Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৮:০৬ অপরাহ্ণ

বিদ্যালয় খোলার পূর্বে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে আসনবিন্যাস করেএবং সচেতনতা মূলক বাক্য লিখে দেয়ালে টানিয়ে দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন করে পাঠ দান করাই।

২০২০সালের 16 ই মার্চ বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায় শুধুমাত্র ভাইরাসের কারণে। দীর্ঘদিন পরে বিদ্যালয়টি খোলার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সম্পূর্ণ  প্রস্তুত না হয়ে  বিদ্যালয় খোলার প্রশ্নই আসে না।পূর্ব প্রস্তুতি হিসাবে সঠিকভাবে আসন বিন্যাস  কাজ হাতে নিলাম। তিন ফুট দূরত্ব বজায় রেখে আসনবিন্যাস করলাম। যাতে  করোনাভাইরাস এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আরেক শিক্ষার্থীর মাঝে ছড়িয়ে না পড়ে। 

বিদ্যালয়ের দেয়ালে দেয়ালে স্বাস্থ্য সচেতন অসচেতনতা মূলক বাক্য লিখে, দেয়ালে দেয়ালে, প্রতিটা শ্রেণিকক্ষে, টানিয়ে দিলাম। যাতে শিক্ষার্থীরা অভিভাবকরা সাতক্ষীরা  সহজেই এগুলো পড়ে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে পারে। 

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ঠিক না রাখলে সঠিকভাবে পড়াশোনা করতে পারবে না এবং পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়বে।বিদ্যালয়  আসতে পারবে না। 

কথায় আছে স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। 

রাশিদা আক্তার,  প্রধান শিক্ষক। 

সাতোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বোয়ালমারী, ফরিদপুর। 

মন্তব্য করুন