Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

২৫ আগস্ট, ২০২১ ১১:০৭ অপরাহ্ণ

"করোনাকালীন শিখন-ঘাটতি পূরণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন পঠন শিখন"

ধারণার বিবরণঃ

করোনাকালীন দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সাথে সরাসরি শ্রেণিকক্ষে বসে পাঠ গ্রহণ করতে পারছে না। যদিও অনলাইনে, বেতার ও টেলিভিশনে এবং ওয়ার্ক শিটের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এতে করে কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী সত্যিই উপকৃত হচ্ছে। কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয় যেহেতু সারা দেশব্যাপী এবং ছাত্র ছাত্রীদের অবস্থান একেবারেই প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেহেতু তারা অনলাইনে পাঠদানের এ সুযোগ ভালো ভাবে নিতে পারছে না।

তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের করোনাকালীন শিখন-ঘাটতি পূরণে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের শিখন দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সান্ধ্যকালীন পঠন শিখন হতে পারে একটি বিশেষ প্রক্রিয়া। সন্ধ্যা বেলাকে ভিন্ন সময় বিবেচনা করে এবং করোনাকালীন শিক্ষার্থীদের শিখন-ঘাটতি পূরণে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকবৃন্দও এতে উৎসাহী ও অনুপ্রাণিত হবেন।দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পর এমন উদ্যোগ গ্রহণ করলে শিক্ষাবান্ধব বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তিও অনেক উজ্জ্বল হবে।

বাস্তবায়ন পদ্ধতিঃ

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, এসএমসি কমিটি এবং পিটিএ কমিটির সমন্বয়ে "করোনাকালীন শিখন-ঘাটতি পূরণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন শিখন-ঘাটতি" বাস্তবায়নের জন্য একটি বিশেষ টিম বা কমিটি গঠন করতে হবে। তার নাম হতে পারে "সান্ধ্যকালীন পঠন শিখন বাস্তবায়ন টিম বা কমিটি "। এতে সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর, এইউইও, ইউইও এবং প্রয়োজনে ঊর্ধ্বত্বন কর্তৃপক্ষ উপদেষ্টা হিসেবে থাকতে পারেন। টিমে থাকা সহকারী শিক্ষকবৃন্দ রোস্টার ডিউটির মাধ্যমে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের পঠন দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সপ্তাহে ৬ দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত ৩০ মিনিট করে বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান করবেন, অভিভাবকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিয়ে আসা এবং বাড়িতে পৌঁছে দেয়া ও নিরাপত্তার ব্যবস্তা করবেন এবং প্রধান শিক্ষক সার্বিক পরিচালনায় থাকবেন।

পাক্ষিক বা মাসিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে শ্রেনিভিত্তিক পঠন দক্ষতায় সেরা শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করে বিশেষ কোন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ঊর্ধ্বত্বন কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা রাখা হবে। এতে করে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে পঠন শিখনে মনোনিবেশ করবে, একই সাথে অভিভাবকবৃন্দও খুশি হবেন।

মন্তব্য করুন