission Application 2026)
অনলাইনে আবেদন শুরু: ১৫ নভেম্বর ২০২৬
অনলাইনে আবেদন শেষ: ১০ ডিসেম্বর ২০২৬
আবেদনের ওয়েবসাইট: admission.cu.ac.bd
আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনে করা যাবে—কোনো অফলাইন বা ডাকযোগে আবেদনের ব্যবস্থা নেই। নির্ধারিত সময়ের পর আবেদনের সুযোগ দেওয়া হয় না, তাই শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা না করে আগেভাগে আবেদন করে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ। চবির ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২৭-এ ইউনিটপ্রতি নির্ধারিত আবেদন ফি-র অঙ্ক প্রকাশিত হবে; চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি হাতে পেলেই ফি-র পরিমাণ ও পেমেন্ট পদ্ধতি (বিকাশ, নগদ, রকেট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ইত্যাদি) জেনে নাও।
আবেদনের যোগ্যতা (CU Admission Eligibility 2027)
যারা ২০২৩ বা ২০২৪ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২৫ বা ২০২৬ সালে এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তারা বাংলাদেশের যেকোনো শিক্ষা বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ হিসেবে ইউনিটভিত্তিক যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে। এবার দ্বিতীয়বারের পরীক্ষার্থীদেরও (second timer) ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এ (A) ইউনিট — বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ
এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০
এসএসসিতে কমপক্ষে ৪.০০ ও এইচএসসিতে কমপক্ষে ৩.০০
বিজ্ঞান বা কৃষিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হতে হবে
বি (B) ইউনিট — কলা ও মানবিক অনুষদ (B1 ও B2 ব্যতীত)
মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য:
মোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.৫০
এসএসসিতে কমপক্ষে ৩.০০ ও এইচএসসিতে কমপক্ষে ২.৫০
বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য:
মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০
এসএসসিতে কমপক্ষে ৩.৫০ ও এইচএসসিতে কমপক্ষে ৩.০০
বি-১ (B1) উপ-ইউনিট — নাট্যকলা, চারুকলা ইনস্টিটিউট, সংগীত বিভাগ
বি ইউনিটের যোগ্যতার মতোই প্রযোজ্য
বি-২ (B2) উপ-ইউনিট — আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, পালি
বি ইউনিটের যোগ্যতার মতোই প্রযোজ্য
সি (C) ইউনিট — ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ
বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য:
মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.৫০
এসএসসিতে কমপক্ষে ৩.৫০ ও এইচএসসিতে কমপক্ষে ৩.০০
মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য:
মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০
এসএসসিতে কমপক্ষে ৩.৫০ ও এইচএসসিতে কমপক্ষে ৩.০০
ডি (D) ইউনিট — সমাজবিজ্ঞান, আইন, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা, মনোবিজ্ঞান
মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.৫০
এসএসসিতে কমপক্ষে ৩.৫০ ও এইচএসসিতে কমপক্ষে ৩.০০
