সহকারী শিক্ষক
২২ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৮:৪০ পূর্বাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য ঘুম খুব গুরুতবপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, যেসব শিশু বেশি ঘুমায় তাদের ওজন, দৈর্ঘ্য এবং মাথার ঠিকভাবে বৃদ্ধি পায়। জেনে নিন শিশুকে খুব সহজেই ঘুম পাড়ানোর উপায়।
ঘুমানোর সময়সূচি ঠিক করুন
প্রত্যেকের একটি অভ্যন্তরীণ ঘড়ি থাকে-যাকে বলা হয় সার্কাডিয়ান রিদম। যা দিনের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন শারীরিক কার্য পরিচালনা করে। শরীরের সার্কাডিয়ান, রিদম অনুসারে, আমাদের ঘুমের সময়সূচী সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা উচিত।
শিশুরা প্রায় ১২ সপ্তাহের মধ্যে তাদের সার্কাডিয়ান রিদমের বিকাশ ঘটায়। কিন্তু এটি সব শিশুর একইভাবে নাও হতে পারে। তাই শিশুর প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে তার ঠিক সময়ে ঘুমিয়ে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে উঠবে।
আলো নিভিয়ে দিন
মেলাটোনিন এক ধরনের হরমোন যা ঘুমাতে এবং জেগে উঠতে সাহায্য করে। সূযাস্তের পর মেলাটোনিনের মাত্রা বাড়তে শুরু করে এবং রাতে বেশি থাকে। সূর্যোদয়ের পরে এই হরমোনের মাত্রা কমে যায়। এটি জেগে উঠতে সাহায্য করে। রাতে কৃত্রিম আলোর জন্য এই হরমোন তৈরি হওয়া ব্যহত হতে পারে। তাই রাতে কৃত্রিম আলো বন্ধ করে দেওয়ায় ভালো।
উষ্ণ পানিতে গোসল
উষ্ণ পানিতে শিশুকে গোসল করালে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। ফলে শিশুরা তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন পানি উষ্ণ থাকে গরম নয়।
হালকা মালিশ দিন
বেবি লোশন বা তেল দিয়ে হালকা মালিশ করলে তা শিশুর শরীরকে শান্ত রাখে। যা তার ঘুমের জন্য ভালো। এছাড়াও কিছু তেল শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য ভালো। মা-বাবা প্রতিদিন শিশুকে মালিশ করলে শিশুর সঙ্গে তাদের সম্পর্ক গভীর হয়।
বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস করুন
শিশুরা সাধারণত ঘুমাতে ঘুমাতে মাঝে মাঝেই জেগে ওঠে। এই সময় তাদের কোলে না নিয়ে বিছানায় শুয়ে থাকতে দিন। এতে তাদের বিছানায় ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে ওঠে। ফলে এর পর যখনই তারা রাতে জেগে ওঠে, আবার নিজেই ঘুমিয়ে যায়।