সিনিয়র শিক্ষক
৩০ অক্টোবর, ২০২১ ০২:২২ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ চতুর্থ
বিষয়ঃ বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ প্রথম অধ্যায়
প্রাকৃতিক পরিবেশ হল জীবিত এবং প্রাণহীন প্রাকৃতিকভাবে পরিবেষ্টিত ঘটমান সমস্ত জিনিস, এক্ষেত্রে এর অর্থ কৃত্রিম নয়। পৃথিবী অথবা পৃথিবীর কিছু অংশে এই শব্দের ব্যবহার সুপ্রযুক্ত। সমস্ত প্রজাতি, জলবায়ু, আবহাওয়া এবং প্রাকৃতিক সম্পদ এই পরিবেশের অন্তর্ভুক্ত যেটা মানুষের বাঁচা ও অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে প্রভাবিত করে।[১]
জমি ব্যবস্থাপনা থেকে অস্ট্রেলিয়ার হেপটাউন ফলস ঝর্নার প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যকে সংরক্ষণ করা হয়েছে; যার ফলে দর্শনার্থীদের প্রবেশের সুযোগ বেশি
সাহারা মরুভূমির উপগ্রহ চিত্র। এটা বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো উষ্ণ মরুভূমি এবং মেরু মরুভূমির পর তৃতীয় বৃহত্তম।
প্রাকৃতিক পরিবেশের ধারণাকে নিম্নলিখিত উপাদানে ভাগ করা যায়:
মানুষের বিশাল হস্তক্ষেপ ছাড়া যে সম্পূর্ণ পরিবেশগত এককসমূহ যেমন গাছপালা, অণুজীবসমূহ, মাটি, শিলাসমূহ, বায়ুমণ্ডল এবং প্রাকৃতিক ঘটনা যেগুলো তাদের সীমানা এবং তাদের প্রকৃতির মধ্যে ঘটে।
বৈশ্বিক প্রাকৃতিক সম্পদসমূহ এবং পদার্থবৈজ্ঞানিক ঘটনা যেগুলো পরিষ্কারভাবে পরিসীমাকে কমায়, যেমন, বায়ু, জল, এবং জলবায়ু, এছাড়া শক্তি, বিকিরণ, বৈদ্যুতিক আধান ও চৌম্বকত্ব, সভ্য মানুষের কার্যকলাপ থেকে উৎপত্তি হয়না।
প্রাকৃতিক পরিবেশের ঠিক বিপরীত হল নির্মিত পরিবেশ। কিছু এরকম অঞ্চল আছে যেখানে মানুষেরা শহর গঠন ও ভূমি রূপান্তরের মতো ভূদৃশ্যের মৌলিক পরিবর্তন ঘটায়; প্রাকৃতিক পরিবেশ বদল হয়ে একটা সরলীকৃত মানব পরিবেশে পরিণত হয়। এমনকি দেখা যায় যেটা চরম নয়, যেমন মাটি দিয়ে বানানো কুঁড়েঘর অথবা মরুভূমিতে ফটোভোল্টাইক পদ্ধতি, এই সংশোধিত পরিবেশ কৃত্রিম হয়ে যায়। যদিও মানুষ ছাড়া অনেক প্রাণী তাদের নিজেদের পরিবেশ ভালো করার জন্যে কিছু জিনিস তৈরি করে, সুতরাং, বীবর বাঁধ এবং উই ঢিবির কাজ, এগুলোকে প্রাকৃতিক হিসেবে ধরা হয়।
পৃথিবীতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পরিবেশ মানুষেরা কমই দেখে, এবং স্বাভাবিকতা সাধারণত একশো শতাংশ এক চরম অবস্থা থেকে শূন্য শতাংশ অন্যথায় আলাদা হয়। খুব জটিলভাবে আমরা একটা পরিবেশের পরিপ্রেক্ষিত অথবা উপাদান নিয়ে ভাবনা করতে পারি, এবং দেখা যায় যে, তাদের স্বাভাবিকতার মাত্রা সমান নয়।[২] উদাহরণস্বরূপ, যদি একটা কৃষি জমিতে খনিজ সংক্রান্ত উপাদান এবং মাটির কাঠামো নির্বিঘ্ন অরণ্যের মাটির সমান হয়, তাহলেও কাঠামো কিন্তু আলাদা হয়।
প্রাকৃতিক পরিবেশকে কখনো কখনো আবাসস্থলের সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়, উদাহরণস্বরূপ, যখন আমরা বলি যে, জিরাফের প্রাকৃতিক পরিবেশ হল বিচরণ ভূমি।
গঠন সম্পাদনা
মূল নিবন্ধ: ভূবিজ্ঞান
পৃথিবীর স্তরীয় কাঠামো: (১) ইনার কোর; (২) আউটার কোর; (৩) লোয়ার ম্যান্টল; (৪) আপার ম্যান্টল; (৫) ভূত্বক; (৬) ক্রাস্ট
ভূবিজ্ঞানে সাধারণত চারটে পরিমণ্ডলের অবস্থান পাওয়া যায়, ভূত্বক, বারিমণ্ডল, বায়ুমণ্ডল এবং জীবমণ্ডল[৩] যেগুলোর সঙ্গে যথাক্রমে (ভূবিদ্যা)শিলা, জল, বায়ু এবং জীবনের যোগসূত্র আছে।
কয়েকজন বিজ্ঞানী বরফের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ক্রায়োস্ফিয়ার, এছাড়া মাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পেডোস্ফিয়ারকে একটা সক্রিয় এবং অন্তর্নির্মিত পরিমণ্ডল রূপে পৃথিবীর পরিমণ্ডলের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছেন। পৃথিবী গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সাধারণ শব্দ হল ভূবিজ্ঞান (ভূতত্ত্ব, ভৌগোলিক বিজ্ঞান অথবা ভূবিজ্ঞানসমূহও বলা হয়)।[৪] ভূবিজ্ঞানসমূহের চারটে প্রধান শাখা আছে; যথা, ভূগোল, ভূবিদ্যা, ভূপদার্থবিদ্যা এবং ভূগণিত। পৃথিবীর পরিমণ্ডলসমূহ অথবা এদের মূল ক্ষেত্রের একটা গুণগত এবং পরিমাণগত বোঝাপড়ার জন্যে এই সমস্ত প্রধান শাখায় পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীবনবিজ্ঞান, কালপঞ্জি এবং গণিত ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
ভূবিদ্যাগত কার্যকারিতা সম্পাদনা
মূল নিবন্ধ: ভূবিদ্যা
পৃথিবীর ক্রাস্ট অথবা ভূত্বক হল এই গ্রহের সবচেয়ে দূরের শক্ত পৃষ্ঠতল এবং এটা রাসায়নিক ও যান্ত্রিকভাবে নিচের আস্তরণ ম্যান্টল থেকে আলাদা। এটা আগ্নেয় পদ্ধতিতে ম্যাগমা ঠান্ডা ও শক্ত হয়ে বিশেষভাবে কঠিন শিলা তৈরি হয়। ভূত্বকের নিচে অবস্থানকারী ম্যান্টল তেজস্ক্রিয় উপাদানের ক্ষয় দ্বারা গরম হয়। ম্যান্টল কঠিন হলেও এটা রেইক সংশ্লেষ