ডি-১ (D1) উপ-ইউনিট — শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান
মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.৫০
এসএসসিতে কমপক্ষে ২.৫০ ও এইচএসসিতে কমপক্ষে ২.০০
যেভাবে অনলাইনে আবেদন করবে (CU Admission Apply Process)
প্রথমে admission.cu.ac.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে "Apply" বা আবেদন অপশনে ক্লিক করো।
নিজের এইচএসসি রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ড ও পাশের সন দিয়ে প্রাথমিক তথ্য দাও।
এসএসসি-এইচএসসির তথ্য মিলে গেলে একটি আবেদন আইডি ও পাসওয়ার্ড পাবে—সেটা যত্নে সংরক্ষণ করো।
ব্যক্তিগত তথ্য, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও পছন্দের পরীক্ষাকেন্দ্র পূরণ করো।
নির্ধারিত মাপের পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করো।
কাঙ্ক্ষিত ইউনিট/ইউনিটগুলো সিলেক্ট করে আবেদন ফি মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করো।
পেমেন্ট কনফার্ম হলে আবেদন সম্পন্ন—আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি বা পিডিএফ সংরক্ষণ করে রাখো।
এডমিট কার্ড ও সিট প্ল্যান (CU Admit Card & Seat Plan)
পরীক্ষার কয়েকদিন আগে চবির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এডমিট কার্ড ডাউনলোডের নোটিশ দেওয়া হয়। আবেদনের সময় পাওয়া আবেদন আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে এডমিট কার্ড ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে নাও। এডমিট কার্ডে তোমার নাম, রোল নম্বর, পরীক্ষার তারিখ, সময়, কেন্দ্র ও কক্ষ নম্বর লেখা থাকবে। পরীক্ষার হলে অবশ্যই এডমিট কার্ডের প্রিন্ট কপি সঙ্গে নিয়ে যাবে—এটা ছাড়া হলে ঢুকতে পারবে না।
সিট প্ল্যান সাধারণত পরীক্ষার ২-৩ দিন আগে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। নিজের রোল নম্বর অনুযায়ী কেন্দ্র, ভবন ও কক্ষ নম্বর আগেভাগে জেনে নিলে পরীক্ষার দিন ঝামেলা এড়ানো যায়।
পরীক্ষার ধরন ও নম্বর বণ্টন (CU Exam Pattern & Marks Distribution)
চবির ভর্তি পরীক্ষা হবে MCQ (বহুনির্বাচনী) পদ্ধতিতে, মোট ১০০ নম্বরের। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে (নেগেটিভ মার্কিং)। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। নিচে ইউনিটভিত্তিক বিষয় ও নম্বর বণ্টন দেওয়া হলো:
এ (A) ইউনিট
বিষয় | নম্বর |
ইংরেজি | ২৫ |
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, জীববিজ্ঞান—যেকোনো ৩টি | ২৫ × ৩ = ৭৫ |
মোট | ১০০ |
পাস নম্বর: ৪০
বি (B) ইউনিট
বিষয় | নম্বর |
বাংলা / ঐচ্ছিক ইংরেজি | ৩০ |
ইংরেজি | ৩০ |
সাধারণ জ্ঞান | ৪০ |
মোট | ১০০ |
বি-১ (B1) উপ-ইউনিট
বিষয় | নম্বর |
বাংলা / ঐচ্ছিক ইংরেজি | ২৫ |
ইংরেজি | ২৫ |
সাধারণ জ্ঞান | ৫০ |
মোট | ১০০ |
বি-২ (B2) উপ-ইউনিট
বিষয় | নম্বর |
বাংলা / ঐচ্ছিক ইংরেজি | ২০ |
ইংরেজি | ২০ |
আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, পালি, সাধারণ জ্ঞান—যেকোনো ২টির উত্তর | ৩০ × ২ = ৬০ |
মোট | ১০০ |
সি (C) ইউনিট
বিষয় | নম্বর |
ইংরেজি ভাষা যোগাযোগ দক্ষতা (English Language Communication Skills) | ৪০ |
বিশ্লেষণী দক্ষতা (Analytical Skills) | ৩০ |
