প্রধান শিক্ষক
২৩ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
# দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রয়োজন সুশিক্ষিত স্মার্ট জনশক্তি । আর এই স্মার্ট জনশক্তি তৈরিতে গুনগত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনের বিকল্প নেই । গুনগত শিক্ষার পূর্বশর্ত হচ্ছে শ্রেনিকার্যক্রম কে বাস্তবমুখী করে শিক্ষার্থীদের আনন্দময় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং তাদের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর বুদ্ধিভিত্তিক জ্ঞান , মানবীয় গুনাবলীর বিকাশ এবং প্রায়োগিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা ।
আসসালামু আলাইকুম । আমি মোসাঃ ইয়াসমীন আখতার বানু , প্রধান শিক্ষক , বেগুনবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় , গোমস্তাপুর , চাঁপাইনবাবগঞ্জ । আমার উদ্ভাবনী গল্পে সবাইকে স্বাগত । আমার উদ্ভাবনী গল্পের শিরোনাম - নতুন শিক্ষাক্রমে ভয় নাই , চলো সবাই প্রশিক্ষণে যায় । প্রাথমিক শিক্ষকগণের শিক্ষাক্রম বিস্তরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ টি মুক্তপাঠ ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ অনলাইনে ওপেন করার পর আমি ওই দিনেই প্রশিক্ষণ টি অনলাইনে সমাপ্ত করি এবং সনদ লাভ করি । এর পর থেকে আমি প্রায় ৩০ জন শিক্ষক কে এই প্রশিক্ষণ করতে সহযোগিতা করি । আসলে অনলাইনে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করার পর বুঝে গিয়েছিলাম শিক্ষা ধারায় নতুন কিছু আসছে । এই পরিবর্তন কে আমি সাদরে গ্রহণ করি এবং আমার বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক কে আমি বোঝাতে সক্ষম হই এই নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে । আসলে প্রথম প্রথম অনেক শিক্ষক অভিভাবক বিষয় টি আত্মস্থ করতে না পারায় তাদের চোখে মুখে উদ্বিগ্নতা, ভয়ের ছাপ লক্ষ্য করি । আমি আমার সহকর্মীদের অভয় দিই এবং তাঁদের প্রথমে অনলাইনে ,পরে অফলাইনে প্রশিক্ষণ টি করার জন্য বলি । তাঁরা প্রশিক্ষণ শেষে পুরো শিক্ষাক্রম ও মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে ধারণা পায় । এছাড়া স্টাফ মিটিং এর মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করি । এতে করে শিক্ষাক্রম নিয়ে তাদের যে ভ্রান্ত ধারনা, তা পুরোপুরি বিলুপ্ত হয় । ফলাফল হিসেবে দেখতে পাই-
# শিক্ষাক্রম সম্পর্কে আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণের এখন কোনো ভয়ভীতি নাই ।
# শিক্ষাক্রম সম্পর্কে এখন তাঁদের নেতিবাচক কোনো মন্তব্য নাই ।
# তাঁরা প্রশিক্ষন এর মাধ্যমে মূল্যায়ন সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা পেয়েছে ।
# তাঁরা ডায়েরি -১ এবং ডায়েরি -২ এর মাধ্যমে মূল্যায়ন করছেন।
# তাঁরা পাঠ উপস্থাপনে অনেক সৃজনী হয়েছেন ।
সর্বোপরি তাঁরা এখন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নতুন শিক্ষাক্রমের সুফল সম্পর্কিত নানা বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন ।