Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

২৮ অক্টোবর, ২০২৩ ০৮:৫১ অপরাহ্ণ

কৈশোর বান্ধব স্বাস্থ্য সেবা পিতা মাতার করণীয়ঃ

কৈশোর কাল বা বয়ঃসন্ধিঃ

শিশুকাল থেকে যৌবনে পদার্পণের মাঝখানের সময় হলো বয়ঃসন্ধি।কৈশোর কাল। সাধারণত ১০-১৯ বছর বয়সের ছেলে মেয়েদের কিশোর কিশোরী বলে।এ সময়ে তারা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। 


কিশোর কিশোরী 

১।উচ্চতাও ওজন বাড়ে


১।।উচ্চতাও ওজন বাড়ে



২।বুকও কাঁদ চওড়া হয়এবং মাংশ পেশী বৃদ্ধি পায়। 

২। কোমর সরুও উরু ভারি হয়। 

৩।হাতে,পায়েের,লোম,গাঢ়

হয় বগলেও যৌনাঙ্গে লোম গজায়। 

৪।গলার স্বর পরিবর্তন হয়।

৫।স্তন বড় হয়ও প্রজননঅঙ্গোর বৃদ্ধি হয়। 

৬।মাসিক শুরুহয়।


৩।হাতে, পায়ে, বুকে,বগলে ও

যৌনাঙ্গে লোম গজায়। 

৪।গলার স্বর পরিবর্তন হয়। 

৫। মুখে দাড়ি গোঁফ দেখা দেয়ও ব্রন ওঠেতেপার।

৬।পুরুষাঙ্গও অন্ডকোষ বগ হয বীর্য তৈরি হয়।ও বীর্যপাতহয়।


কৈশোর কালাীন মানসিক পরিবর্তনঃ

১।বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কৌতুহল বোধ।

২।লাজুক থাকে তাদের মধ্যে সংকোচ 

বোধ কাজ করে।

৩।অল্পতেই খুশি হয় অল্পতেই রেগে যায়। ৪।ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। ৫। আবেগ তাড়িত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ফেলে। ৬নিজের মত প্রতিষ্ঠা করতে চায় ৭। বড়দের মতো আচরণ করে ৮। স্বাধীনভাবে চলতে চায় আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি পায় ও আত্মনির্ভরশীল হতে চায় ৯। নিজের প্রতি মনোযোগ্য ভালবাসা আশা করে। ১।০ বন্ধুবান্ধবদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেও নির্ভর করে। 


এসময়ে বাবা-মার করণীয়ঃ বয়সন্ধিকালীন শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে সুরক্ষা করার সব তথ্য সন্তানকে সহজ ভাবে এবং নিঃসংকোচে বুঝিয়ে বলতে হবে।

সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয়, পারিবারিক, মুল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে এবং সামাজিক রীতি- নীতি সঙ্গে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। সন্তানের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করতে হবে।  পরিবারের সবার মধ্যে বন্ধুত্বপুর্ন সম্পর্কগড়ে তুলতে হবে। দোষ করলেও সন্তান কে মারধর না করে  বুঝিয়ে বলতে হবে। সন্তানের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধরে তাকে  সাহসওউৎসাহ যোগাতে হবে।


সন্তানের কথা  শুনবো।

ওদের নিরাপদে রাখবো।



মন্তব্য করুন