সমস্যা সমাধান দক্ষতা (Problem-Solving Skills) | ৩০ |
মোট | ১০০ |
ডি (D) ইউনিট
বিষয় | নম্বর |
বাংলা / ঐচ্ছিক ইংরেজি | ৩০ |
ইংরেজি | ৩০ |
বিশ্লেষণী দক্ষতা (Analytical Skills) | ২০ |
সাধারণ জ্ঞান / গণিত / অর্থনীতি | ২০ |
মোট | ১০০ |
পাস নম্বর: ৪০
ডি-১ (D1) উপ-ইউনিট
বিষয় | নম্বর |
বাংলা / ঐচ্ছিক ইংরেজি | ৩০ |
ইংরেজি | ৩০ |
সাধারণ জ্ঞান | ২৫ |
খেলাধুলার নীতিমালা (Principles of Games & Sports) | ১৫ |
মোট | ১০০ |
পাস নম্বর: ৩৫
প্রস্তুতির জন্য জরুরি টিপস
সিলেবাসে ফোকাস: এ ও সি ইউনিটে ইংরেজির ওপর বিশেষ জোর দাও—এ ইউনিটে ২৫ আর সি ইউনিটে ৪০ নম্বরই ইংরেজি-কেন্দ্রিক।
বিগত বছরের প্রশ্ন: চবির বিগত ৫-১০ বছরের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করো; প্রশ্নের প্যাটার্ন অনেকটাই পুনরাবৃত্তিমূলক।
নেগেটিভ মার্কিং মাথায় রেখে: অনুমান করে উত্তর দেওয়ার আগে দুবার ভাবো—প্রতিটি ভুলে ০.২৫ নম্বর কাটা যায়।
সাধারণ জ্ঞানে সাম্প্রতিক ঘটনা: বি ও ডি ইউনিটে সাম্প্রতিক জাতীয়-আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি থেকে প্রশ্ন আসে নিয়মিত।
সময় ব্যবস্থাপনা: ১ ঘণ্টায় ১০০টি MCQ মানে প্রতি প্রশ্নে গড়ে ৩৬ সেকেন্ড—মডেল টেস্টে টাইম ধরে প্র্যাকটিস করো।
রেজাল্ট যেভাবে দেখবে (CU Admission Result)
পরীক্ষা শেষে চবি কর্তৃপক্ষ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ইউনিটভিত্তিক মেধা তালিকা (merit list) প্রকাশ করে। ভর্তি রোল নম্বর দিয়ে রেজাল্ট দেখা যায়। মেধা তালিকায় নাম এলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়—দেরি করলে আসন বাতিল হতে পারে। পরীক্ষার পরপরই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে চোখ রাখো, কারণ রেজাল্ট সাধারণত পরীক্ষার কয়েকদিনের মধ্যেই প্রকাশিত হয়।
মেধা তালিকা, অপেক্ষমাণ তালিকা ও ভর্তি
ফলাফলে সাধারণত তিনটি তালিকা থাকে: মেধা তালিকা, অপেক্ষমাণ তালিকা (waiting list) এবং কোটার তালিকা। মেধা তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ভর্তি নিশ্চিত করতে হয়; কেউ ভর্তি না হলে বা আসন খালি থাকলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ডাকা হয়। ভর্তির সময় এসএসসি-এইচএসসির মূল সনদপত্র, নম্বরপত্র, ছবি ও অন্যান্য কাগজপত্র সঙ্গে নিতে হয়—চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কাগজপত্রের পূর্ণ তালিকা দেওয়া থাকবে। ভর্তি ফি ও সেমিস্টার ফি-সংক্রান্ত তথ্যও ভর্তি নোটিশে পাবে।
প্রশ্ন ১৩: বি-১ উপ-ইউনিটে কি ব্যবহারিক পরীক্ষা হয়?
উত্তর: বি-১-এর অন্তর্ভুক্ত নাট্যকলা, চারুকলা ও সংগীত বিভাগে লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা যাচাইয়ের বিধান চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ থাকতে পারে—বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর নিশ্চিত হয়ে নাও।
প্রশ্ন ১৪: আবেদনে ভুল তথ্য দিলে সংশোধন করা যাবে কি?
উত্তর: সাধারণত পেমেন্টের আগে আবেদন সম্পাদনা করা যায়; পেমেন্টের পর সংশোধনের সুযোগ সীমিত থাকে। তাই সাবমিটের আগে প্রতিটি তথ্য দুবার মিলিয়ে নাও।
প্রশ্ন ১৫: পরীক্ষাকেন্দ্র কি পরে পরিবর্তন করা যায়?
