Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

১২ নভেম্বর, ২০২২ ১১:১৪ অপরাহ্ণ

ব্লেন্ডেড লার্নিং

এডুকেশনাল টেকনোলজি অথবা প্রযুক্তির সাথে শিক্ষার সম্পর্ক

ক্লাসরুমে টেকনোলজি ব্যবহারে বাংলাদেশ এখন একদমই পিছিয়ে নেই। বেশ প্রত্যন্ত অঞ্চলেও অনেক স্কুলেই ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ব্যবহার করা হয়। প্রশ্ন হচ্ছে টেকনলজির সর্বোচ্চ ব্যবহার আমরা করতে পারছি কি না! শিক্ষক ক্লাসে পড়াচ্ছেন- এটা একটা নিয়মিত দৃশ্য। এই দৃশ্যে যদি আমরা টেকনোলজিকে ঢোকাতে চাই, তাহলে আগে বর্তমান সিচুয়েশনটা বুঝতে হবে। আমাদের ট্র্যাডিশনাল ক্লাসরুমগুলো সাধারণত টিচার লেকচার দেওয়ার মাধ্যমে পড়ান। তবে বৈশ্বিক দৃষ্টিকোণ এটি একেবারেই সেকেলে পদ্ধতি। তবে আমাদের দেশে এখনও পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে প্রচলিত এবং কম ইফেক্টিভ। অনেক ক্ষেত্রেই এখানে টু-ওয়ে কমিউনিকেশনের বিষয়টা থাকে না। সুতরাং এখন আমাদের শিক্ষাখাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আরো বেশি প্রণোদনা দিতে হবে। সকলের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে ইন্টারনেট ও অন্যান্য প্রযুক্তি সুবিধাসমূহ একান্তই বিনামূল্যে প্রদান করা না গেলেও অন্তত: ছাত্রছাত্রীদের জন্য এগুলো বিশেষ ছাড়কৃত মূল্যে বেধে দিতে হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি এটুআই-এর ফিউচার লার্নিং টিম ব্লেন্ডেড লার্নিং পদ্ধতির প্রসারের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। 

সে লক্ষ্যেই আমার এই ভিডিও।

করোনা অতিমারীর সময়ে আমরা তখন সামনাসামনি ও ক্লাসরুম শিক্ষা কার্যক্রম একেবারেই চালাতে পারিনি, কিন্তু সেখানে আমরা পরিবর্তন এনেছি। আমরা খুব দ্রুততার সাথে মোবাইল ফোন, টেলিভিশন, ইন্টারনেট, জুম, গুগল মিট এর  মাধ্যমে বিকল্প শিক্ষণ পদ্ধতিতে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করেছি। পাশাপাশি কাগজে এ্যাসাইনমেন্ট গ্রহন করেছি। যদি দেশ ডিজিটালি এতটা অগ্রসর না হতো তাহলে এই করোনা মহামারী চলাকালে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হতো না।

তাহলে এই ধরণের টিচিংকে আমরা এক কথায় ’ফেস টু ফেস টিচিং’ বলে ধরতে পারি। তাহলে গুগল, ইউটিউবের বিভিন্ন চ্যানেল থেকে আমরা যা শিখি, সেটাকে অনলাইন টিচিং বলা যায়।

তাহলে কোন টিচার যদি তার স্টুডেন্টদের দুইভাবেই পড়াতে চান তাহলে কি তিনি ক্লাসে গুগল করে বিভিন্ন তথ্য জানিয়ে, বা ইউটিউবে ক্লাস লেকচারের সাথে রিলেভেন্ট কিছু ভিডিও দেখিয়ে পড়ালে আমরা সেটাকে ইফেক্টিভ হিসেবে ধরতে পারি? কিন্তু এক্ষেত্রে টু-ওয়ে কমিউনিকেশন বা শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নাল কোন পরিবর্তন হচ্ছে কি না, সবাই শিখতে পারছে কি না- তা কিভাবে নিশ্চিত হচ্ছে? এই সমস্যার সমাধানের নামই ‘ব্লেন্ডেড লার্নিং’ সিস্টেম।


মন্তব্য করুন