Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

২৩ আগস্ট, ২০২১ ০৫:২৯ অপরাহ্ণ

শিক্ষক বাতায়ন থেকে বিদায় নেওয়ার কারণ

প্রতিটি কাজের পিছনে মানুষের কোন না কোন উদ্দেশ্য থাকে। অর্থ,সুনাম কিম্বা স্বীকৃতি । এর কোন একটিও যখন না পায় তখন সেই কাজের প্রতি মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। আমার ক্ষেত্রে ঠিক এমনই কিছু অভিজ্ঞতা। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে শিক্ষক বাতায়নে কাজ শুরু করি। এর কিছু দিন পর জানতে পারি, জেলা এম্বাসেডর হওয়ার জন্য কী দরকার। সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করি। তখন সেই কাজের কথা ব্যতিত অন্য কোন কিছু মাথায় আসে না। দিনরাত পরিশ্রম করে চললাম। সকল কিছু বাদ দিয়ে বাতায়ন নিয়ে পরে থাকার কারণে, আমার স্ত্রীসহ আরও অনেকের রোষানলে পড়তে হয়। এমন কথাও শুনেছি যে, বেতন ছাড়া এমন পরিশ্রম করার কী দরকার? তুমি পরিশ্রম করে যেই বেতন পাও আর আমার পরিশ্রম ছাড়া একই বেতন। এমন অনেক কথা শুনেও আমার লক্ষ্য থেকে আমি পিছপা হয়নি। যাই হউক অনেক আশা নিয়ে সকল শর্ত পূরন করে ফেললাম। এবার গেলাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রত্যয়ন আনার জন্য। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দায়িত্ব দিলেন একজন এম্বাসেডরকে যারা যারা এম্বাসেডর হতে চায় সবার তথ্য একত্র করে নিয়ে আসার জন্য। তাই হলো ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর সকলের তথ্য পাঠানো হলো। কিন্তু চার পাঁচ মাস অতিক্রম হওয়ার পরেও আমার আশা পূরন হয়নি। এরপর থেকে আস্তে আস্তে বাতায়নের প্রতি ক্ষোভ জমতে থাকে। যেমন আশা নিয়ে শুরু করি তেমনই কষ্ট নিয়ে বাতায়ন থেকে বিদায় নেই। আজও জানিনা আমার অপরাধ কী?

মন্তব্য করুন