উত্তর: আবেদনের সময় পছন্দের কেন্দ্র (চট্টগ্রাম/ঢাকা/রাজশাহী) বেছে নিতে হয়। চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্র পরিবর্তনের নিয়ম থাকলে সেটাই প্রযোজ্য হবে—আগে থেকে নিশ্চিত করে কেন্দ্র বাছাই করাই ভালো।
কোন ইউনিটে কোন অনুষদ ও বিভাগ (CU Units & Faculties)
তোমার এইচএসসি গ্রুপ ও পছন্দের বিষয় অনুযায়ী কোন ইউনিটে আবেদন করবে, সেটা বোঝার জন্য নিচের টেবিলটা দেখো:
ইউনিট | অন্তর্ভুক্ত অনুষদ ও বিভাগ | কারা আবেদন করতে পারবে |
এ (A) | বিজ্ঞান অনুষদ, জীববিজ্ঞান অনুষদ, প্রকৌশল অনুষদ, মেরিন সায়েন্সেস অ্যান্ড ফিশারিজ অনুষদ | বিজ্ঞান/কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ |
বি (B) | কলা ও মানবিক অনুষদ (B1 ও B2 বহির্ভূত সকল বিভাগ) | সকল বিভাগ (যোগ্যতা অনুযায়ী) |
বি-১ (B1) | নাট্যকলা, চারুকলা ইনস্টিটিউট, সংগীত বিভাগ | সকল বিভাগ (যোগ্যতা অনুযায়ী) |
বি-২ (B2) | আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, পালি | সকল বিভাগ (যোগ্যতা অনুযায়ী) |
সি (C) | ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ | সকল বিভাগ (যোগ্যতা অনুযায়ী) |
ডি (D) | সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, আইন অনুষদ, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ, মনোবিজ্ঞান বিভাগ | সকল বিভাগ (যোগ্যতা অনুযায়ী) |
ডি-১ (D1) | শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগ (শিক্ষা অনুষদ) | সকল বিভাগ (যোগ্যতা অনুযায়ী) |
বি ইউনিট থেকে সরে গিয়ে বি-১ বা বি-২-এ আবেদন করলে মনে রেখো—এগুলো বিশেষায়িত উপ-ইউনিট; B1-এ ভর্তি হলে চারুকলা/নাট্যকলা/সংগীত-সংক্রান্ত ব্যবহারিক দক্ষতাও যাচাই হতে পারে। D1-এ শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞানের জন্য খেলাধুলা-বিষয়ক জ্ঞান থাকা জরুরি, কারণ ১৫ নম্বরই Principles of Games & Sports অংশে।
আবেদনের জন্য যা যা লাগবে (Document Checklist)
আবেদন করার আগে নিচের জিনিসগুলো হাতের কাছে গুছিয়ে রাখো, যাতে আবেদনের সময় আটকে না যাও:
এইচএসসি ও এসএসসির রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বোর্ডের নাম ও পাশের সন
নিজের সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (নির্ধারিত মাপ ও ফরম্যাটে)
স্বাক্ষরের স্ক্যান কপি (সাদা কাগজে কালো কালিতে)
সচল মোবাইল নম্বর—আবেদন আইডি, পাসওয়ার্ড ও পেমেন্ট সংক্রান্ত SMS এতে আসবে
মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ/রকেট) অ্যাকাউন্ট বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড—ফি পরিশোধের জন্য
একটি ইমেইল ঠিকানা (ঐচ্ছিক হলেও রাখা ভালো)
ছবি ও স্বাক্ষর আপলোডে সতর্ক থাকো—অস্পষ্ট বা ভুল মাপের ছবির কারণে আবেদন বাতিল পর্যন্ত হতে পারে। চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তিতে ছবির মাপ, ফাইল সাইজ ও ফরম্যাটের বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া থাকবে।
ইউনিটভিত্তিক প্রস্তুতি গাইড (CU Admission Preparation)
এ ইউনিট (বিজ্ঞান) প্রস্তুতি
এ ইউনিটের ১০০ নম্বরের মধ্যে ৭৫-ই তোমার পছন্দের তিনটি বিষয় থেকে—পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত ও জীববিজ্ঞানের মধ্যে যেকোনো তিনটি। বাকি ২৫ নম্বর ইংরেজিতে। কৌশল: যে তিনটি বিষয়ে তুমি সবচেয়ে শক্তিশালী, সেগুলো বেছে নাও এবং এইচএসসি বোর্ড বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের মূল ধারণা (concept) ঝালিয়ে নাও। ইংরেজি অংশে গ্রামার, ভোকাবুলারি ও কমপ্রিহেনশন—তিনটিই সমান গুরুত্বপূর্ণ। বিগত বছরের প্রশ্ন দেখলে বুঝবে, ফর্মুলা-ভিত্তিক সরাসরি প্রশ্নের পাশাপাশি ধারণাভিত্তিক প্রশ্নও আসে।
