প্রভাষক
২৩ নভেম্বর, ২০২৩ ০৬:২২ অপরাহ্ণ
প্রভাষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ দ্বাদশ
বিষয়ঃ সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র
অধ্যায়ঃ নবম অধ্যায়
সাধারণত ডাক্তারের পরামর্শ মেনে না চললে আবার মাদকাসক্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মাদকের চিকিৎসা মূলত ২ ধাপে হয়।
১। প্রথমবার মাদক ছাড়ার পর রোগীর শারীরিক মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটে। রোগী প্রায় সময় ডিপ্রেশনে চলে যায়, ঘুমাতে না পারা, উচ্চ রক্ত চাপ, দুঃশ্চিন্তা করা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। চিকিৎসক প্রথমে এসব উপসর্গের চিকিৎসা করেন। রোগী বারবার মাদক গ্রহনে বাধ্য হলে সাইকোথেরাপি বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
২। বার বার মাদকের কাছে ফিরে যাওয়া রোগীদের জন্য বিশেষ থেরাপির ব্যবস্থা করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে ঔষধের সাহায্য নেওয়া হয়। আফিমজাতীয় মাদক বা অফিওয়েড থেকে মুক্তির জন্য মেথাডোন, বিউপ্রেনরপাইন, নাল্ট্রেক্সোন, লোফেক্সিডিন , তামাক জাতীয় মাদক বা নিকোটিনের প্রভাব থেকে মুক্তির জন্য বিউপ্রপিওন, ভারেনিক্লিন জাতীয় ঔষধ ব্যবহার করা হয়।