প্রভাষক
০৪ নভেম্বর, ২০২৩ ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ একাদশ
বিষয়ঃ সমাজবিজ্ঞান ১ম পত্র
অধ্যায়ঃ চতুর্থ অধ্যায়
লিঙ্গভিত্তিক শ্রমবিভাজন, ক্ষুদ্র পরিসরে যূথবদ্ধ সমাজ, প্রকৃতির উপর নির্ভরতা, স্বল্প যাত্রায় প্রযুক্তি, ব্যক্তিমালিকানা ও সামাজিক স্তর বিন্যাসের অনুপস্থিতি ইত্যাদি পশু পালন আর্থ-সামাজিক অবস্থার বৈশিষ্ট্য ছিল বলে মনে করা হয়। পশু পালন সমাজব্যবস্থায় পশুর খাদ্য যোগানের জন্য পশু পালনরত ভ্রাম্যমাণ আদিম মানব গোষ্ঠীই পরবর্তীতে যাযাবর জাতি হিসেবে পচারণ সমাজের ভিত গঠন করে। পশু পালনের প্রয়োজনেই মানুষকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে হতো। একটি নির্দিষ্ট স্থানের ঘাস, পানি প্রভৃতি ফুরিয়ে গেলে আবার নতুন কোথাও চলে যেতে হতো। পশু পালন পর্যায়ে মানুষ মাংস, দুধ, মদ ইত্যাদি সংরক্ষণ করতে পারত। এছাড়া যেকোনো সময় প্রয়োজন হলে গৃহপালিত পশু থেকেও খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে পারত । এ পর্যায়ের একটি নির্দিষ্ট স্থানের ঘাস, পানি প্রভৃতি ফুরিয়ে গেলে আবার নতুন কোথাও চলে যেতে হতো। অর্থাৎ পশু পালনের প্রয়োজনেই মানুষকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতে হতো। সাধারণত পশু পালন সমাজ গড়ে উঠে সেসব এলাকায় যেখানে পশুকে খাওয়ানোর জন্য প্রচুর ঘাস পাওয়া যেত, মরুভূমি অথবা পাহাড়ের পাদদেশে।