সহকারী শিক্ষক
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ অষ্টম
বিষয়ঃ সাহিত্য কনিকা
অধ্যায়ঃ পঞ্চম অধ্যায়
বঙ্গবন্ধুর ডাকে অসহযোগ আন্দোলনে স্থবির ছিল ঢাকা। এদিনের কর্মসূচি ঘিরে শুরু থেকেই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে- বঙ্গবন্ধু সরাসরি স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পারেন।
পূর্ব পাকিস্তান তখন কার্যত বঙ্গবন্ধুর নির্দেশেই পরিচালিত হচ্ছিল। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে সকাল থেকেই লাখো জনতা সমবেত হতে থাকেন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)। ঢাকার আশপাশের এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বাঙালিরা এসেছিলেন তার ভাষণ শুনতে।
বেলা সোয়া ৩টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সভাস্থলে উপস্থিত হন। সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি ও কালো কোট (মুজিব কোট) পরিহিত শেখ মুজিব মঞ্চে এসে দাঁড়ালে জনতা করতালি ও ‘জয়বাংলা’ শ্লোগানের মধ্য দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানায়।
তৎকালীন রেসকোর্সের জনসমুদ্রে ২৩ বছরের বঞ্চনার ইতিহাস তুলে ধরে সেদিন বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “আমরা যখন মরতে শিখেছি; কেউ আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবে না।
রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরও দেব, এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”
কবি নির্মলেন্দু গুণের ভাষায়- ‘তারপর থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের’।