সিনিয়র শিক্ষক
০৭ জুলাই, ২০২২ ০৮:১২ অপরাহ্ণ
সিনিয়র শিক্ষক
ধরনঃ মাদ্রাসা শিক্ষা
শ্রেণিঃ দশম
বিষয়ঃ জীব বিজ্ঞান
অধ্যায়ঃ ষষ্ঠ অধ্যায়
ধমনি (ইংরেজি: Artery; গ্রিক ἀρτηρία - artēria, "শ্বাসনালি, ধমনি"[১]) মানব দেহের এমনসব রক্তবাহী নালি যেগুলো হৃৎপিণ্ড থেকে পরিশোধিত রক্ত বহন করে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে। ধমনি সবসময় পরিশোধিত তথা অক্সিজেনসমৃদ্ধ (অক্সিজেনেটেড) রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করে; তবে ব্যতিক্রম হলো ফুসফুসীয় ধমনি এবং আমবিলিক্যাল ধমনি।[২]
ধমনির প্রাচীর পুরু ও স্থিতিস্থাপক, ধমনির প্রাচীর তিন স্তর বিশিষ্ট ৷ ধমনিতে কপাটিকা বা পর্দা থাকে না৷ এর নালিপথ সরু৷ হৃৎপিণ্ডের প্রত্যেক সংকোচনের ফলে দেহের ছোটবড় সব ধমনিতে রক্ত তরঙ্গের ন্যায় প্রবাহিত হয়৷ এতে ধমনিগাত্র সংকুচিত ও প্রসারিত হয়৷ ধমনির এই স্ফীতি ও সংকোচনকে নাড়ির স্পন্দন বলে৷ ধমনীর ভিতর রক্ত প্রবাহ, ধমনিগাত্রের সংকোচন ও প্রসারণ, স্থিতিস্থাপকতা নাড়িস্পন্দনের প্রধান কারণ৷ হাতের কবজির উপর হাত রেখে নাড়িস্পন্দন অনুভব করা যায়৷ তবে নাড়িস্পন্দন এমন ভাবে অনুভব করতে হবে যেন হাতের তর্জনী হৃৎপিণ্ডের দিকে থাকে৷
ধমনি তিনটি কোষস্তর নিয়ে গঠিত৷ যথা:
১) টিউনিকা এক্সটার্না (Tunica Externa): এটি একটি তন্তুময় যোজক কলা দিয়ে তৈরি ৷ ২) টিউনিকা মিডিয়া (Tunica Media): বৃত্তাকার অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে তৈরি মাঝের স্তর৷ ৩) টিউনিকা ইন্টার্না (Tunica Interna): এই ভিতরের স্তরটি সরল অাবরণী কলা দিয়ে তৈরি৷