সহকারী প্রধান শিক্ষক
১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজয়া দশমী ২০২৬: তারিখ, বিসর্জন ও শুভেচ্ছা | Bijaya Dashami 2026
বিজয়া দশমী ২০২৬: তারিখ, বিসর্জন ও শুভেচ্ছা | Bijaya Dashami 2026
দুর্গাপূজার পাঁচটা দিন কেমন করে যেন চোখের পলকে ফুরিয়ে যায়। ষষ্ঠীর বোধন আর আমন্ত্রণ-অধিবাস, সপ্তমীর নবপত্রিকা স্নান, অষ্টমীর পুষ্পাঞ্জলি আর সন্ধিপূজা, নবমীর হোমযজ্ঞ — আর তারপরেই আসে দশমী। বিজয়া দশমী মানেই বিদায়ের সুর। এই একটা দিনে আনন্দ আর বিষাদ পাশাপাশি বসে থাকে — একদিকে অশুভ শক্তির ওপর শুভের বিজয়ের উল্লাস, অন্যদিকে মা দুর্গাকে বিদায় জানানোর বেদনা।
২০২৬ সালে বিজয়া দশমী পড়েছে ২১ অক্টোবর, বুধবার। বাংলাদেশে এই দিনটি সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়, ফলে সারা দেশের পূজামণ্ডপগুলোতে সকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় থাকে। যারা শুভ বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানাতে চান, কিংবা বিজয়া দশমী ২০২৬ বাংলাদেশে কবে ও কীভাবে পালিত হবে জানতে চান — তাদের জন্য এই পোস্টে রইল তারিখ, তিথির ব্যাখ্যা, দশমীর পৌরাণিক তাৎপর্য, সিঁদুর খেলা ও বিসর্জনের নিয়ম, প্রণাম-কোলাকুলির রীতি এবং কপি করে পাঠানোর মতো ২৪টি শুভেচ্ছা বার্তা।
বিজয়া দশমী ২০২৬ কবে? তারিখ ও পূর্ণ তিথি-তালিকা
২০২৬ সালের দুর্গাপূজার পাঁচটি তিথি এক নজরে দেখে নিন:
মহাষষ্ঠী: ১৬ অক্টোবর, শুক্রবার — বোধন ও আমন্ত্রণ-অধিবাসের দিন
মহাসপ্তমী: ১৭–১৮ অক্টোবর — নবপত্রিকা স্নান ও সপ্তমী পূজা
মহাষ্টমী: ১৯ অক্টোবর, সোমবার — পুষ্পাঞ্জলি, কুমারী পূজা ও সন্ধিপূজা
মহানবমী: ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার — হোমযজ্ঞ ও নবমী পূজা
বিজয়া দশমী: ২১ অক্টোবর, বুধবার — দেবীর বিদায়, সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জন
অর্থাৎ, আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতেই পালিত হয় বিজয়া দশমী। "বিজয়া" শব্দের অর্থ বিজয়-সংক্রান্ত — এই দিনে শুভ শক্তির বিজয় উদযাপন করা হয় বলেই এর নাম বিজয়া দশমী। দুর্গাপূজার এটাই সমাপনী দিন; দশমীর পর দেবী মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যান — এই বিশ্বাস থেকেই বিদায়ের আয়োজন।
বিজয়া দশমীর পৌরাণিক তাৎপর্য
বিজয়া দশমীর মূলে আছে অশুভের বিরুদ্ধে শুভের বিজয়ের কাহিনি। পুরাণ অনুযায়ী, মহিষাসুর নামের এক প্রবল অসুর দেবতাদের পরাজিত করে স্বর্গ দখল করেছিল। তখন সব দেবতার তেজ একত্রিত হয়ে জন্ম নেন দেবী দুর্গা — দশভুজা রূপে, প্রতিটি হাতে একেক দেবতার অস্ত্র। টানা নয় দিন-রাত যুদ্ধের পর দশম দিনে দেবী মহিষাসুরকে বধ করেন। সেই বিজয়ের স্মরণেই দশমী তিথি "বিজয়া" নামে পরিচিত।
উত্তর ভারতে এই একই দিনটি দশেরা বা দশহরা নামে পালিত হয় — সেখানে রামচন্দ্রের রাবণ-বধের বিজয় উদযাপন করা হয়। বাংলার ঐতিহ্যে অবশ্য দশমীর কেন্দ্রে আছেন দেবী দুর্গা নিজে। দুই ঐতিহ্যের মূল বার্তা একটাই — অসত্য ও অন্ধকারের ওপর সত্য ও আলোর জয়। এই তাৎপর্যের কারণেই শুভ বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছায় বারবার ফিরে আসে "অশুভের পরাজয়, শুভের জয়" — এই প্রার্থনা।
