Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০২ জানুয়ারি, ২০২৩ ১০:১৪ অপরাহ্ণ

"পাহাড়ে কফি চাষ"

পাহাড়ে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে দীর্ঘ দুই যুগ আগে আরম্ভ করা কফি চাষ সাড়া জাগাচ্ছে। কফি চাষিদের আগ্রহে বাণিজ্যিক উৎপাদনে বান্দরবানে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে অনেকে। পাহাড়ে উৎপাদিত অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা দুই জাতের কফি রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও।

পার্বত্য চট্টগ্রামে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ১৯৯৯ সালে তিন পার্বত্য জেলায় ছয়শ কৃষক পরিবারকে পুনর্বাসনের প্রকল্প হাতে নেওয়ার মাধ্যমে পাহাড়ে সীমিত আকারে কফি চাষ আরম্ভ হয়। তবে দীর্ঘ ২৩ বছর পর পাহাড়ে বাণিজ্যিকভাবে সাড়া জাগাচ্ছে কফি চাষ।

বর্তমানে বান্দরবান জেলায় সহস্রাধিক চাষি বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। চলতি বছর জেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে কফি চাষ হয়েছে; যা গতবছরের তুলনায় ১৩৪ হেক্টর বেশি। গত বছর উৎপাদিত হয়েছিল ৯০ মেট্রিক টন কফি। এ বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ১শ ২০ মেট্রিক টনের বেশি।

বান্দবানের ছয়টি উপজেলায় ৬৫টি বাণিজ্যিক প্রদর্শনী বাগান রয়েছে। পাহাড়ে উৎপাদিত অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা দুই জাতের কফি। এখানে উৎপাদিত কফি চামড়া (খোসা) বাদ দিয়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে আড়ায় থেকে দুইশ ষাট টাকায়। খোসাসহ কফি বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে দেড়শ টাকায়। তবে মান ভালো হলে খোসা ছাড়া কফি কেজিতে ৪শ টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে। পাহাড়ে উৎপাদিত কফি রপ্তানি হচ্ছে বিদেশেও।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট