Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

১৭ আগস্ট, ২০২৩ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

চেষ্টা ও সফলতা

এক সাহসী যুবকের গল্প

আশির দশকে জন্ম নেওয়া এক যুবকের কথা বলচি। গ্রামের এক সম্রান্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া বালক। যার নাম বাবু। এই বাবুর বেড়ে উঠা মামার বাড়িতে। পারিবারের নানাহ সমস্যার কারনে তার শৈশব কাটে মামার বাড়িতে। তবে যেমন প্রভাব পতিপত্তি ছিল তার পরি বারের তেমনি তার মামার বাড়ির ঔতিহ্যও কম ছিলনা। এরই মাঝে তার বেড়ে উঠা।

প্রাথমিকের গণ্ডি পেরুতে না পেরুতেই পারিবারিক কারনে বিদ্যালয় পরিবর্তণ। বাড়ি থেকে পাচ কিলোমিটার দূরে স্কুল। আসা যাওয়া অনেক কষ্টের। শুরু হয় আরেক জীবন।

 লজিং মাষ্টার।

সবে মাত্র নবম শ্রেণির ছাত্র। নিজে পড়া লেখার পাশাপাশি লজিংএর ছাত্র-ছাত্রীরে পড়ানোর মাঝেই চলে মাধ্যমিক লেবেলের পড়া লেখা। আর তারই মধ্য দিয়ে এসএসসি পাশ করে চলে যায় বাড়ি থেকে দশ কিলোমিটার দূরে কলেজে। সেখানেও লজিং। লজিং থেকে এইচএসসি পাশকরে উচ্চ শিক্ষার জন্য চলে যায় ঢাকা শহরে। কিন্ত পারিবারিক জটিলতার কারনে তা আর হয়ে উঠে নাই। আবারও গ্রামের কলেজ থেকে বিএসএস পাশ করে চলে যায় কুমিল্লা শহরে।

সংগ্রামী জীবন

শুরু হয় সংগ্রামী জীবন। একদিকে পরিবারের দায়িত্ব আর অন্যদিকে নিজের পড়া লেখা । এক পর্যায়ে কম্পিউটার শিক্ষার সাথে নিজেকে জড়িয়ে নেয়। তার পাশাপাশি স্নাত্বকোত্বোর ডিগ্রী অর্জনকরে আবার মাটির টানে গ্রামে ফিরে আসে।

নিজে গড়ে তোলে কম্পিউটার প্রশিক্ষন একাডেমী। দীর্ঘ ৫বছর পরিচালনার পর পারিপাশ্বির ও রাজনৈতিক কারনে এই প্রশিক্ষন সেন্টার চেড়ে চলে যেতে হয় আবার শহরে। কিন্তু মনে প্রবল ইচ্ছা নিজে কিছু করতে হবে। আই যে চিন্তা সে কাজ । তারই ধারা বাহিকতায় আবার গ্রামে এসে আইটি প্রজেক্ট চালু করে। কিন্তু তাতেও সফল হয় নি। কিন্তু তবুও থেমে থাকেনি । এক পর্যায়ে চলে আসে উপজেলা সদরে গড়ে তোলে নিজের স্পপ্নের সেই আইটি প্রাতিষ্ঠান। পাশাপাশি নিজের জন্য যোগাড় করে নেন আইসিটি শিক্ষকের চাকুরি।

শুরু হয় আরেক জীবন। একদিকে চাকুরি আরেকদিকে আইটি সেন্টার। আর মাঝে আবা্রও বাসা বাধে নতুন কিছু করার তারই ধারা বাহিকতায় গড়ে তোলৈন একটি স্কুল। প্রথমে বাড়া বাড়িতে পরবর্তিতে জায়গা ভাড়া নিয়ে সেখানে গড়ে তোলেন একটি আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এই নয় শুধু লক্ষ করা যায় সামাজিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে তার ঝুরি নেই। সমাজে এমন কাজ পাওয়া যাবেনা যেখানে বাবু নেই। অনাহারীর মুখে অন্ন, দরিদ্রের সেবা, অসহার সহায় , শিক্ষা বিস্তার সকলক্ষেত্রে তার বিচরন লক্ষনীয়। এই যুবকের আজ চল্লিশউদ্ধো বয়স হলেও রাতের আধারে অসহায়ে সেবার তরুনতের আইডল হিসাবে তাদের সাথে ছুটে চলে। তার চলার পথ কখনও মশৃন ছিল না তবুও সে সফল , চলছে দূর্বার গতিতে …..

মন্তব্য করুন