অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক কী?
অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক হলো একটি নির্দিষ্ট আকৃতির দৌড়ের পথ, যেখানে বিভিন্ন ধরনের দৌড় প্রতিযোগিতা, লং জাম্প, হাই জাম্প, এবং অন্যান্য ক্রীড়া কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত এটি ৪০০ মিটার লম্বা ও ওভাল আকৃতির হয়ে থাকে, যাতে বিভিন্ন লেন থাকে। প্রতিটি লেনের প্রস্থ সাধারণত ১.২২ মিটার হয়।
অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক অঙ্কনের কৌশল
অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাক অঙ্কনের জন্য নির্দিষ্ট জ্যামিতিক পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়। নিচে ধাপে ধাপে এটি করার কৌশল দেওয়া হলো—
১. ট্র্যাকের মৌলিক কাঠামো নির্ধারণ
- প্রথমে একটি আয়তক্ষেত্র অঙ্কন করো, যা ট্র্যাকের বাইরের সীমানা নির্ধারণ করবে।
- আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ধারণ করো (উদাহরণস্বরূপ, ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৫০ মিটার প্রস্থ)।
২. ট্র্যাকের বৃত্তাকার কোণা তৈরি
- দুই পাশে দুটি আধা-বৃত্ত আঁকতে হবে, যা ট্র্যাকের বাঁক তৈরি করবে।
- প্রতিটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ হতে হবে ট্র্যাকের স্ট্যান্ডার্ড মাপ অনুসারে (যেমন ৩৬.৫০ মিটার)।
- কম্পাস বা বৃত্ত আঁকার সরঞ্জাম ব্যবহার করা ভালো।
৩. লেন বিভাজন
- ট্র্যাকে সাধারণত ৬-৮টি লেন থাকে। প্রতিটি লেনের প্রস্থ ১.২২ মিটার রাখতে হয়।
- স্কেল ও পেন্সিল দিয়ে সমান্তরাল রেখা টেনে লেনগুলো আলাদা করতে হবে।
৪. স্টার্ট ও ফিনিশ লাইন নির্ধারণ
- ট্র্যাকের সোজা অংশে স্টার্টিং ও ফিনিশিং লাইন চিহ্নিত করতে হবে।
- ১০০ মিটার স্প্রিন্টের জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফিনিশ লাইন আঁকতে হবে।
৫. লং জাম্প ও হাই জাম্প এরিয়া সংযুক্ত করা
- যদি অ্যাথলেটিক্স ট্র্যাকে লং জাম্প, হাই জাম্প, ডিসকাস থ্রো বা শট পুট থাকে, তাহলে তা সঠিক মাপে যুক্ত করতে হবে।
৬. রং ও ফিনিশিং
- ট্র্যাকটিকে আরও বাস্তবসম্মত দেখাতে রঙ ব্যবহার করা যেতে পারে (যেমন, লাল বা নীল)।
- প্রতিটি লেনের নম্বর লিখে শেষ করো।