সিঁদুর খেলা: দশমীর সবচেয়ে রঙিন রীতি
দশমীর সকালে দেবীকে বিদায় জানানোর আগে মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয় সিঁদুর খেলা — বাংলার দুর্গাপূজার সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও আবেগঘন রীতি। বিবাহিত নারীরা লালপাড় শাড়ি পরে দেবীর পায়ে সিঁদুর ছুঁইয়ে দেন, তারপর একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন, মুখে মাখিয়ে দেন। লাল সিঁদুরে রাঙা মুখ, হাসি আর কোলাহলে ভরে ওঠে পূজামণ্ডপ।
এই রীতির পেছনে আছে গভীর অর্থ — সিঁদুর এখানে সৌভাগ্য ও দাম্পত্য মঙ্গলের প্রতীক। দেবীকে সিঁদুর অর্পণ করে নারীরা নিজেদের সংসারের মঙ্গল কামনা করেন, আর একে অপরকে সিঁদুর পরিয়ে দেওয়ার মধ্যে আছে পারস্পরিক শুভকামনা ও সৌহার্দ্যের প্রকাশ। অনেক মণ্ডপে সিঁদুর খেলার পর মিষ্টিমুখ করানোর রেওয়াজও আছে। বিজয়া দশমীর ছবি বলতেই সবার চোখে ভেসে ওঠে এই সিঁদুর-রাঙা মুহূর্তগুলো — তাই এদিন তোলা ছবিগুলোই পরে শুভেচ্ছা কার্ডে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
প্রতিমা বিসর্জন: নিয়ম ও মাহাত্ম্য
দশমীর মূল আনুষ্ঠানিকতা হলো প্রতিমা বিসর্জন। দুপুরের পর থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয় বিদায়ের প্রস্তুতি — দেবীকে শেষবারের মতো পূজা, আরতি, আর তারপর ঢাক-ঢোল-কাঁসর বাজিয়ে শোভাযাত্রা করে নিকটস্থ নদী, পুকুর বা নির্ধারিত বিসর্জন ঘাটে নিয়ে যাওয়া হয়। "আসছে বছর আবার হবে" — এই ধ্বনি মুখে মুখে ফেরে। জলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী মর্ত্য ছেড়ে যান — এই বিশ্বাসেই ভক্তরা চোখের জলে মাকে বিদায় জানান।
বিসর্জনের কিছু প্রচলিত নিয়ম আছে। প্রতিমা নেওয়ার আগে দেবীর ঘট বিসর্জন করা হয় — ঘটের জল ছিটিয়ে দেবীকে বিদায় জানানোই আসল বিসর্জন, মাটির প্রতিমা জলে দেওয়াটা তার বাহ্যিক রূপ। শোভাযাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা, নির্ধারিত ঘাটেই বিসর্জন দেওয়া এবং পরিবেশের কথা ভেবে প্লাস্টিক বা ক্ষতিকর রং ব্যবহার না করা — এই বিষয়গুলো এখন সব মণ্ডপ কমিটিই গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিসর্জনের জন্য সময়সূচি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়, ফলে ভক্তরা নির্বিঘ্নে এই পর্ব সম্পন্ন করতে পারেন।
শুভ বিজয়া: বড়দের প্রণাম, ছোটদের আশীর্বাদ ও কোলাকুলি
দশমীর সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় বাঙালির আরেক প্রিয় রীতি — শুভ বিজয়ার প্রণাম। ছোটরা বড়দের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে, বড়রা মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করেন — "শুভ বিজয়া", "ভালো থাকো", "মা দুর্গা মঙ্গল করুন"। সমবয়সী ও বন্ধুদের মধ্যে চলে কোলাকুলি আর শুভেচ্ছা বিনিময়। এই রীতিটা শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয় — বছরের এই একটা দিনে পুরোনো মান-অভিমান ভুলে সবাই একে অপরের কাছে আসে।