বি ও বি-১ ইউনিট প্রস্তুতি
বাংলা, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান—তিনটি অংশেই সমান নজর দাও। বাংলায় ব্যাকরণ (সন্ধি, সমাস, কারক, প্রকৃতি-প্রত্যয়) ও সাহিত্য (কবি-লেখক পরিচিতি, বিখ্যাত রচনা) দুটোই আসে। ইংরেজিতে ভোকাবুলারি ও গ্রামার-ভিত্তিক প্রশ্ন বেশি থাকে। সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক ঘটনা, সাম্প্রতিক খবর ও মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক প্রশ্নে জোর দাও।
বি-২ উপ-ইউনিট প্রস্তুতি
এখানে ৬০ নম্বরই আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ, পালি ও সাধারণ জ্ঞানের যেকোনো দুটি বিষয় থেকে—তাই মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বিশেষ সুবিধাজনক। নিজের শক্তিশালী দুটি বিষয় আগেই ঠিক করে নিয়ে সেগুলোতে গভীর প্রস্তুতি নাও।
সি ইউনিট (ব্যবসায় প্রশাসন) প্রস্তুতি
সি ইউনিটের প্রশ্নপত্র অন্যান্য ইউনিট থেকে আলাদা—এখানে মুখস্থবিদ্যার চেয়ে দক্ষতা যাচাই হয়। English Language Communication Skills-এ ৪০ নম্বর, Analytical Skills-এ ৩০ এবং Problem-Solving Skills-এ ৩০। ইংরেজি কমিউনিকেশনে দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত ইংরেজি প্যাসেজ পড়া ও প্রশ্নোত্তর চর্চা করো। অ্যানালিটিক্যাল ও প্রবলেম-সলভিং অংশের জন্য লজিক্যাল রিজনিং, ডাটা ইন্টারপ্রিটেশন ও ম্যাথমেটিক্যাল অ্যাপটিটিউডের প্রশ্ন নিয়মিত সমাধান করো।
ডি ও ডি-১ ইউনিট প্রস্তুতি
ডি ইউনিটে বাংলা/ঐচ্ছিক ইংরেজি ৩০, ইংরেজি ৩০, অ্যানালিটিক্যাল স্কিলস ২০ এবং সাধারণ জ্ঞান/গণিত/অর্থনীতি ২০—মোট ১০০। এই ইউনিটে আইন অনুষদসহ সমাজবিজ্ঞানের জনপ্রিয় বিভাগগুলো থাকায় প্রতিযোগিতা বেশি হয়। অ্যানালিটিক্যাল অংশে ভালো করতে লজিক-ভিত্তিক প্রশ্নের নিয়মিত চর্চা জরুরি। ডি-১-এর জন্য সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি খেলাধুলার ইতিহাস, নিয়মকানুন ও বাংলাদেশের ক্রীড়া অর্জন সম্পর্কে পড়ো।
মডেল টেস্ট ও সময় ব্যবস্থাপনা
চবির ভর্তি পরীক্ষা ১ ঘণ্টায় ১০০টি MCQ—অর্থাৎ প্রতি প্রশ্নে গড়ে মাত্র ৩৬ সেকেন্ড। এত কম সময়ে ভালো করতে হলে নিয়মিত মডেল টেস্টের বিকল্প নেই। প্রতি সপ্তাহে অন্তত ২-৩টি পূর্ণাঙ্গ মডেল টেস্ট দাও, টাইমার ধরে। প্রতিটি টেস্টের পর ভুলগুলো বিশ্লেষণ করো—কোন টপিকে বারবার ভুল হচ্ছে, সেটাই তোমার দুর্বল জায়গা। নেগেটিভ মার্কিংয়ের কারণে ৫০-৫০ সম্ভাবনার প্রশ্নে অনুমান করে উত্তর দেওয়ার আগে ঝুঁকি-লাভ হিসাব করে নাও।
পরীক্ষার দিনের করণীয়
পরীক্ষার অন্তত ১ ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছে যাও—সিট প্ল্যান অনুযায়ী নিজের কক্ষ খুঁজে নাও।
এডমিট কার্ডের প্রিন্ট কপি, কালো বলপেন ও প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখো।
মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, স্মার্টওয়াচ বা যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস হলে নেওয়া নিষেধ—এগুলো বাসায় রেখে যাওয়াই নিরাপদ।
OMR শিটে রোল নম্বর ও সেট কোড খুব সাবধানে পূরণ করো—একটি ভুলে পুরো খাতা বাতিল হতে পারে।
প্রথমে সহজ ও নিশ্চিত প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও, কঠিনগুলো পরে; শেষ ৫ মিনিট রিভিশনের জন্য রাখো।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQs)
প্রশ্ন ১: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কবে ২০২৭?
