সহকারী শিক্ষক
০৫ মে, ২০২৩ ০৭:৩৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ চতুর্থ
বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
অধ্যায়ঃ চতুর্থ অধ্যায়
পাহাড়ের সৌন্দর্য সবাইকেই মুগ্ধ করে। বিভিন্ন পাহাড়ের রূপে মুগ্ধ হতে পর্যটকরা ছোটেন বান্দরবানে। তেমনই এক জনপ্রিয় পাহাড় হলো কেওক্রাডং। বাংলদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশের পঞ্চম উচ্চতম এই পর্বত কখনো পর্যটকদের নিরাশ করে না। বিশেষ করে অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়দের কাছে সেরা এক গন্তব্য এটি।
বএর উচ্চতা ৯৮৬ মিটার (৩২৩৫ ফুট প্রায়, জিপিএস রিডিং থেকে প্রাপ্ত)। চারদিকে সবুজের সমারোহ আর বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে পাহাড় আর পাহাড়। ছোট-বড় পাহাড়, ঘন জঙ্গল ও নানা ধরনের পশু-পাখিতে পরিপূর্ণ এই দুর্গম এলাকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।
রোমাঞ্চপ্রিয়দের কাছে কেওক্রাডং এক ভিন্ন আকর্ষণের নাম। শীতকালে অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমী বহু পর্যটক এই পাহাড় দেখতে আসেন। দূর থেকে কেওক্রাডংয়ের চূড়া শূন্যে মিলিয়ে আছে বলে মনে হলেও চূড়ায় উঠলে পাহাড় মেঘের মিতালী আপনাকে আন্দোলিত করবে মায়াবী আকর্ষণে।
এখানকার আকর্ষণের মধ্যে আছে- সবুজ পাহাড়ের তাক লাগানো সৌন্দর্য, ঝরনাধারা, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ ও পাহাড়ের উপর থেকে মেঘের লুকোচুরি।
সাদা মেঘে ঢাকা থাকায় দূর থেকে কেওক্রাডংয়ের চূড়াকে ধোঁয়াটে মনে হয়। বাতাসের ঝাপটায় দাঁড়ানো দায়। বৃষ্টি-বাতাস-মেঘ সময় সময় দখল নেয় চূড়ার আশপাশ। মেঘ দেখতে এখন আর দেশের বাইরে দার্জিলিং বা মেঘলয়ে যেতে হবে না ।