আগে এই শুভেচ্ছা বিনিময় হতো বাড়ি বাড়ি গিয়ে, মিষ্টির প্যাকেট হাতে। এখন তার সঙ্গে যোগ হয়েছে ফোন, মেসেজ আর ফেসবুক। দশমীর রাত থেকে পরের কয়েক দিন ফেসবুক ভরে যায় "শুভ বিজয়া" স্ট্যাটাসে। অনেকেই বিজয়া দশমীর ক্যাপশন খুঁজে থাকেন — নিজের তোলা সিঁদুর খেলা বা বিসর্জনের ছবির সঙ্গে মানানসই একটা লাইন। নিচে সেই কাজটাই সহজ করে দিলাম — পরিস্থিতি অনুযায়ী বাছাই করে কপি করে পাঠিয়ে দিন।
শুভ বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা বার্তা: ২৪টি কপি-যোগ্য লাইন
নিচের প্রতিটি বার্তা সরাসরি কপি করে মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপ বা ফেসবুক স্ট্যাটাসে ব্যবহার করা যাবে। বিজয়া দশমীর ছবি বা শুভেচ্ছা কার্ডের ক্যাপশন হিসেবেও এগুলো মানানসই।
আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা (বড়দের, অফিসের, গুরুজনদের জন্য)
শুভ বিজয়া দশমীর আন্তরিক শুভেচ্ছা। মা দুর্গার আশীর্বাদে আপনার ও আপনার পরিবারের জীবন ভরে উঠুক সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।
বিজয়া দশমীর এই পবিত্র দিনে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম ও শুভেচ্ছা। অশুভের ওপর শুভের জয়ের মতো আপনার জীবনের সব বাধা দূর হোক।
শুভ বিজয়া। দেবী দুর্গার কৃপায় আগামী দিনগুলো হোক মঙ্গলময় — এই কামনা রইল।
বিজয়া দশমী ২০২৬ উপলক্ষে আপনাকে ও আপনার পরিবারকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। শান্তি ও সমৃদ্ধি বর্ষিত হোক সবার জীবনে।
মায়ের বিদায়বেলায় প্রার্থনা — যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন। শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা রইল।
দশমীর শুভ লগ্নে জানাই প্রণাম। মা দুর্গা আপনার মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করুন — শুভ বিজয়া।
অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জয়ের এই দিনে আপনার জীবনে আসুক নতুন আলো। শুভ বিজয়া দশমী।
শ্রদ্ধেয়, শুভ বিজয়ার আন্তরিক শুভেচ্ছা গ্রহণ করুন। পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দে কাটুক আগামীর দিনগুলো।
বন্ধু, আত্মীয় ও প্রিয়জনদের জন্য
শুভ বিজয়া রে! মা চলে গেলেন, কিন্তু রেখে গেলেন এক বছরের ভালোবাসা। মিষ্টি খাওয়াটা কিন্তু বাকি রইল!
ঢাকের বাদ্যি থেমে গেল, প্রদীপ নিভে গেল — কিন্তু বন্ধুত্বের আলো জ্বলতেই থাকবে। শুভ বিজয়া দোস্ত!
সিঁদুর খেলার রঙের মতোই রঙিন হোক তোর আগামী দিনগুলো। শুভ বিজয়া!
পাঁচ দিনের আনন্দ শেষ, আবার এক বছরের অপেক্ষা। মন খারাপ করিস না — আসছে বছর আবার হবে! শুভ বিজয়া।
শুভ বিজয়ার অনেক অনেক শুভেচ্ছা! মা দুর্গা তোর সব স্বপ্ন পূরণ করুন।
বিসর্জনের জলে ভেসে যাক সব দুঃখ-কষ্ট, ভেসে আসুক সুখের স্রোত। শুভ বিজয়া!
এই বিজয়ায় পুরোনো সব রাগ-অভিমান ভুলে যা — কোলাকুলি করে নে! শুভ বিজয়া বন্ধু।
মণ্ডপের আলো নিভলেও মনের আলো নিভতে দিস না। শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা রইল!
