Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৭ মে, ২০২৩ ১০:১৯ অপরাহ্ণ

আমাদের চারপাশ

মানুষের বসবাসের উপযুক্ত চারপাশের পরিধিকে বলা হয় পরিবেশ। পরিবেশের সঙ্গে মিলেমিশে মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীর জীবনের বিকাশ ঘটে। নিজ নিজ পরিবেশ থেকেই তারা বাঁচার উপকরণ সংগ্রহ করে। সেসব উপকরণ থেকে প্রয়োজনীয় অংশ ব্যবহারের পর পরিত্যক্ত অংশ ফিরে যায় সেই পরিবেশে। সেখান থেকে তা আবার মানুষ গ্রহণ করে। এভাবে জীবজগৎ ও তার পরিবেশের মধ্যে বেঁচে থাকার উপকরণের আদান-প্রদান চলে। আদান-প্রদানের ভারসাম্যের ওপর জীবের অস্তিত্ব নির্ভরশীল। এই ভারসাম্য নষ্ট হলে তাকে বলা যায় পরিবেশদূষণ। মানবসভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশদূষণের শুরু। মানুষ যেসব জিনিস ব্যবহার করে, তার পরিত্যক্ত বিষাক্ত পদার্থই দূষণের সৃষ্টি করে। বাতাস, পানি ও শব্দ—এই তিন শ্রেণিতে দূষণকে ভাগ করা যায়। বাতাসে জীবের অস্তিত্বের ক্ষতিকর পদার্থের মাত্রা বেশি হলে তাকে বলা হয় বায়ুদূষণ। ধুলাবালি, ধোঁয়া, কীটনাশক, তেজস্ক্রিয় পদার্থ প্রভৃতি বায়ুদূষণের প্রধান কারণ। পানিদূষণ ঘটে খালে-বিলে, নদী-নালা ও সাগরে। কলকারখানার বর্জ্য, কীটনাশক, শহরের অপরিকল্পিত পয়োনিষ্কাশন পানিদূষণ ঘটায়। দূষিত পানি সংক্রামক রোগ ছড়ায়। যানবাহনের বিকট শব্দ থেকে ঘটে শব্দদূষণ। কলকারখানার শব্দ, গাড়ির হর্ন, মাইকের চিৎকার, বোমাবাজির আওয়াজ ইত্যাদি প্রধানত শব্দদূষণ ঘটায়। সব দূষণই ক্ষতিকর। এসব দূষণ মিলেই ঘটে পরিবেশদূষণ, যা মানবজাতির জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। তাই পরিবেশদূষণ যাতে না ঘটে সে বিষয়ে জাতিকে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট