প্রধান শিক্ষক
২৪ অক্টোবর, ২০২১ ০৫:৩৭ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
রজনীগন্ধা ফুলের পরিচিতি:
রজনীগন্ধা ফুলের গুরুত্ব: পুজোর ফুল হিসাবে রজনীগন্ধা ফুল ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন পুজোতে এই ফুল ব্যবহৃত হয়। শুধু তাই নয়। বিয়ে সহ যেকোনো অনুষ্ঠান বাড়ীতে এই ফুল ব্যবহৃত হয়। সারা বছর রজনীগন্ধা ফুলের মালা পাওয়া যায়। তবে শীতে একটু কম পাওয়া যায়। এছাড়া এই ফুল থেকে সুগন্ধী তৈরী হয়।
রজনীগন্ধার শ্রেণী বা জাতঃ
রজনীগন্ধার কয়েকটি জাত বা শ্রেণী বর্তমান। যেমন-
রজনীগন্ধার বৈশিষ্ট্য:
রজনীগন্ধা ফুলের রং:
রজনীগন্ধা ফুলের পাপড়ি একটি কিংবা দুই/তিন সারিতে বিস্তৃত হয়। এর রং সাদা হয়। তবে কিছু কিছু ফুলে সাদার সাথে হাল্কা বাদামী রং এর একটা শেড দেখা যায়।
ব্যবহারঃ রজনীগন্ধা ফুল টবে,বাড়ির উঠান, ঘরের বারান্দা ইদ্যাদি জায়গায় সাজালে সেখানকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
টবে রজনীগন্ধা ফুলের চাষের জন্য যা করা দরকার তা হলঃ–
বংশবিস্তার পদ্ধতি:
রজনীগন্ধা ফুল দুটি পদ্ধতিতে বংশবিস্তার করা সম্ভব। একটি বীজ থেকে ও অন্যটি কন্দ থেকে বংশবিস্তার করা সম্ভব।
জলবায়ু
রজনীগন্ধা গাছের চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া প্রয়োজন। গড় তাপমাত্রা ২২ ডিগ্রী থেকে ৩০ ডিগ্রী হলে ভাল। মাটি যাতে বেশী ভিজে কাদা কাদা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কাদা হলে গাছ বাঁচানো যাবে না। নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে যাতে গাছের গোড়ায় জল না জমে। আর কোনো কারণে মাটি স্যাঁতসেঁতে থাকলে সেই কয়দিন জল দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এছাড়া প্রতিদিন নিয়ম করে জল দেওয়া উচিৎ।
রজনীগন্ধার চাষের সময়কালঃ
সারাবছর রজনীগন্ধা চাষ করা যায়। তবে শীতকালে রজনীগন্ধা ফুলের উৎপাদন কমে যায়। গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকালে এর ভাল চাষ হয়।
কন্দ লাগাবার সেরা সময়ঃ
টব:
রজনীগন্ধাফুল চাষের জন্য মাঝারি ও বড় আকারের টব যে কোনো হলেই চলবে। একটি টবে ২টি কন্দ লাগানো যায়