সহকারী শিক্ষক
১২ এপ্রিল, ২০২৩ ০৮:৩১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ চতুর্থ
অধ্যায়ঃ একবিংশ অধ্যায়
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার পৃথিবীর যে কয়টি পূরাকীর্তির তালিকা রয়েছে তার মধ্যে পাহাড়পুরের উল্লেখ রয়েছে। প্রাচীন বাংলার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, শিল্প, সাংস্কৃতিক তথা সামগ্রিক জীবন ধারায় ইতিহাস বিনির্মাণে যে কটি প্রত্নস্থান বিশেষভাবে বিবেচ্য তার মধ্যে পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহারটি অন্যতম। প্রতিদিন শত শত মানুষ প্রাকৃতিক সবুজঘেরা অসাধারণ এক স্থাপত্য কীর্তি দেখতে ছুটে যান।
বর্তমান রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত। অপর দিকে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে এর দূরত্ব পশ্চিমদিকে মাত্র ৫ কি.মি.। গ্রামের মধ্যে প্রায় ০.১০ বর্গ কিলোমিটার (১০ হেক্টর) অঞ্চল জুড়ে এই পুরাকীর্তিটি অবস্থিত। প্রত্নতাত্ত্বিক এই নিদর্শনটির ভূমি পরিকল্পনা চতুর্ভূজ আকৃতির। এটি বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের প্লাবন সমভূমিতে অবস্থিত, প্লাইস্টোসীন যুগের বরেন্দ্র নামক অনুচ্চ এলাকার অন্তর্ভুক্ত। মাটিতে লৌহজাত পদার্থের উপস্থিতির কারণে মাটি লালচে। পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমি থেকে প্রায় ৩০.৩০ মিটার উচুতে অবস্থিত পাহাড় সদৃশ স্থাপনা হিসেবে এটি টিকে রয়েছে। স্থানীয় লোকজন একে 'গোপাল চিতার পাহাড়' আখ্যায়িত করত। সেই থেকেই এর নাম হয়েছে পাহাড়পুর, যদিও এর প্রকৃত নাম সোমপুর বিহার। সংগৃহীত