সহকারী শিক্ষক
০১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০৭:৩৫ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
প্রারম্ভিক শৈশব হচ্ছে সেই সময়টা যখন শিশুর যত্ন ও বেড়ে ওঠার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি খেয়াল করা প্রয়োজন। শিশুর জন্মের পর প্রথম আট বছর তার বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল। এটি সময়টি পরিবর্তনের এবং সে পরিবর্তন শারীরিক ও মানসিক উভয় ধরনের।
দ্রুত নগরায়ন এবং লোকজনের শহরমুখী হওয়া, তা স্বেচ্ছায় বা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাধ্য হয়েই হোক না কেন, দুটো বিষয়ই সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে হুমকি তৈরি করছে।
তাই প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য
১। পুষ্টি অভাব দূর করতে হবে।
২। বাবার আয়ের পথ বের করতে হবে।
৩।আনান্দগন শ্রেনি কক্ষ আনতে হবে।
৪।মানসিক চাপ দূর করতে হবে।
৫। খেলা ধুলার ব্যবস্তা করতে হবে।অনলাইন বা কার্টন থেকে বের করার ব্যবস্তা করতে হবে।
৬।ক্রমিক মুল্যায়ণ থেকে বের হতে হবে।পরিক্ষার চাপ কমাতে হবে।কিন্ডার গার্ডেন প্রতি একটু বেশি করে নজর দিতে হবে।এদের বইয়ের এবং পরিক্ষার চাপ বেশি।
৭।মিড ডে মিলের পরিবর্তে সময় কমিয়ে তাদের সাপ্তাহিক পুরুষ্কার দেওয়া যেতে পারে।
৮।শিক্ষক প্রশিক্ষন বাস্তবায়ন করার জন্য আরও ফল প্রসু করা যেতে পারে।
মাধ্যমিক স্তর
১। বইয়ের সংখ্যা কমানো যেতে পারে।
২।পরিক্ষা নির্ভর না হয়ে শিখণের দিকে সময় দিতে হবে।
৩।দীর্ঘ সময় কমিয়ে আনা যেতে পারে।
৪।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অরাজনৈক করা যেতে পারে।
৫। শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীর অনুপাত মেনে চলতে হবে।
৬।দেশের সব জায়গায় বেতন,ফি,ভর্তি ও অন্যান্য সব সরকার কর্তৃক একই হবে।কেননা সব শ্রেনির শিক্ষার্থির সব যায়গায় আছে।
৭।গাইড থেকে বের হতে হবে। বইয়ের সাথে প্রশ্নের সম্পর্ক্য থাকতে হবে।
৮। শিক্ষা জাতিয়করন করলে ভালো হয়।
উচ্চ শিক্ষা
১। সকল মেধাবির পড়ার সুযোগ থাকতে হবে।
২।বাবার আয়ের পথ থাকতে হবে।
৩। গরিব শিক্ষার্থীর পড়াশুনা পাশাপাশি অন্য ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ রাখতে হবে।
৪।প্রত্যেক শিক্ষার্থীর চাকরি নিশ্চিত করতে হবে।এবং মেধাবিকে আকর্ষণ দিয়ে দেশে রাখতে হবে।