Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৭ মে, ২০২৩ ১০:০৯ অপরাহ্ণ

স্বাধীনতার যুদ্ধ

বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ। একসময় এ দেশ পাকিস্তানের একটি অংশ ছিল। তখন পাকিস্তানিরা আমাদের শাসন করেছে। তারা নানাভাবে এ দেশকে শোষণও করেছে।

পাকিস্তানিদের শাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে। অবশেষে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন। শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। দেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করার জন্য শুরু হয়েছিল এই যুদ্ধ। তাই একে বলে মুক্তিযুদ্ধ।

সেই যুদ্ধে যোগ দিলেন কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, শিক্ষক, পুলিশ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য, জনতাসহ সর্বস্তরের অগণিত মানুষ। জীবন বাজি রেখে তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়েন স্বাধীনতার সংগ্রামে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে যেভাবেই হোক পরাজিত করতে হবে। শত্রুমুক্ত করতে হবে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ অর্জন করবে স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হলো। এল আমাদের চূড়ান্ত বিজয়। দেশকে শত্রুর কবল থেকে মুক্ত করার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা যে সাহস ও বীরত্ব দেখিয়েছেন, তার তুলনা নেই। যুদ্ধ শেষে সেরা মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

‘বীরশ্রেষ্ঠ’ হলো মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের সবচেয়ে বড় উপাধি। মাত্র সাতজন বীর এই সম্মান লাভ করেছেন। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার। তাঁদের আমরা ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট