সিনিয়র শিক্ষক
০৫ অক্টোবর, ২০২১ ০২:৫৫ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ ষষ্ঠ
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ ত্রয়োদশ অধ্যায়
| পেঁপে Carica papaya | |
|---|---|
| ১৮৮৭ সালে প্রকাশিত কোহলারের মেডিসিনাল প্লান্টসে পেঁপে গাছ ও ফল | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ: | Plantae |
| (শ্রেণীবিহীন): | Angiosperms |
| (শ্রেণীবিহীন): | Eudicots |
| (শ্রেণীবিহীন): | Rosids |
| বর্গ: | Brassicales |
| পরিবার: | Caricaceae[১] |
| গণ: | Carica |
| প্রজাতি: | C. papaya |
| দ্বিপদী নাম | |
| Carica papaya' L.[২] | |
পেঁপে( বৈজ্ঞানিক নাম :Carica papaya),এরা Caricaceae পরিবারের সদস্য। একটি ফল যা মানুষ কাঁচা তথা সবুজ অবস্থায় সব্জি হিসেবে এবং পাকা অবস্থায় ফল হিসাবে খেয়ে থাকে। এর অনেক ভেষজ গুণও রয়েছে। এর ইউনানী নাম পাপিতা, আরানড খরবূযা। এবং আয়ুর্বেদিক নাম অমৃততুম্বী।
এটি একটি ছোট আকৃতির অশাখ বৃক্ষবিশেষ। লম্বা বোটাঁযুক্ত ছত্রাকার পাতা বেশ বড় হয় এবং সর্পিল আকারে কান্ডের উপরি অংশে সজ্জিত থাকে। প্রায় সারা বছরেই ফুল ও ফল হয়। কাঁচা ফল সবুজ, পাকা ফল হলুদ বা পীত বর্ণের। এটি পথ্য হিসেবে ও ব্যবহার হয়। কাঁচা, পাকা দু’ভাবেই খাওয়া যায়; তবে কাঁচা অবস্থায় সব্জি এবং পাকলে ফল। কাঁচা ফল বাইরের দিক গাঢ় কালচে সবুজ এবং পাকলে খোসা সহ কমলা রং ধারণ করে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে এটি "হঁইয়া" নামে পরিচিত
পেঁপে বাংলাদেশ, ভারত, আমেরিকা, ব্রাজিল ইত্যাদি দেশে হয়ে থাকে।
প্রতি ১০০ গ্রাম পাকা পেঁপেতে যা থাকে তা নিম্নরূপ:
| উপাদান | পরিমাণ |
|---|---|
| আমিষ | ০.৬ গ্রাম |
| স্নেহ | ০.১ গ্রাম |
| খনিজ পদার্থ | ০.৫ গ্রাম |
| ফাইবার | ০.৮ গ্রাম |
| শর্করা | ৭.২ গ্রাম |
| ভিটামিন সি | ৫৭ মিলিগ্রাম |
| সোডিয়াম | ৬.০ মিলিগ্রাম |
| পটাসিয়াম | ৬৯ মিলিগ্রাম |
| আয়রন | ০.৫ মিলিগ্রাম |
| খাদ্যশক্তি | ৩২ কিলোক্যালরি |
বাংলাদেশের সর্বত্রই সবজি এবং ফলের জন্য চাষ করা হয়।
পাতা ও অপক্ক ফল তরুক্ষীর সমৃদ্ধ। এই তরুক্ষীরে প্রচুর পরিমাণে হজমকারী এনজাইম প্যাপাইন বিদ্যমান। পাতায় অ্যালকালয়েড, গ্লুকোসাইড এবং ফলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আছে।
তরুক্ষীর, পাতা, ফল ও বীজ। তবে প্রধানত ফলই মানব খাদ্য।
রক্ত কাশে, রক্তার্শে, মূত্রনালীর ক্ষতে, দাদ ও সোরিয়াসিস-এ, কোষ্ঠকাঠিণ্যে এবং কৃমিতে হিতকর। পাকা পেঁপে অর্শরোগ ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে হিতকর। পেঁপেতে প্রচুর পেপেন এনজাইম আছে যা মানুষের পাকস্থলীতে আমিষ হজমে সাহায্য করে।
রক্তার্শে, কৃমিতে, একজিমায়, দাদে কার্যকরী