উত্তর: ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখ অনুযায়ী ২৯ জানুয়ারি ২০২৭ (সি ইউনিট) থেকে শুরু। এ ইউনিট ৩০ জানুয়ারি, বি-১ ৩ ফেব্রুয়ারি, বি-২ ৪ ফেব্রুয়ারি, বি ৫ ফেব্রুয়ারি, ডি ৬ ফেব্রুয়ারি এবং ডি-১ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭।
প্রশ্ন ২: চবি ভর্তি আবেদন ২০২৬ কবে শুরু ও শেষ?
উত্তর: অনলাইন আবেদন শুরু ১৫ নভেম্বর ২০২৬, শেষ ১০ ডিসেম্বর ২০২৬। আবেদন করতে হবে admission.cu.ac.bd ওয়েবসাইটে।
প্রশ্ন ৩: চবি ভর্তি পরীক্ষা কি শুধু চট্টগ্রামে হবে?
উত্তর: না। এ, বি, সি ও ডি ইউনিটের পরীক্ষা চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহী—এই তিন শহরে একযোগে হবে। তবে বি-১, বি-২ ও ডি-১ উপ-ইউনিটের পরীক্ষা শুধুমাত্র চবি ক্যাম্পাসে হবে।
প্রশ্ন ৪: চবি ভর্তি পরীক্ষায় নেগেটিভ মার্কিং আছে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।
প্রশ্ন ৫: দ্বিতীয়বারের পরীক্ষার্থীরা (second timer) কি আবেদন করতে পারবে?
উত্তর: হ্যাঁ। ২০২৩ বা ২০২৪ সালে এসএসসি এবং ২০২৫ বা ২০২৬ সালে এইচএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরা ইউনিটভিত্তিক যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবে, ফলে second timer-দের সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্ন ৬: চবির এ ইউনিটে আবেদনের যোগ্যতা কী?
উত্তর: বিজ্ঞান/কৃষিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি মিলিয়ে মোট জিপিএ ৮.০০ (এসএসসিতে ৪.০০ ও এইচএসসিতে ৩.০০ সহ)।
প্রশ্ন ৭: বি-১ উপ-ইউনিটে কোন কোন বিভাগ আছে?
উত্তর: নাট্যকলা, চারুকলা ইনস্টিটিউট ও সংগীত বিভাগ—এই তিনটি বি-১ উপ-ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত।
প্রশ্ন ৮: চবি ভর্তি পরীক্ষার পাস নম্বর কত?
উত্তর: এ ইউনিটে ৪০, ডি ইউনিটে ৪০ এবং ডি-১ উপ-ইউনিটে ৩৫।
প্রশ্ন ৯: এডমিট কার্ড কখন পাওয়া যাবে?
উত্তর: পরীক্ষার কয়েকদিন আগে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে এডমিট কার্ড ডাউনলোডের নোটিশ দেওয়া হয়; আবেদন আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে হবে।
প্রশ্ন ১০: একাধিক ইউনিটে আবেদন করা যাবে কি?
উত্তর: হ্যাঁ, যোগ্যতা থাকলে একাধিক ইউনিটে আলাদা আলাদা আবেদন করা যায়—প্রতিটি ইউনিটের জন্য আলাদা আবেদন ও ফি প্রযোজ্য।
প্রশ্ন ১১: চবি ভর্তি আবেদন ফি কত?
উত্তর: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ইউনিটপ্রতি আবেদন ফির অঙ্ক চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত হবে। ফি ও পেমেন্ট পদ্ধতি জানতে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির জন্য অপেক্ষা করো।
প্রশ্ন ১২: মোট আসন সংখ্যা কত?
উত্তর: ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ইউনিটভিত্তিক আসন সংখ্যা চূড়ান্ত ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করা হবে।
শেষ কথা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা হয়ে গেছে—এখন প্রস্তুতির সময়। মনে রেখো, তারিখগুলো এখনো চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি দ্বারা নিশ্চিত নয়; তাই নিয়মিত অফিসিয়াল নোটিশ দেখো এবং আগেভাগে আবেদন সম্পন্ন করে প্রস্তুতিতে মন দাও। সবার জন্য শুভকামনা—স্বপ্নের চবি ক্যাম্পাসে দেখা হোক!
১৮
২৯ মন্তব্য