√শীতকালে শিশুদের ঠান্ডা জনিত রোগগুলো বেশি হয় কারণ এই সময়ে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকে যার কারণে শিশুরা সর্দি, কাশি,গলাব্যথা,জ্বর ইত্যাদি নানা উপসর্গে ভোগে থাকে।
√সেজন্য বাবা-মাকে তার আদরের শিশুকে বাড়তি যত্ন নিতে হবে বিশেষ করে শিশুর পোশাক, খাবার, পানি ইত্যাদিতে যথেষ্ট যত্নশীল হওয়া জরুরী।
√শীতে শিশুদের পোশাক ব্যবহারে সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে কারণ শিশুর জন্য মানানসই পোশাক ব্যবহার করা উচিত। পোশাকগুলো অবশ্যই নরম হতে হবে কারণ শিশুদের ত্বক খুবই নরম থাকে। শক্ত পোশাক ব্যবহারে তাদের ত্বকের সমস্যা হতে পারে।পোশাকগুলো দুই সেট করতে হবে।এক সেট নষ্ট বা ভিজে গেলে আরেকটি সেট ব্যবহার করতে হবে।
শিশুর মাথা হাত ও পা ঢেকে রাখতে হবে। এতে করে শিশুর শরীর গরম থাকবে ইনশাআল্লাহ।
√পানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্কতা হলো শিশুদের জন্য যথাসম্ভব হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করবেন। গোসল ও খাবারের সময় এই পানি ব্যবহার করতে পারেন। এসময়ের শিশুকে ঠান্ডা জাতীয় কোন খাবার বা পানীয় দেওয়া উচিত নয়।
√খাবারের ক্ষেত্রে সতর্ক তা হল ৬ মাস বয়সের আগে শিশুকে শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ দিবেন। এসময়ে একফোঁটা পানিও দরকার নেই।
√ ছয় মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবারগুলা দিতে হবে। বাড়তি খাবার গুলোর মধ্যে পুষ্টিকর খাবারগুলো শিশুকে দিন। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় আমিষ জাতীয় খাবার রাখবেন যেমন ডিম, দুধ,মাছ ইত্যাদি। এ সময় শিশুকে পর্যাপ্ত সবুজ শাকসবজি খাওয়াতে হবে। প্রতিদিন ১থেকে ২ টা ফল খাওয়াবেন। এতে করে শিশুর ত্বক ভালো থাকবে ইনশাআল্লাহ।
√শীতে ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি কারণ ত্বকের যত্ন না নিলে ত্বকের বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো ছত্রাক জাতীয় রোগ এবং স্ক্যাবিস। স্ক্যাবিস থেকে শিশুদের কিডনি রোগ হতে পারে যা পরবর্তীতে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।ত্বকের জন্য বিভিন্ন ধরনের বেবি লোশন পাওয়া যায় সেগুলো ব্যবহার করবেন। শিশুদের ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা ভাল। সরিষার তেল ব্যবহার করবেন না।