Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

০৭ আগস্ট, ২০২৫ ১১:০২ অপরাহ্ণ

ব্যাপকভাবে সামাজিক বনায়ন

ব্যাপকভাবে সামাজিক বনায়ন বলতে দেশের বিভিন্ন পরিত্যক্ত জমি, রাস্তার ধারে, রেললাইনের পাশ, খালপাড়, স্কুল-কলেজ চত্বর, গ্রামের মাঠ ও বসতভিটা আশেপাশের জায়গায় সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে বৃহৎ পরিসরে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো, রক্ষণাবেক্ষণ ও ফলভোগের একটি সমন্বিত পদ্ধতিকে বোঝায়। এটি একটি পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ, যার মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণের পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নও সম্ভব।

উদ্দেশ্য

১। পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা

২। কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব হ্রাস

৩। গ্রামের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন

৪। কাঠ, ফল, ওষধি ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ

৫। জনসম্পৃক্ততা তৈরি করে বৃক্ষরোপণে উৎসাহ প্রদান

উপকারিতা

১। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হয়

২। অক্সিজেন সরবরাহ ও বায়ু বিশুদ্ধ রাখে

৩। মাটির ক্ষয় রোধ করে

৪। প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবন্ধক দেয়াল হিসেবে কাজ করে

৫। গ্রামের দরিদ্র মানুষ ফল, কাঠ ও পাতা বিক্রি করে আয় করতে পারে

৬। নারী ও যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়

৭। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় ভূমিকা রাখে

৮। পশুপাখির আবাসস্থল সৃষ্টি হয়

কীভাবে সফলভাবে করা যায়?

সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ: স্থানীয় জনগণকে পরিবেশ, জলবায়ু ও বনায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে হবে।

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব: ইউনিয়ন পরিষদ, এনজিও ও স্থানীয় প্রশাসন একসঙ্গে কাজ করলে বনায়ন কার্যক্রম সফল হয়।

উপযুক্ত জমি নির্বাচন: খাস জমি, রাস্তার ধারে, বিদ্যালয় চত্বরকে বেছে নিতে হবে।

উপযুক্ত বৃক্ষ নির্বাচন: ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ একসঙ্গে লাগাতে হবে।

লাভের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করা: যারা গাছ লাগাবে ও রক্ষা করবে, তাদের গাছের ফল বা কাঠ থেকে আয় ভাগ করে দিতে হবে।

নিয়মিত পরিচর্যা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ: গাছকে ছোট অবস্থায় রক্ষা করা খুব জরুরি।

চ্যালেঞ্জ বা প্রতিবন্ধকতা

·        ·      জনগণের মধ্যে সচেতনতার অভাব

      ·      রোপণের পর পরিচর্যার ঘাটতি

      ·      গবাদিপশুর কারণে চারা নষ্ট হওয়া





মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট