Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৭:৩০ অপরাহ্ণ

গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের নাম আবারও টপ অব দ্য ওয়ার্ল্ড! আমাদের নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবার পেলেন আমেরিকার অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’।

গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের নাম আবারও টপ অব দ্য ওয়ার্ল্ড! 

আমাদের নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবার পেলেন আমেরিকার অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’। 


আমেরিকার বিখ্যাত জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি-এর গ্যাস্টন হলে জমকালো এক অনুষ্ঠানে হিলারি ক্লিনটন নিজে ওনার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন....  

এই বছরের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানটির মূল থিমই ছিলো,

"নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন কীভাবে সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা আনে".... 

গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে কোটি কোটি নারীর ভাগ্য বদলে দেওয়ার অনন্য অবদানের জন্যই ড. ইউনূসকে এই সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হলো।


 পুরস্কার নিয়ে ইউনূস স্যার বলেন, "এখানে আপনারা যে আয়োজন করেছেন, তা বাংলাদেশের গ্রামীণ পরিবারগুলোকে আরও বড় কিছু করার শক্তি ও উৎসাহ দেবে।" 


মজার ব্যাপার হলো, এবার ড. ইউনূসের সাথে একই মঞ্চে এই পুরস্কার পেয়েছেন বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ বিলিয়নেয়ার ফ্যাশন ডিজাইনার ও নারী উদ্যোক্তা টরি বার্চ। 

এছাড়া ভারতের বিখ্যাত ‘সেবা’  ইউনিয়নের ডিরেক্টর রীমা নানাবতীও এই সম্মাননা পেয়েছেন। 

 অর্থাৎ, বিশ্বের সেরাদের সেরা মঞ্চে জ্বলজ্বল করছে বাংলাদেশের নাম।


বিল ও হিলারি ক্লিনটনের সাথে ড. ইউনূসের সম্পর্কটা কিন্তু আজকের না, ৪৬ বছরের পুরোনো! ১৯৭৯ সালে যখন বিল ক্লিনটন আরকানসাসের গভর্নর ছিলেন, তখন ড. ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ মডেল দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তা নিজের রাজ্যে চালু করেছিলেন!

এমনকি বিল ক্লিনটন বহু বছর আগেই বলেছিলেন যে ইউনূসের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত। 

আর অতি সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় যখন ড. ইউনূসের নাম আসে, ওনার সম্মানার্থে প্রোফাইল আর্টিকেলটাও লিখেছিলেন এই হিলারি ক্লিনটন নিজেই...!


বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের সম্মানকে এভাবে বারবার অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য ড. ইউনূস-কে  স্যালুট! ❤️


#diaryofshe #viralnews

মন্তব্য করুন