Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

২১ আগস্ট, ২০২৩ ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ণ

শারীরিক সক্ষমতার বৃদ্ধি জন্য খেলাধুলা বিকল্প নাই। শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতার বৃদ্ধি জন্য আমার প্রচেষ্ট।

আজকের প্রশিক্ষণ পর্ব।

শিক্ষার্থীকে সরাসরি কিছু শেখানোর চেয়ে তাকে শেখার প্রক্রিয়ার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া বেশি কার্যকর, আমি সে কাজটাই করে থাকি।

#শিক্ষকতার প্রতি আমার এক প্রবল আগ্রহ ও আকর্ষণ ছিল। শিক্ষকতার এই মহান পেশায় আসতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। একজন আদর্শ ও সফল শিক্ষক হওয়ার এক লালিত স্বপ্ন দেখি। সব সময় শিক্ষার্থীদের মানসম্মত পাঠদানে সচেষ্ট থাকি। সরকারের নির্দেশিত নীতিমালা অনুযায়ী ও নিজের জ্ঞান, বিবেক ও বুদ্ধি দিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে স্বপ্নের সোনার বাংলা তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে আমার ছাত্রদেরকে প্রতিষ্টিত করতে চাই।

হাটুর জয়েন্টের ব্যাথা এব

#বর্তমান অবক্ষয়ের যুগে শিক্ষার্থীদেরকে খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখার বিকল্প নাই।।

             পর্ব- ০৫

জীবনে সুখী হতে সর্বপ্রথম প্রয়োজন সুস্থ ও সবল শরীর। শরীর ও মনকে ভালো রাখতে খেলাধুলার বিকল্প হয় না। খেলাধুলার মধ্যে রয়েছে শরীর চালনা যা ক্রমাগত শারীরিক দক্ষতা বাড়িয়ে তোলে।তাই খেলাধুলার মধ্য দিয়ে শরীরচর্চা করা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমান সময়ে শিশু থেকে শুরু করে ছাত্রসমাজ অধিকাংশই খেলা ধুলো বলতে বোঝে অনলাইন ভিডিও গেম। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর যেমন, তেমনই মানসিক বিকাশের পথেও অন্যতম বাঁধা।

খেলাধূলার সূচনা মূলত হয় শরীর গঠনের জন্য। শরীরকে সুস্থ ও সবল রাখতেই খেলাধূলার উদ্ভব। সুস্বাস্থ্য অর্জনে ব্যায়াম অথবা খেলাধূলার কোনো বিকল্প নেই।

পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি খেলাধূলা করলে শরীরের পেশী শক্ত ও সুঠাম হয়। এতে শরীরের কোষগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টি পৌঁছে, হৃদপিন্ড সঠিকভাবে রক্ত পাম্প করতে পারে ফলে শরীরে স্বাভাবিক রক্ত-সঞ্চালন ঘটে, পরিপাক যন্ত্র আরো বেশি শক্তিশালী এবং কর্মক্ষম হয়।

এছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও খেলাধূলা অনেক বেশি ভূমিকা পালন করে। খেলাধূলার ফলে শরীরের শক্তি, কাজ করার ক্ষমতা ও মনে সাহস জন্মে। ফলে তার শরীর সবসময় থাকে চাঙা। এছাড়াও শরীরের ক্লান্তি, অবসাদ, মস্তিষককে চাপমুক্ত রাখতেও খেলাধূলা অনেক বেশি ভূমিকা পালন করে থাকে।

খেলাধূলা যে শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যকে সুস্থ রাখে তাই নয়। মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায়ও খেলাধূলার রয়েছে বিশেষ অবদান। খেলাধূলা শরীরের অবসাদ দূর করায়, মন থাকে ফুরফুরে। শরীর সুস্থ্য থাকলে মানসিক সুস্থ্যতাও সহজে অর্জন হয়। মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় মানসিক অবস্থার উন্নতি হয়।

সুস্থ্য শরীর, সুস্থ্য মন সকলেরই কাম্য । শিক্ষার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হচ্ছে খেলাধুলা। সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম হিসাবে শিক্ষার সাথে অঙ্গাঅঙ্গীভাবে যে কাজগুলো জড়িত, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে খেলাধুলা। আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতিও যত্নবান।

 আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার কিছু চিত্র আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

মন্তব্য করুন