Loading..

উদ্ভাবনের গল্প

রিসেট

২২ আগস্ট, ২০২৩ ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

সততার অনুশীলনে "সততা স্টোর"

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত এসব ‘সততা স্টোর’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরস্পরে সৎ হওয়ার প্রতিযোগীতা করছে। এটা একটা ইতিবাচক দিক যার মাধ্যমে পরিবর্তন ও সততার চর্চা করা সম্ভব। এভাবেই শিক্ষার্থীদের মানসিকতায় গুণগত পরিবর্তন আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। যার প্রমাণ আমরা কিছু কিছু দেখতেও শুরু করেছি। ইতোমধ্যে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সততার খবর প্রকাশিত হয়েছে।

আমরা মনে করি, ‘সততা স্টোর’ থেকে যেসব শিক্ষার্থী পণ্য কিনছে, তারা পণ্য কেনার পাশাপাশি তাদের দিতে হচ্ছে সততা এবং বিবেকের পরীক্ষা। যে কেউ চাইলে এখান থেকে মূল্য পরিশোধ না করে চুপিচুপি করে পণ্য নিয়ে চলে যেতে পারবে। কিন্তু তারা সেটা করছে না। কারণ, এটি একটি সততা চর্চাকেন্দ্র। সততার পরীক্ষায় আমাদের দৃষ্টিতে ‘ছোটরা’ হারতে চায় না, জিততে চায়।

আমরা জানি, একটি সৎ, সমৃদ্ধ এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ও দেশ গঠনে এই প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে তৈরি করতে হবে। তাদের মধ্যে সততার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। তাহলে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশে দুর্নীতি বলে কোনো কিছুর অস্তিত্ব আর থাকবে না।

বস্তুত ‘সততা স্টোর’ সততা চর্চার একটি প্লাটফর্ম। এটি একটি প্রতীক। নতুন প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং অল্প বয়স থেকেই দুর্নীতি বিরোধী নৈতিকতায় উদ্বুদ্ধ করার মহান উদ্যোগ। সৎ মানুষ তৈরির মিশন।‘সততা স্টোর’-এর সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব হলো- বিবেক জাগ্রত করার শিক্ষা। সৎভাবে চলার অনুশীলন কেন্দ্র। দৃশ্যতঃ এখানে বিক্রেতা নেই। এই দোকানের প্রকৃত বিক্রেতা হলো- বিবেক, নৈতিকতা, সততা, চরিত্র, মনুষ্যত্ব ও সর্বোপরি সত্যিকারের মানুষ হওয়ার সিঁড়িতে আরোহণ। 

শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা শিক্ষা দেওয়ার একটি সহজ ও সুন্দর উপায় হতে পারে ‘সততা স্টোর’। এই ‘সততা স্টোর’ থেকে সততার আলো ধীরে ছড়াবে সমাজের সবখানে। আর এভাবে দুর্নীতিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য করুন