সহকারী শিক্ষক
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১০:৫০ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ নবম
বিষয়ঃ শারীরিক শিক্ষা স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা
অধ্যায়ঃ অধ্যায় ৫
ভিটামিন কাকে বলে?
ভিটামিন হলো এক ধরনের জৈব যৌগ যা শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, উন্নয়ন ও বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানবদেহ নিজে থেকে অধিকাংশ ভিটামিন তৈরি করতে পারে না, তাই খাদ্য বা পরিপূরক থেকে এগুলো গ্রহণ করতে হয়।
ভিটামিন কত প্রকার ও কি কি?
ভিটামিন প্রধানত দুই প্রকার:
ফ্যাট-সলিউবল (চর্বিতে দ্রবণীয়) ভিটামিন: এগুলো দেহের চর্বিতে সংরক্ষিত থাকে এবং দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে।
ভিটামিন A (রেটিনল)
ভিটামিন D (ক্যালসিফেরল)
ভিটামিন E (টোকোফেরল)
ভিটামিন K (ফাইলোকুইনোন)
ওয়াটার-সলিউবল (পানিতে দ্রবণীয়) ভিটামিন: এগুলো শরীরে জমা থাকে না এবং অতিরিক্ত অংশ প্রস্রাবের মাধ্যমে বের হয়ে যায়, তাই প্রতিদিন গ্রহণ করা প্রয়োজন।
ভিটামিন B কমপ্লেক্স:
B1 (থায়ামিন)
B2 (রাইবোফ্লাভিন)
B3 (নিয়াসিন)
B5 (প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড)
B6 (পাইরিডক্সিন)
B7 (বায়োটিন)
B9 (ফোলিক অ্যাসিড)
B12 (কোবালামিন)
ভিটামিন C (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড)
ভিটামিন D-এর অভাবে কি রোগ হয়?
ভিটামিন D-এর অভাবে প্রধানত ক্যালসিয়ামের শোষণ কমে যায়, যার ফলে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। এটি নিম্নলিখিত রোগ সৃষ্টি করতে পারে—
রিকেটস (Rickets) – শিশুদের মধ্যে দেখা যায়, এতে হাড় নরম হয়ে যায় এবং বিকৃত হতে পারে।
অস্টিওম্যালাসিয়া (Osteomalacia) – প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দেখা যায়, এতে হাড় দুর্বল ও ব্যথাযুক্ত হয়।
অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) – বয়স্কদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, এতে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং সহজেই ভেঙে যেতে পারে।
ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হওয়া – ভিটামিন D-এর অভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
ভিটামিন D পেতে সূর্যালোক, দুধ, ডিমের কুসুম, মাশরুম, মাছের তেল ইত্যাদি খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।