ছোট ক্যাপশন ও ফেসবুক স্ট্যাটাসের জন্য
শুভ বিজয়া দশমী। আসছে বছর আবার হবে।
বিদায় মা, আবার এসো। শুভ বিজয়া।
অশুভের পরাজয়, শুভের জয় — শুভ বিজয়া দশমী ২০২৬।
সিঁদুরে রাঙা বিদায়বেলা। শুভ বিজয়া সবাইকে।
পাঁচ দিনের উৎসব, এক বছরের স্মৃতি। শুভ বিজয়া।
ঢাকের তালে বিদায়, মনের গভীরে প্রত্যাশা — শুভ বিজয়া।
মা গেলেন কৈলাসে, রেখে গেলেন আশীর্বাদ। শুভ বিজয়া দশমী।
বিজয়ার প্রণাম নেবেন। ভালো থাকবেন, ভালো রাখবেন। শুভ বিজয়া।
বিজয়া দশমী ২০২৬ বাংলাদেশ: উদযাপনের চিত্র
বাংলাদেশে দুর্গাপূজা সার্বজনীন উৎসবের রূপ নিয়েছে বহু আগেই। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই পূজামণ্ডপে যান, ভোগ খান, সিঁদুর খেলা দেখেন। দশমীর দিন সকাল থেকেই মণ্ডপগুলোতে দেবীদর্শন ও সিঁদুর খেলার ভিড় থাকে, দুপুরের পর শুরু হয় বিসর্জনের শোভাযাত্রা। ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির, বনানী, ধানমন্ডি, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহীসহ সারা দেশের মণ্ডপগুলোতে একই চিত্র — ঢাক-ঢোল, উলুধ্বনি আর "বলো দুর্গা মাঈকি জয়" ধ্বনি।
প্রতি বছরের মতো এবারও বিসর্জন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ভক্তদের প্রতি অনুরোধ থাকে — নির্ধারিত ঘাট ও সময় মেনে চলুন, শোভাযাত্রায় শৃঙ্খলা বজায় রাখুন, যাতে সবার বিদায়বেলা হয় আনন্দময় ও নিরাপদ।
বিজয়া দশমী নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)
বিজয়া দশমী ২০২৬ কবে?
২০২৬ সালে বিজয়া দশমী পড়েছে ২১ অক্টোবর, বুধবার। এদিন বাংলাদেশে সরকারি ছুটি থাকে।
বিজয়া দশমীতে কী হয়?
এদিন দুর্গাপূজার সমাপনী অনুষ্ঠান হয় — সকালে দেবীকে বিদায় জানিয়ে সিঁদুর খেলা, দুপুরের পর শোভাযাত্রা করে প্রতিমা বিসর্জন, আর সন্ধ্যা থেকে বড়দের প্রণাম ও শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়।
প্রতিমা বিসর্জন কখন হয়?
দশমীর দিন দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে বিসর্জন সম্পন্ন করা হয়। তার আগে দেবীর শেষ পূজা ও ঘট বিসর্জন করা হয়।
সিঁদুর খেলা কী?
দশমীর সকালে বিবাহিত নারীরা দেবীর পায়ে সিঁদুর ছুঁইয়ে একে অপরের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন — এটি সৌভাগ্য ও পারস্পরিক শুভকামনার প্রতীকী রীতি।
শুভ বিজয়ার শুভেচ্ছায় কী লিখব?
"শুভ বিজয়া" লিখে সঙ্গে একটা আন্তরিক লাইন যোগ করুন — যেমন "মা দুর্গার আশীর্বাদে ভালো থাকুন"। বড়দের জন্য প্রণাম, বন্ধুদের জন্য কোলাকুলির আমন্ত্রণ, আর ফেসবুকের জন্য ছোট ক্যাপশন — ওপরে ২৪টি তৈরি বার্তা দেওয়া আছে, পছন্দমতো বেছে নিন।
বিজয়া দশমীর পর কী হয়?
দশমীর পরদিন থেকেই শুরু হয় কোজাগরী লক্ষ্মীপূজার প্রস্তুতি — আশ্বিনের পূর্ণিমায় ঘরে ঘরে লক্ষ্মীপূজা হয়। অর্থাৎ, এক উৎসবের বিদায় মানেই আরেক উৎসবের আগমনী।
দশমীতে উপোস বা নিরামিষ খাওয়ার নিয়ম আছে কি?
অনেক পরিবারে দশমীর দিন নিরামিষ আহারের রেওয়াজ আছে, আবার অনেকে দেবীর বিদায়ের পর মাছ-মাংস গ্রহণ করেন। এটি পারিবারিক ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর করে — কোনো বাধ্যতামূলক নিয়ম নেই।
বিজয়া দশমী শুধু একটা তিথি নয় — এটা বাঙালির আবেগের দিন। মাকে বিদায় জানানোর চোখের জল, সিঁদুর খেলার হাসি, বিসর্জনের ঢাকের বাদ্যি আর শুভ বিজয়ার কোলাকুলি — সব মিলিয়েই দশমী। ২১ অক্টোবরের এই দিনটি আপনার ও আপনার পরিবারের জন্য বয়ে আনুক শান্তি ও মঙ্গল — শুভ বিজয়া দশমী ২০২৬!
১৮
২৯ মন্তব্য