Loading..

নেতৃত্বের গল্প

রিসেট

০৮ জুন, ২০২৪ ০১:৩৭ অপরাহ্ণ

শিক্ষকতায় ২৩ বছর

v ২০২৪ সালে শিক্ষকতায় ২৩বছর পূর্ণ হলো। ১৫ই এপ্রিল ২০০১। সেদিন শিক্ষকতায় হাতেখড়ি। ২৩বছরের ২০বছরই প্রধান শিক্ষক। প্রধান শিক্ষক হিসেবে সিলেট সদর উপজেলার বিমানবন্দর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আম্বরখানা কলোনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই কেটেছে ১৮বছর। এই দুটি বিদ্যালয়ের  কিছু কার্যক্রম ও কিছু অর্জন নিয়ে তৈরি করা হলো ভিডিও অ্যালবাম "শিক্ষকতায় ২৩বছর"।

v ২০০১ সালে তৎকালীন সিলেট সদর উপজেলার তুরুকখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিবেদিতপ্রাণ আদর্শ প্রধান শিক্ষিকা ইসমত আরা বেগমের হাত ধরেই স্বপ্নের যাত্রা। সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবনের শুরু।

v ২০০৩ সালে ২৮জানুয়ারি। বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে সরাসরি প্রধান শিক্ষক পদে যোগদান। ২০টি বছর আজ অতীত। কিন্তু প্রধান শিক্ষকই রয়ে গেলাম।সেই ১৯৯৪ সাল থেকেই প্রমোশনের দ্বার রুদ্ধ। শতভাগ বিভাগীয় প্রমোশন রাষ্ট্রের কাছে প্রধান চাওয়া।

v ২২ বছরের কর্মজীবনে পেয়েছি অনেক সম্মান ও ভালবাসা। নিজ বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে প্রাথমিক শিক্ষার মাননীয় মন্ত্রী, সচিব, উর্ধতন কর্তৃপক্ষ ও রাজনীতিবিদ সহ অসংখ্য ছোট-বড় কর্মকর্তার সান্নিধ্য পেয়েছি যা আমার ভিডিওতে ফুটে উঠেছে।

v ২০১৮সালে জাতীয় পর্যায়ে ইনোভেশন শোকেসিং এ অংশগ্রহণ করে শীর্ষ দশ ইনোভেটরের একজন হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি। ২০১৯ সালে আরেকটি ইনোভেশন জাতীয় পর্যায়ে পাইলটিং এর জন্য নির্বাচিত হয়। ২০২৩ সালে সিলেট বিভাগীয় পর্যায়ে ইনোভেশন শোকেসিং এ অংশগ্রহণ করে উদ্ভাবক সম্মাননা গ্রহন করি। ২০২৪ সালে সিলেট জেলা পর্যায়ে ইনোভেশন শোকেসিং এ অংশগ্রহণ করে তৃতীয় স্থান অর্জন করি।

v করোনাকালীন সময়ে “সিলেট অনলাইন স্কুল” প্রতিষ্ঠা করে শিশুদের শিখন ঘাটতি দূরীকরণে অবুদান রাখায় কাজের স্বীকৃতি সরূপ সিলেট জেলা প্রাথমিক অফিস থেকে “করোনা যোদ্ধা শিক্ষক সম্মাননা” ও “অনলাইন এডমিন সম্মাননা” পুরস্কারে ভূষিত হই।  এসব অর্জন আর অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবেই বাকি কর্মজীবনটুকু স্বসম্মানে ও স্বমহিমায় কাটিয়ে দিতে চাই। 

v নিঃসন্দেহে শিক্ষকতা সমাজের সর্বোচ্চ সম্মানজনক পেশা।আর এই পেশার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় চাকুরির শুরু  থেকেই যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছি।একজন আপাদমস্তক শিক্ষক হিসেবে নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছি সেই শুরু থেকেই।শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে নয়, সমাজের একজন আদর্শ শিক্ষক হিসেবে  সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা দিয়ে যেন চাকুরী জীবনের অবশিষ্ট  দায়িত্বটা যথাযথভাবে পালন করতে পারি সেজন্য সবার আশীর্বাদ/দোয়া কাম্য।

                                                                                                                                                                         গনেশ পাল দীপু

                                                                                                                                                                           ০৮/০৬/২৪

মন্তব্য করুন